১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৮
যাকাত উত্তোলনকারীর করণীয়
যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন করা যাবে না :
যাকাত আদায় করতে গিয়ে কোন উপহার গ্রহণ করা, জোর-যুলুম করে আদায় করা, খেয়ানত করা ইত্যাদি হারাম। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন উবাদা (রাঃ)-কে সাদাকা আদায় করার জন্য প্রেরণ করলেন, তখন বললেন, হে আবু অলীদ! তুমি আল্লাহকে ভয় করো। তুমি যেন কিয়ামতের দিন (নিজ ঘাড়ে) কোন ‘চিঁহি’ রববিশিষ্ট উট, অথবা ‘হাম্বা’ রববিশিষ্ট গাভী অথবা ‘মে-মে’ রববিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না হও। উবাদা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ব্যাপারটি কি সত্যই এরূপ? তিনি বললেন, হ্যাঁ- এরূপ। সেই সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্যের সাথে প্রেরণ করেছেন, আমি আপনার (বাইতুল মালের) কোন ব্যাপারে কখনো চাকুরী করব না। [সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৮০; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৯১৩; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৮৫৭।]
আবু হুমাইদ সায়েদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আযদ অঞ্চল এর ইবনে লুতবিয়া নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত আদায় করার কাজে কর্মচারী নিয়োগ করলেন। সে ব্যক্তি (আদায়কৃত মাল সহ) ফিরে এসে বলল, এটা আপনাদের (বায়তুল মালের), আর এটা আমাকে উপহারস্বরূপ দেয়া হয়েছে। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ ﷺ উঠে দন্ডায়মান হয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও সত্মুতি বর্ণনা করে বললেন, অতঃপর বলি যে, আল্লাহ আমাকে যে সকল কর্মের অধিকারী করেছেন তার মধ্য হতে কোন কর্মের জন্য তোমাদের কাউকে কর্মচারী নিয়োগ করলে সে ফিরে এসে বলে কি না, এটা আপনাদের। আর এটা উপহার স্বরূপ আমাকে দেয়া হয়েছে! যদি সে সত্যবাদী হয় তবে তার বাপ-মায়ের ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন, তাকে কোন উপহার দেয়া হচ্ছে কি না? আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোন জিনিস অন্যায়ভাবে গ্রহণ করবে সে কিয়ামতের দিন তা তার নিজ ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। অতএব আমি যেন অবশ্যই চিনতে না পারি যে, তোমাদের মধ্য হতে কেউ নিজ ঘাড়ে ‘চিঁহি’ রববিশিষ্ট উট, অথবা ‘হাম্বা’ রববিশিষ্ট গাভী অথবা ‘মে-মে’ রব বিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করেছ।
আবু হুমাইদ (রাঃ) বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর ডানহাত এতটুকু উঁচু করলেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল। তিনি বললেন, ‘‘হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌঁছে দিয়েছি।’’ বর্ণনাকারী বলেন, আমার চোখ তাঁকে এ কথা বলতে দেখেছে এবং আমার কান তা শুনেছে। [সহীহ বুখারী, হা/৬৯৭৯; সহীহ মুসলিম, হা/৪৮৪৫।]
যাকাত আদায় করতে গিয়ে কোন উপহার গ্রহণ করা, জোর-যুলুম করে আদায় করা, খেয়ানত করা ইত্যাদি হারাম। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন উবাদা (রাঃ)-কে সাদাকা আদায় করার জন্য প্রেরণ করলেন, তখন বললেন, হে আবু অলীদ! তুমি আল্লাহকে ভয় করো। তুমি যেন কিয়ামতের দিন (নিজ ঘাড়ে) কোন ‘চিঁহি’ রববিশিষ্ট উট, অথবা ‘হাম্বা’ রববিশিষ্ট গাভী অথবা ‘মে-মে’ রববিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না হও। উবাদা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ব্যাপারটি কি সত্যই এরূপ? তিনি বললেন, হ্যাঁ- এরূপ। সেই সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্যের সাথে প্রেরণ করেছেন, আমি আপনার (বাইতুল মালের) কোন ব্যাপারে কখনো চাকুরী করব না। [সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৮০; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৯১৩; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৮৫৭।]
আবু হুমাইদ সায়েদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আযদ অঞ্চল এর ইবনে লুতবিয়া নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত আদায় করার কাজে কর্মচারী নিয়োগ করলেন। সে ব্যক্তি (আদায়কৃত মাল সহ) ফিরে এসে বলল, এটা আপনাদের (বায়তুল মালের), আর এটা আমাকে উপহারস্বরূপ দেয়া হয়েছে। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ ﷺ উঠে দন্ডায়মান হয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও সত্মুতি বর্ণনা করে বললেন, অতঃপর বলি যে, আল্লাহ আমাকে যে সকল কর্মের অধিকারী করেছেন তার মধ্য হতে কোন কর্মের জন্য তোমাদের কাউকে কর্মচারী নিয়োগ করলে সে ফিরে এসে বলে কি না, এটা আপনাদের। আর এটা উপহার স্বরূপ আমাকে দেয়া হয়েছে! যদি সে সত্যবাদী হয় তবে তার বাপ-মায়ের ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন, তাকে কোন উপহার দেয়া হচ্ছে কি না? আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোন জিনিস অন্যায়ভাবে গ্রহণ করবে সে কিয়ামতের দিন তা তার নিজ ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। অতএব আমি যেন অবশ্যই চিনতে না পারি যে, তোমাদের মধ্য হতে কেউ নিজ ঘাড়ে ‘চিঁহি’ রববিশিষ্ট উট, অথবা ‘হাম্বা’ রববিশিষ্ট গাভী অথবা ‘মে-মে’ রব বিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করেছ।
আবু হুমাইদ (রাঃ) বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর ডানহাত এতটুকু উঁচু করলেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল। তিনি বললেন, ‘‘হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌঁছে দিয়েছি।’’ বর্ণনাকারী বলেন, আমার চোখ তাঁকে এ কথা বলতে দেখেছে এবং আমার কান তা শুনেছে। [সহীহ বুখারী, হা/৬৯৭৯; সহীহ মুসলিম, হা/৪৮৪৫।]