১
পরিবার ও পারিবারিক জীবন
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭২
স্ত্রীর কর্তব্য ও অধিকার
স্ত্রীদের অধিকারের ব্যাপারে ইসলাম পুরুষদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তার সংক্ষিপ্ত আলোচনা ইতিপূর্বে পেশ করা হয়েছে অর্থাৎ পুরুষদের যা যা কর্তব্য স্ত্রীদের প্রতি, তাই হচ্ছে স্ত্রীদের অধিকার পুরুষদের ওপর। এক্ষণে আলোচনা করা হবে –স্ত্রীলোকদের ওপর পুরুষদের অধিকার –অন্য কথায় পুরুষদের প্রতি স্ত্রীদের কর্তব্য। বস্তুত একজনের যা কর্তব্য অপরের প্রতি, তাই হচ্ছে অপরজনের অধিকার তার প্রতি। উভয়ের প্রতি উভয়ের কর্তব্য যা তাই হচ্ছে উভয়ের প্রতি উভয়ের অধিকার।
আইনের পূর্ণতার দৃষ্টিতে বিচার করলেও একথা অস্বীকার করা যায় না যে, একদেশদর্শী, একপেশে ও একতরফা আইন বা বিধান কখনো পূর্ণ আইন হতে পারে না, পারে না তা সমগ্র মানবতার প্রতি কল্যাণকর হতে। যে আইন কেবল একচেটিয়াভাবে পুরুষের অধিকার ও কর্তৃত্বের কথা বলে, স্ত্ররি অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে যা নির্বাক কিংবা এর বিপরীত –যে আইন কেবল স্ত্রীদের অধিকারের কথা বলে, পুরুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে কোনো নির্দেশ দেয় না, তা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই কারণেই ইসলাম এ ধরনের একপেশে ও একদেশদর্শী বিধান নয়।
এতে সন্দেহ নেই যে, নারী জন্মগতভাবেই দুর্বল, স্বাভাবিক আবেগ উচ্ছ্বাসের দিক দিয়ে ভারসাম্যহীন, দৈহিক আকার-আঙ্গিকের দৃষ্টিতেও পুরুষদের তুলনায় ক্ষীণ ও নাজুক, কোমল ও বলহীন। এজন্যে নারীর প্রতি অধিকার অনুগ্রহপূর্ণ দৃষ্টিদান এবং অধিক প্রেম ভালোবাসা পোষণ অপরিহার্য। কিন্তু তাই বলে তাদের পক্ষে উপযুক্ত ও জরুরী দায়িত্ব ও কর্তব্য অর্পণ করা থেকে তাদের নিষ্কৃতি দেয়া যেতে পারে না। কেননা তাহলে স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের জীবন –সমষ্টিগত জীবন –অত্যন্ত তিক্ত ও কষ্টপূর্ণ হতে বাধ্য।
আইনের পূর্ণতার দৃষ্টিতে বিচার করলেও একথা অস্বীকার করা যায় না যে, একদেশদর্শী, একপেশে ও একতরফা আইন বা বিধান কখনো পূর্ণ আইন হতে পারে না, পারে না তা সমগ্র মানবতার প্রতি কল্যাণকর হতে। যে আইন কেবল একচেটিয়াভাবে পুরুষের অধিকার ও কর্তৃত্বের কথা বলে, স্ত্ররি অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে যা নির্বাক কিংবা এর বিপরীত –যে আইন কেবল স্ত্রীদের অধিকারের কথা বলে, পুরুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে কোনো নির্দেশ দেয় না, তা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই কারণেই ইসলাম এ ধরনের একপেশে ও একদেশদর্শী বিধান নয়।
এতে সন্দেহ নেই যে, নারী জন্মগতভাবেই দুর্বল, স্বাভাবিক আবেগ উচ্ছ্বাসের দিক দিয়ে ভারসাম্যহীন, দৈহিক আকার-আঙ্গিকের দৃষ্টিতেও পুরুষদের তুলনায় ক্ষীণ ও নাজুক, কোমল ও বলহীন। এজন্যে নারীর প্রতি অধিকার অনুগ্রহপূর্ণ দৃষ্টিদান এবং অধিক প্রেম ভালোবাসা পোষণ অপরিহার্য। কিন্তু তাই বলে তাদের পক্ষে উপযুক্ত ও জরুরী দায়িত্ব ও কর্তব্য অর্পণ করা থেকে তাদের নিষ্কৃতি দেয়া যেতে পারে না। কেননা তাহলে স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের জীবন –সমষ্টিগত জীবন –অত্যন্ত তিক্ত ও কষ্টপূর্ণ হতে বাধ্য।