১
পরিবার ও পারিবারিক জীবন
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৯
তালাক দানের কয়েকটি পন্থা
স্বামী-স্ত্রীর বিয়ে-সূত্রের অধিকারী। এ সূত্র ছিন্ন করার কিংবা রাখার ব্যাপারে তার অধিকারই স্বীকৃত। এ অধিকার অনুযায়ী বিয়ে সূত্রকে ছিন্ন করে দেয়ার নামই হলো শরীয়তের পরিভাষায় তালাক। এ তালাক কয়েক প্রকারে হতে পারে, তালাক দেয়ার পরও নতুন বিয়ে-অনুষ্ঠান ব্যতিরেকেই যদি স্ত্রীকে ফিরিয়ে রাখার অধিকার থাকে তবে তা হবে রিজয়ী তালাক। আর যদি সে অধিকার না থাকে, তবে তাকে বলা হবে বায়েন তালাক।
রিজবী তালাক-এর সংজ্ঞান হচ্ছেঃ
(আরবী)
রিজয়ী তালাক হচ্ছে সে তালাক, যার পরও স্বামী তার তালাক দেয়া স্ত্রীকে নতুন আকদ অনুষ্ঠান না করেই ইদ্দতকালের মধ্যেই –রাজি হোক আর নাই হোক –ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার পায়।
আর ‘বায়েন তালাক’ দু’প্রকারের হতে পারে। একটি ছোট বায়েন আর অপরটি বড় বায়েন। ‘ছোট’ বায়েন তালাক হচ্ছেঃ
(আরবী)
সে তালাক, যার পর স্বামী তালাক দেয়া স্ত্রীকে নতুন বিয়ে অনুষ্ঠান না করে ফিরিয়ে নিতে পারে না। তার মানে এ তালাকের পর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে হলে নতুন করে বিয়ের আকদ হতে হবে।
আর বড় বায়েন তালাক হচ্ছেঃ
(আরবী)
সে তালাক, যার পর স্বামী তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে না। পারে কেবল একটি অবস্থায়। আর তা হচ্ছে এই যে, স্ত্রীলোকটি অপর এক স্বামী গ্রহণ করবে সহীহ পন্থায় এবং সে তার সাথে প্রকৃতভাবেই সহবাস ও যৌন সম্পর্ক স্থাপন করবে। এরপর তাদের মাঝে বিচ্ছেদ হবে কিংবা সেই দ্বিতীয় স্বামী তাকে রেখে মরে যাবে ও তার পরে এ মৃত্যুর ইদ্দত পালিত হবে।
রিজবী তালাক-এর সংজ্ঞান হচ্ছেঃ
(আরবী)
রিজয়ী তালাক হচ্ছে সে তালাক, যার পরও স্বামী তার তালাক দেয়া স্ত্রীকে নতুন আকদ অনুষ্ঠান না করেই ইদ্দতকালের মধ্যেই –রাজি হোক আর নাই হোক –ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার পায়।
আর ‘বায়েন তালাক’ দু’প্রকারের হতে পারে। একটি ছোট বায়েন আর অপরটি বড় বায়েন। ‘ছোট’ বায়েন তালাক হচ্ছেঃ
(আরবী)
সে তালাক, যার পর স্বামী তালাক দেয়া স্ত্রীকে নতুন বিয়ে অনুষ্ঠান না করে ফিরিয়ে নিতে পারে না। তার মানে এ তালাকের পর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে হলে নতুন করে বিয়ের আকদ হতে হবে।
আর বড় বায়েন তালাক হচ্ছেঃ
(আরবী)
সে তালাক, যার পর স্বামী তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে না। পারে কেবল একটি অবস্থায়। আর তা হচ্ছে এই যে, স্ত্রীলোকটি অপর এক স্বামী গ্রহণ করবে সহীহ পন্থায় এবং সে তার সাথে প্রকৃতভাবেই সহবাস ও যৌন সম্পর্ক স্থাপন করবে। এরপর তাদের মাঝে বিচ্ছেদ হবে কিংবা সেই দ্বিতীয় স্বামী তাকে রেখে মরে যাবে ও তার পরে এ মৃত্যুর ইদ্দত পালিত হবে।