১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
রোযা না রাখার শাস্তি
যদি কেউ অলসতা করে রোযা না রাখে তাহলে সে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِىْ أُمَامَةَ الْبَاهِلِيُّ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ يَقُوْلُ : بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ إِذْ أَتَانِيْ رَجُلَانِ ، فَأَخَذَا بِضَبْعَيَّ ، فَأَتَيَا بِيْ جَبَلًا وَعْرًا ، فَقَالَا : اصْعَدْ ، فَقُلْتُ : إِنِّيْ لَا أُطِيْقُهٗ ، فَقَالَا : إِنَّا سَنُسَهِّلُهٗ لَكَ ، فَصَعِدْتُ حَتّٰى إِذَا كُنْتُ فِيْ سَوَاءِ الْجَبَلِ إِذَا بِأَصْوَاتٍ شَدِيْدَةٍ ، قُلْتُ : مَا هٰذِهِ الْأَصْوَاتُ ؟ قَالُوْا : هٰذَا عُوَاءُ أَهْلِ النَّارِ ، ثُمَّ انْطُلِقَ بِيْ ، فَإِذَا أَنَا بِقَوْمٍ مُعَلَّقِيْنَ بِعَرَاقِيْبِهِمْ ، مُشَقَّقَةٍ أَشْدَاقُهُمْ ، تَسِيْلُ أَشْدَاقُهُمْ دَمًا قَالَ : قُلْتُ : مَنْ هٰؤُلَاءِ ؟ قَالَ : هٰؤُلَاءِ الَّذِيْنَ يُفْطِرُوْنَ قَبْلَ تَحِلَّةِ صَوْمِهِمْ
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমি শুয়েছিলাম এমতাবস্থায় আমার নিকট দু’জন (ফেরেশতা) আসলেন। তারা আমার পার্শ্ব ধরে একটি পাহাড়ের নিকট নিয়ে গেলেন। তারা উভয়ে আমাকে বললেন, পাহাড়ে আরোহণ করুন। আমি বললাম, আমি এতে আরোহণ করতে পারব না। তারা বললেন, আমরা আপনার জন্য তা সহজ করে দেব। তখন আমি সেখানে আরোহণ করলাম, এমনকি আমি পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে গেলাম। সেখানে আমি কঠিন চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম এ আওয়াজ কিসের? তারা বললেন, এ হলো জাহান্নামীদের কান্নাকাটির আওয়াজ। অতঃপর তারা আমাকে নিয়ে সামনে চললেন, সেখানে আমি কিছু লোককে উল্টো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখলাম, যাদের মুখ ফাঁটা এবং তা থেকে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সব লোক, যারা রোযার দিন সময় হওয়ার আগেই ইফতার করে নিত। অর্থাৎ তারা যথা নিয়মে রোযা রাখত না। [সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯৮৬; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৭৪৯১; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৩২৭৩; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৫৬৮; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩২৯৩।]
আশা করি নাফরমান বেরোযাদার মুসলিম সম্প্রদায় এই আযাবের কথা জেনে আল্লাহর নিকট তওবা করবে এবং আল্লাহর সেই আযাবকে ভয় করে যথা নিয়মে রোযা পালন করবে।
عَنْ أَبِىْ أُمَامَةَ الْبَاهِلِيُّ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ يَقُوْلُ : بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ إِذْ أَتَانِيْ رَجُلَانِ ، فَأَخَذَا بِضَبْعَيَّ ، فَأَتَيَا بِيْ جَبَلًا وَعْرًا ، فَقَالَا : اصْعَدْ ، فَقُلْتُ : إِنِّيْ لَا أُطِيْقُهٗ ، فَقَالَا : إِنَّا سَنُسَهِّلُهٗ لَكَ ، فَصَعِدْتُ حَتّٰى إِذَا كُنْتُ فِيْ سَوَاءِ الْجَبَلِ إِذَا بِأَصْوَاتٍ شَدِيْدَةٍ ، قُلْتُ : مَا هٰذِهِ الْأَصْوَاتُ ؟ قَالُوْا : هٰذَا عُوَاءُ أَهْلِ النَّارِ ، ثُمَّ انْطُلِقَ بِيْ ، فَإِذَا أَنَا بِقَوْمٍ مُعَلَّقِيْنَ بِعَرَاقِيْبِهِمْ ، مُشَقَّقَةٍ أَشْدَاقُهُمْ ، تَسِيْلُ أَشْدَاقُهُمْ دَمًا قَالَ : قُلْتُ : مَنْ هٰؤُلَاءِ ؟ قَالَ : هٰؤُلَاءِ الَّذِيْنَ يُفْطِرُوْنَ قَبْلَ تَحِلَّةِ صَوْمِهِمْ
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমি শুয়েছিলাম এমতাবস্থায় আমার নিকট দু’জন (ফেরেশতা) আসলেন। তারা আমার পার্শ্ব ধরে একটি পাহাড়ের নিকট নিয়ে গেলেন। তারা উভয়ে আমাকে বললেন, পাহাড়ে আরোহণ করুন। আমি বললাম, আমি এতে আরোহণ করতে পারব না। তারা বললেন, আমরা আপনার জন্য তা সহজ করে দেব। তখন আমি সেখানে আরোহণ করলাম, এমনকি আমি পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে গেলাম। সেখানে আমি কঠিন চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম এ আওয়াজ কিসের? তারা বললেন, এ হলো জাহান্নামীদের কান্নাকাটির আওয়াজ। অতঃপর তারা আমাকে নিয়ে সামনে চললেন, সেখানে আমি কিছু লোককে উল্টো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখলাম, যাদের মুখ ফাঁটা এবং তা থেকে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সব লোক, যারা রোযার দিন সময় হওয়ার আগেই ইফতার করে নিত। অর্থাৎ তারা যথা নিয়মে রোযা রাখত না। [সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯৮৬; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৭৪৯১; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৩২৭৩; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৫৬৮; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩২৯৩।]
আশা করি নাফরমান বেরোযাদার মুসলিম সম্প্রদায় এই আযাবের কথা জেনে আল্লাহর নিকট তওবা করবে এবং আল্লাহর সেই আযাবকে ভয় করে যথা নিয়মে রোযা পালন করবে।