১
পরিবার ও পারিবারিক জীবন
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
বিয়ের সময় বর-কনেকে সাজানো
বিয়ের সময় বর ও কনেকে নতুন চাকচিক্যময় পোশাক-পরিচ্ছদে সুসজ্জিত করা এবং ছেলেমেয়ের গায়ে হলুদ মাখা ইসলামী শরীয়তের সম্পূর্ণ জায়েয। হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা) বলেনঃ হযরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা) একদিন রাসূলে করীমের চিহ্ন লাগানো ছিল।
(আরবী) –এবং তখন তাঁর গায়ে হলুদের চিহ্ন লাগানো ছিল।
রাসূলে করীম (ﷺ) তার কারণ জিজ্ঞেস করলে হযরত ইবনে আওফ জানালেনঃ
(আরবী)
তিনি আনসার বংশের এক মহিলাকে বিয়ে করেছেন (এবং এ বিয়েতে লাগানো হলুদের রং-ই তাঁর গায়ে লেগে রয়েছে)। (বুখারী)
এ ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, বিয়ের সময় বর ও কনে –ছেলে ও মেয়ে –উভয়কেই সাজানো এবং তাদের গায়ে হলুদ লাগানো প্রাচীনকালেও –রাসূলের ও সাহাবীদের সমাজেও –প্রচলিত ছিল। হলুদ, জাফরান ইত্যাদি যে কোন জিনিস দিয়েই বর-কনের শরীর রঙীন করা যেতে পারে এবং এর সঙ্গে সুগন্ধি ব্যবহারেরও অনুমতি রয়েছে। কেননা হযতর আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা) এসব লাগিয়ে রাসূলের সম্মুখে হাযির হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর এ কাজকে অপছন্দ করেন নি, সেজন্যে তিরস্কারও করেন নি। এ সম্পর্কে ইসলামের মনীষীদের মত হচ্ছে এইঃ
(আরবী)
যে লোক বিয়ে করবে, সে যেন বিয়ে ও আনন্দ-উৎসবের নিদর্শনস্বরূপ হলুদ বর্ণের রঙীন কাপড় পরিধান করে।
হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেছেনঃ
(আরবী)
সমস্ত রং ও বর্ণের মধ্যে হলুদ বর্ণই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম ও সুন্দর।
এর কারণস্বরূপ তিনি কুরআনের নিম্নোক্ত বাক্যাংশ পাঠ করেছিলেনঃ
(আরবী)
উজ্জ্বল হলুদ বর্ণ সম্পন্ন, যার রঙ চকচকে, দর্শকদের মনকে আনন্দে উৎফুল্ল করে দেয়।
এখানে পরিচ্ছন্ন ও চকচকে হলুদ বর্ণকেই লক্ষ্য করা হয়েছে, যা দেখলে চোখ ঝলসে যায়, রঙের সৌন্দর্য দেখে দর্শক মুগ্ধ-বিমোহিত হয়।
রাসূলে করীম (ﷺ) নিজে কি সব রং পছন্দ করতেন, এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে হযরত আনাস (রা) বলেছেনঃ
(আরবী)
নবী করীম (ﷺ) হরিৎ বর্ণ লাগাতেন, আমিও তা-ই লাগিয়ে থাকি এবং তা-ই আমি পছন্দ করি, ভালোবাসি।
আল্লামা ইবনে আবদুল বার ইমাম জুহরী থেকে বর্ণনা করেছেনঃ
(আরবী)
সাহাবায়ে কিরাম হলুদ বর্ণের সুগদ্ধি ব্যবহার করতেন এবং তাতে কোনো দোষ দেখতেন না।
ইবনে সুফিয়ান বলেনঃ
(আরবী)
এ রঙ কাপকে ব্যবহার করা আমাদের মনীষীদের মতে জায়েয, দেহ ও শরীরের লাগানো নয়।
অবশ্য ইমাম আবূ হানীফা, শাফিয়ী ও তাঁদের সঙ্গী-সাথীদের মতে কাপড়ে কিংবা দাঁড়িতে জাফরানের রঙ লাগানো মাকরূহ।
(আরবী) –এবং তখন তাঁর গায়ে হলুদের চিহ্ন লাগানো ছিল।
রাসূলে করীম (ﷺ) তার কারণ জিজ্ঞেস করলে হযরত ইবনে আওফ জানালেনঃ
(আরবী)
তিনি আনসার বংশের এক মহিলাকে বিয়ে করেছেন (এবং এ বিয়েতে লাগানো হলুদের রং-ই তাঁর গায়ে লেগে রয়েছে)। (বুখারী)
এ ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, বিয়ের সময় বর ও কনে –ছেলে ও মেয়ে –উভয়কেই সাজানো এবং তাদের গায়ে হলুদ লাগানো প্রাচীনকালেও –রাসূলের ও সাহাবীদের সমাজেও –প্রচলিত ছিল। হলুদ, জাফরান ইত্যাদি যে কোন জিনিস দিয়েই বর-কনের শরীর রঙীন করা যেতে পারে এবং এর সঙ্গে সুগন্ধি ব্যবহারেরও অনুমতি রয়েছে। কেননা হযতর আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা) এসব লাগিয়ে রাসূলের সম্মুখে হাযির হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর এ কাজকে অপছন্দ করেন নি, সেজন্যে তিরস্কারও করেন নি। এ সম্পর্কে ইসলামের মনীষীদের মত হচ্ছে এইঃ
(আরবী)
যে লোক বিয়ে করবে, সে যেন বিয়ে ও আনন্দ-উৎসবের নিদর্শনস্বরূপ হলুদ বর্ণের রঙীন কাপড় পরিধান করে।
হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেছেনঃ
(আরবী)
সমস্ত রং ও বর্ণের মধ্যে হলুদ বর্ণই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম ও সুন্দর।
এর কারণস্বরূপ তিনি কুরআনের নিম্নোক্ত বাক্যাংশ পাঠ করেছিলেনঃ
(আরবী)
উজ্জ্বল হলুদ বর্ণ সম্পন্ন, যার রঙ চকচকে, দর্শকদের মনকে আনন্দে উৎফুল্ল করে দেয়।
এখানে পরিচ্ছন্ন ও চকচকে হলুদ বর্ণকেই লক্ষ্য করা হয়েছে, যা দেখলে চোখ ঝলসে যায়, রঙের সৌন্দর্য দেখে দর্শক মুগ্ধ-বিমোহিত হয়।
রাসূলে করীম (ﷺ) নিজে কি সব রং পছন্দ করতেন, এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে হযরত আনাস (রা) বলেছেনঃ
(আরবী)
নবী করীম (ﷺ) হরিৎ বর্ণ লাগাতেন, আমিও তা-ই লাগিয়ে থাকি এবং তা-ই আমি পছন্দ করি, ভালোবাসি।
আল্লামা ইবনে আবদুল বার ইমাম জুহরী থেকে বর্ণনা করেছেনঃ
(আরবী)
সাহাবায়ে কিরাম হলুদ বর্ণের সুগদ্ধি ব্যবহার করতেন এবং তাতে কোনো দোষ দেখতেন না।
ইবনে সুফিয়ান বলেনঃ
(আরবী)
এ রঙ কাপকে ব্যবহার করা আমাদের মনীষীদের মতে জায়েয, দেহ ও শরীরের লাগানো নয়।
অবশ্য ইমাম আবূ হানীফা, শাফিয়ী ও তাঁদের সঙ্গী-সাথীদের মতে কাপড়ে কিংবা দাঁড়িতে জাফরানের রঙ লাগানো মাকরূহ।