১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৯
যেসব ফসলের উপর যাকাত আদায় করা আবশ্যক
হাদীসে এসেছে,
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ إِنَّمَا سَنَّ رَسُوْلُ اللهِ - - اَلزَّكَاةَ فِى هٰذِهِ الْأَرْبَعَةِ الْحِنْطَةِ وَالشَّعِيْرِ وَالزَّبِيْبِ وَالتَّمْرِ
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ গম, যব, কিসমিস এবং খেজুর এই চারটি শস্যের যাকাত প্রবর্তন করেছেন। [সুনানে দার কুতনী, হা/১৯৩৬; জামেউস সগীর, হা/৫৮৯৭; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৮৭৯।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ ، قَالَ : عِنْدَنَا كِتَابُ مُعَاذٍ ، عَنِ النَّبِيِّ : أَنَّه إِنَّمَا أَخَذَ الصَّدَقَةَ مِنَ الْحِنْطَةِ وَالشَّعِيْرِ وَالزَّبِيْبِ وَالتَّمْرِ
মূসা ইবনে তালহা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক মু‘আয (রাঃ) এর নিকট প্রেরিত পত্র আমাদের নিকট ছিল। যাতে তিনি গম, যব, কিসমিস ও খেজুরের যাকাত গ্রহণ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ, হা/২২০৪১; সুনানে দার কুতনী, হা/১৯১৪; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৭২৩; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৪৫৭; মিশকাত, হা/১৮০৩।]
উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ে বর্ণিত চারটি শস্যের যাকাতের কথা বলা হলেও এই চারটিকেই নির্দিষ্ট করা হয়নি। বরং ওজন ও গুদামজাত সম্ভব সকল শস্যই এর অমত্মর্ভুক্ত। যেমন ধান, ভুট্টা ইত্যাদি।
ভূমি থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল-মূলের মধ্যে ওশর দেয়া ওয়াজিব হবে কি না- এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। কতক উলামায়ে কেরামের মত হচ্ছে, শাক-সবজি ও ফল-মূল অর্থাৎ যেসব জিনিস গুদামজাত করা যায় না এবং স্থায়ী থাকে না, তাতে যাকাত আসবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,
عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ : لَيْسَ فِي الْخُضْرَوَاتِ صَدَقَةٌ .
মূসা ইবনে তালহা (রহ.) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, শাক-সবজিতে কোন যাকাত (ওশর) নেই। [মুসনাদুল বাযযার, হা/৭৪০; জামেউস সগীর, হা/৯৫৪২।]
আবার কতক উলামায়ে কেরাম মনে করেন, শাক-সবজি ও ফল-মূলের মধ্যেও ওশর ওয়াজিব হবে। কেননা আল্লাহ তা‘আলার বাণী হচ্ছে,
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اَنْفِقُوْا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّاۤ اَخْرَجْنَا لَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যা উপার্জন করেছ এবং আমি জমিন থেকে তোমাদের জন্য যা বের করেছি তার মধ্য হতে পবিত্র জিনিসসমূহ দান করো। (সূরা বাকারা- ২৬৭)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَاٰتُوْا حَقَّهٗ يَوْمَ حَصَادِهٖ وَلَا تُسْرِفُوْاؕ اِنَّهٗ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِيْنَ﴾
আর তোমরা ফসল তোলার দিন তার হক আদায় করো এবং অপচয় করো না। নিশ্চয় আল্লাহ অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না। (সূরা আন‘আম- ১৪১)
উক্ত আয়াতে ব্যাপকভাবে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, জমি থেকে যা উৎপন্ন হয়, তার হক আদায় করতে হবে। এখানে কোন কিছুকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ গ্রন্থকার এ মতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ إِنَّمَا سَنَّ رَسُوْلُ اللهِ - - اَلزَّكَاةَ فِى هٰذِهِ الْأَرْبَعَةِ الْحِنْطَةِ وَالشَّعِيْرِ وَالزَّبِيْبِ وَالتَّمْرِ
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ গম, যব, কিসমিস এবং খেজুর এই চারটি শস্যের যাকাত প্রবর্তন করেছেন। [সুনানে দার কুতনী, হা/১৯৩৬; জামেউস সগীর, হা/৫৮৯৭; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৮৭৯।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ ، قَالَ : عِنْدَنَا كِتَابُ مُعَاذٍ ، عَنِ النَّبِيِّ : أَنَّه إِنَّمَا أَخَذَ الصَّدَقَةَ مِنَ الْحِنْطَةِ وَالشَّعِيْرِ وَالزَّبِيْبِ وَالتَّمْرِ
মূসা ইবনে তালহা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক মু‘আয (রাঃ) এর নিকট প্রেরিত পত্র আমাদের নিকট ছিল। যাতে তিনি গম, যব, কিসমিস ও খেজুরের যাকাত গ্রহণ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ, হা/২২০৪১; সুনানে দার কুতনী, হা/১৯১৪; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৭২৩; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৪৫৭; মিশকাত, হা/১৮০৩।]
উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ে বর্ণিত চারটি শস্যের যাকাতের কথা বলা হলেও এই চারটিকেই নির্দিষ্ট করা হয়নি। বরং ওজন ও গুদামজাত সম্ভব সকল শস্যই এর অমত্মর্ভুক্ত। যেমন ধান, ভুট্টা ইত্যাদি।
ভূমি থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল-মূলের মধ্যে ওশর দেয়া ওয়াজিব হবে কি না- এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। কতক উলামায়ে কেরামের মত হচ্ছে, শাক-সবজি ও ফল-মূল অর্থাৎ যেসব জিনিস গুদামজাত করা যায় না এবং স্থায়ী থাকে না, তাতে যাকাত আসবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,
عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ : لَيْسَ فِي الْخُضْرَوَاتِ صَدَقَةٌ .
মূসা ইবনে তালহা (রহ.) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, শাক-সবজিতে কোন যাকাত (ওশর) নেই। [মুসনাদুল বাযযার, হা/৭৪০; জামেউস সগীর, হা/৯৫৪২।]
আবার কতক উলামায়ে কেরাম মনে করেন, শাক-সবজি ও ফল-মূলের মধ্যেও ওশর ওয়াজিব হবে। কেননা আল্লাহ তা‘আলার বাণী হচ্ছে,
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اَنْفِقُوْا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّاۤ اَخْرَجْنَا لَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যা উপার্জন করেছ এবং আমি জমিন থেকে তোমাদের জন্য যা বের করেছি তার মধ্য হতে পবিত্র জিনিসসমূহ দান করো। (সূরা বাকারা- ২৬৭)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَاٰتُوْا حَقَّهٗ يَوْمَ حَصَادِهٖ وَلَا تُسْرِفُوْاؕ اِنَّهٗ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِيْنَ﴾
আর তোমরা ফসল তোলার দিন তার হক আদায় করো এবং অপচয় করো না। নিশ্চয় আল্লাহ অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না। (সূরা আন‘আম- ১৪১)
উক্ত আয়াতে ব্যাপকভাবে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, জমি থেকে যা উৎপন্ন হয়, তার হক আদায় করতে হবে। এখানে কোন কিছুকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ গ্রন্থকার এ মতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন।