১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
রোগীর অবস্থা ও তার রোযার বিধান
রোগীর তিনটি অবস্থা হতে পারে :
১. তার রোগটি এমন স্বাভাবিক হবে যে, রোযা রাখাতে তার কোন সমস্যা হবে না। এমন রোগীর জন্য রোযা ভঙ্গ করা জায়েয হবে না।
২. রোগীর অবস্থা এমন হবে যে, রোযা রাখলে তার রোগ বৃদ্ধি পাবে অথবা সুস্থ হতে দেরি হবে। এমনকি রোযা রাখা তার জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এমন রোগীর জন্য রোযা ভেঙ্গে ফেলা উত্তম।
যদি কোন রোগীর সিয়াম পালনের কারণে রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে তার জন্য রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। কিমত্মু সুস্থ হওয়ার পর রোযা কাযা আদায় করে নেবে। আললাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَّرِيْضًا أَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ﴾
যদি তোমাদের মধ্যে কেউ রোযার মাসে অসুস্থ হয়ে পড়ে অথবা সফরে থাকে তাহলে পরে গুণে গুণে সেই দিনগুলো পূর্ণ করে নেবে। (সূরা বাকারা- ১৮৪)
৩. রোগীর এমন অবস্থা হবে যে, রোযা রাখলে তার প্রাণনাশের আশঙ্কা হতে পারে। এমতাবস্থায় তার জন্য রোযা রাখা হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَلَا تَقْتُلُوْاۤ أَنْفُسَكُمْ﴾
তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংস করো না। (সূরা নিসা- ২৯)
স্থায়ী কারণে রোযা রাখতে অক্ষম যেমন, অতি বৃদ্ধ এবং এমন রোগী যার রোগ ভালো হওয়ার আশা করা যায় না তাদেরকে রোযা রাখতে হবে না। কারণ সে এ কাজের সামর্থ্য রাখে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿لَا يُكَلِّفُ اللهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا﴾
আল্লাহ তা‘আলা কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপিয়ে দেন না।
(সূরা বাকারা- ২৯৬)
তবে এ ধরনের ব্যক্তির উপর রোযার ফিদইয়া প্রদান করা ওয়াজিব।
১. তার রোগটি এমন স্বাভাবিক হবে যে, রোযা রাখাতে তার কোন সমস্যা হবে না। এমন রোগীর জন্য রোযা ভঙ্গ করা জায়েয হবে না।
২. রোগীর অবস্থা এমন হবে যে, রোযা রাখলে তার রোগ বৃদ্ধি পাবে অথবা সুস্থ হতে দেরি হবে। এমনকি রোযা রাখা তার জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এমন রোগীর জন্য রোযা ভেঙ্গে ফেলা উত্তম।
যদি কোন রোগীর সিয়াম পালনের কারণে রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে তার জন্য রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। কিমত্মু সুস্থ হওয়ার পর রোযা কাযা আদায় করে নেবে। আললাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَّرِيْضًا أَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ﴾
যদি তোমাদের মধ্যে কেউ রোযার মাসে অসুস্থ হয়ে পড়ে অথবা সফরে থাকে তাহলে পরে গুণে গুণে সেই দিনগুলো পূর্ণ করে নেবে। (সূরা বাকারা- ১৮৪)
৩. রোগীর এমন অবস্থা হবে যে, রোযা রাখলে তার প্রাণনাশের আশঙ্কা হতে পারে। এমতাবস্থায় তার জন্য রোযা রাখা হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَلَا تَقْتُلُوْاۤ أَنْفُسَكُمْ﴾
তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংস করো না। (সূরা নিসা- ২৯)
স্থায়ী কারণে রোযা রাখতে অক্ষম যেমন, অতি বৃদ্ধ এবং এমন রোগী যার রোগ ভালো হওয়ার আশা করা যায় না তাদেরকে রোযা রাখতে হবে না। কারণ সে এ কাজের সামর্থ্য রাখে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿لَا يُكَلِّفُ اللهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا﴾
আল্লাহ তা‘আলা কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপিয়ে দেন না।
(সূরা বাকারা- ২৯৬)
তবে এ ধরনের ব্যক্তির উপর রোযার ফিদইয়া প্রদান করা ওয়াজিব।