১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
রমাযানের রোযার গুরুত্ব
আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর যে কয়টি ইবাদাত ফরয করেছেন তার মধ্যে রোযা অন্যতম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করে দেয়া হয়েছে, যেরকমভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করে দেয়া হয়েছিল। আশা করা যায়, এর মাধ্যমে তোমরা তাক্বওয়া অর্জন করতে পারবে। (সূরা বাকারা- ১৮৩)
রোযা ইসলামের মূল ভিত্তিসমূহের একটি :
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ - بُنِىَ الْإِسْلَامُ عَلٰى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيْتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত । তা হলো :
১. এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
২. সালাত কায়েম করা।
৩. যাকাত আদায় করা।
৪. বাইতুল্লায় হজ্জ পালন করা।
৫. রমাযান মাসে রোযা রাখা। [সহীহ বুখারী, হা/৮; সহীহ মুসলিম, হা/১২২; তিরমিযী, হা/২৬০৯; নাসাঈ, হা/৫০০১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৬০১৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩০৯।]
যে ব্যক্তি রমাযান মাস পেয়েও তার গোনাহ ক্ষমা করাতে পারল না তার ব্যাপারে নবী ﷺ এর হাদীস :
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ - - رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ذُكِرْتُ عِنْدَهٗ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَىَّ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ ثُمَّ انْسَلَخَ قَبْلَ أَنْ يُغْفَرَ لَهٗ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ أَدْرَكَ عِنْدَهٗ أَبَوَاهُ الْكِبَرَ فَلَمْ يُدْخِلَاهُ الْجَنَّةَ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঐ ব্যক্তির নাক ধূলায় ধূসরিত হোক, যার নিকট আমার নাম উল্লেখ করা হয় অথচ আমার উপর দরূদ পাঠ করে না। আর ঐ ব্যক্তির নাকও ধূলায় ধূসরিত হোক, যে ব্যক্তি রমাযান মাস পেল অথচ তার গোনাহ ক্ষমা হওয়ার আগেই রমাযান মাস শেষ হয়ে গেল। আর ঐ ব্যক্তির নাকও ধূলায় ধূসরিত হোক, যে ব্যক্তি তার পিতামাতাকে বৃদ্ধাবস্থায় পেল অথচ তারা তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না (অর্থাৎ তাদের খেদমত করে সে জান্নাত লাভ করতে পারল না)। [তিরমিযী, হা/৩৫৪৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৪৪৪; মুসনাদুল বাযযার, হা/৮৩৬৫; জামেউস সগীর, হা/৫৮২৩; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৬৮০; শারহুস সুন্নাহ, হা/৬৮৯; মিশকাত, হা/৯২৬।]
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করে দেয়া হয়েছে, যেরকমভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করে দেয়া হয়েছিল। আশা করা যায়, এর মাধ্যমে তোমরা তাক্বওয়া অর্জন করতে পারবে। (সূরা বাকারা- ১৮৩)
রোযা ইসলামের মূল ভিত্তিসমূহের একটি :
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ - بُنِىَ الْإِسْلَامُ عَلٰى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيْتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত । তা হলো :
১. এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
২. সালাত কায়েম করা।
৩. যাকাত আদায় করা।
৪. বাইতুল্লায় হজ্জ পালন করা।
৫. রমাযান মাসে রোযা রাখা। [সহীহ বুখারী, হা/৮; সহীহ মুসলিম, হা/১২২; তিরমিযী, হা/২৬০৯; নাসাঈ, হা/৫০০১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৬০১৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩০৯।]
যে ব্যক্তি রমাযান মাস পেয়েও তার গোনাহ ক্ষমা করাতে পারল না তার ব্যাপারে নবী ﷺ এর হাদীস :
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ - - رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ذُكِرْتُ عِنْدَهٗ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَىَّ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ ثُمَّ انْسَلَخَ قَبْلَ أَنْ يُغْفَرَ لَهٗ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ أَدْرَكَ عِنْدَهٗ أَبَوَاهُ الْكِبَرَ فَلَمْ يُدْخِلَاهُ الْجَنَّةَ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঐ ব্যক্তির নাক ধূলায় ধূসরিত হোক, যার নিকট আমার নাম উল্লেখ করা হয় অথচ আমার উপর দরূদ পাঠ করে না। আর ঐ ব্যক্তির নাকও ধূলায় ধূসরিত হোক, যে ব্যক্তি রমাযান মাস পেল অথচ তার গোনাহ ক্ষমা হওয়ার আগেই রমাযান মাস শেষ হয়ে গেল। আর ঐ ব্যক্তির নাকও ধূলায় ধূসরিত হোক, যে ব্যক্তি তার পিতামাতাকে বৃদ্ধাবস্থায় পেল অথচ তারা তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না (অর্থাৎ তাদের খেদমত করে সে জান্নাত লাভ করতে পারল না)। [তিরমিযী, হা/৩৫৪৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৪৪৪; মুসনাদুল বাযযার, হা/৮৩৬৫; জামেউস সগীর, হা/৫৮২৩; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৬৮০; শারহুস সুন্নাহ, হা/৬৮৯; মিশকাত, হা/৯২৬।]