১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
মাসিক চলাকালে রোযার বিধান
হায়েয (মাসিক বা ঋতুস্রাব) ও নেফাসগ্রস্ত (সন্তান প্রসবোত্তর রক্ত প্রবাহিত হওয়া) মহিলারা হায়েয ও নেফাস চলাকালে রোযা রাখবে না। তারা পরে তাদের ছুটে যাওয়া রোযার কাযা আদায় করবে।
عَنْ مُعَاذَةَ قَالَتْ سَأَلْتُ عَائِشَةَ فَقُلْتُ مَا بَالُ الْحَائِضِ تَقْضِى الصَّوْمَ وَلَا تَقْضِى الصَّلَاةَ فَقَالَتْ أَحَرُوْرِيَّةٌ أَنْتِ قُلْتُ لَسْتُ بِحَرُوْرِيَّةٍ وَلٰكِنِّىْ أَسْأَلُ . قَالَتْ كَانَ يُصِيْبُنَا ذٰلِكَ فَنُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّوْمِ وَلَا نُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّلَاةِ
মুআযা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) কে প্রশ্ন করলাম, ঋতুবতী মহিলা সাওম কাযা করবে এবং সালাত কাযা করবে না এটা কেমন কথা? তিনি বললেন, তুমি কি হারূরিয়্যা? আমি বললাম, আমি হারূরিয়্যা নই; বরং আমি (জানার জন্যই) জিজ্ঞেস করছি। আয়েশা (রাঃ) বললেন, আমাদের এরূপ হতো। তখন আমাদেরকে কেবল সাওম কাযা করার নির্দেশ দেয়া হতো, কিমত্মু সালাত কাযা করার নির্দেশ দেয়া হতো না। [সহীহ মুসলিম, হা/৭৮৯; নাসাঈ, হা/২৩১৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫৯৯৩; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩২০; বায়হাকী, হা/৭৯০১; মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা/১২৭৭; মিশকাত, হা/২০৩২।]
عَنْ أَبِيْ سَعِيْدٍ ، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ فَذٰلِكَ نُقْصَانُ دِيْنِهَا
আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেন, তোমরা যখন হায়েযগ্রস্ত হও তখন সালাত আদায় কর না এবং রোযাও রাখ না- এটা ঠিক নয় কি? আর এটাই হচ্ছে দ্বীনের ব্যাপারে কমতি। [সহীহ বুখারী, হা/১৯৫১; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০৪৫; মিশকাত, হা/১৯।]
ঋতুবতী মহিলা যদি দিনের কোন এক সময়ে মাসিক থেকে পাক হয়ে যায়, তাহলে দিনের পরবর্তী অংশে সে খাওয়া-দাওয়া করতে পারবে এবং তার স্বামী যদি সফর থেকে আসে তবে মেলামেশাও করতে পারবে।
যদি ঋতুবতী মহিলার ফজরের পূর্বে মাসিক বন্ধ হয়, তাহলে পরের দিন তাকে রোযা রাখতে হবে, যদিও সে সুবহে সাদিকের পূর্বে গোসল না করতে পারে। এমতাবস্থায় সে পরে গোসল করে নেবে।
মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখা :
হায়েয মহিলাদের উপর আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত একটি বিষয়। নবী ﷺ এর সময় কোন মহিলা কৃত্রিম উপায়ে মাসিক বন্ধ করে পূর্ণ মাস রোযা রাখতেন না। সুতরাং এরূপ করাটা নিন্দনীয়। তবে যদি কোন মহিলা ঔষধ ব্যবহার করে মাসিক বন্ধ রাখে এবং পুরো মাস একসাথে রোযা রাখে তবে তার রোযা শুদ্ধ হবে এবং পবিত্র থাকাবস্থায় যেসব হুকুম তার উপর প্রযোজ্য হয়, এ অবস্থায় তার উপর তাই প্রযোজ্য হবে। [সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ, ২ খন্ড, পৃঃ ১১৫।]
عَنْ مُعَاذَةَ قَالَتْ سَأَلْتُ عَائِشَةَ فَقُلْتُ مَا بَالُ الْحَائِضِ تَقْضِى الصَّوْمَ وَلَا تَقْضِى الصَّلَاةَ فَقَالَتْ أَحَرُوْرِيَّةٌ أَنْتِ قُلْتُ لَسْتُ بِحَرُوْرِيَّةٍ وَلٰكِنِّىْ أَسْأَلُ . قَالَتْ كَانَ يُصِيْبُنَا ذٰلِكَ فَنُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّوْمِ وَلَا نُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّلَاةِ
মুআযা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) কে প্রশ্ন করলাম, ঋতুবতী মহিলা সাওম কাযা করবে এবং সালাত কাযা করবে না এটা কেমন কথা? তিনি বললেন, তুমি কি হারূরিয়্যা? আমি বললাম, আমি হারূরিয়্যা নই; বরং আমি (জানার জন্যই) জিজ্ঞেস করছি। আয়েশা (রাঃ) বললেন, আমাদের এরূপ হতো। তখন আমাদেরকে কেবল সাওম কাযা করার নির্দেশ দেয়া হতো, কিমত্মু সালাত কাযা করার নির্দেশ দেয়া হতো না। [সহীহ মুসলিম, হা/৭৮৯; নাসাঈ, হা/২৩১৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫৯৯৩; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩২০; বায়হাকী, হা/৭৯০১; মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা/১২৭৭; মিশকাত, হা/২০৩২।]
عَنْ أَبِيْ سَعِيْدٍ ، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ فَذٰلِكَ نُقْصَانُ دِيْنِهَا
আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেন, তোমরা যখন হায়েযগ্রস্ত হও তখন সালাত আদায় কর না এবং রোযাও রাখ না- এটা ঠিক নয় কি? আর এটাই হচ্ছে দ্বীনের ব্যাপারে কমতি। [সহীহ বুখারী, হা/১৯৫১; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০৪৫; মিশকাত, হা/১৯।]
ঋতুবতী মহিলা যদি দিনের কোন এক সময়ে মাসিক থেকে পাক হয়ে যায়, তাহলে দিনের পরবর্তী অংশে সে খাওয়া-দাওয়া করতে পারবে এবং তার স্বামী যদি সফর থেকে আসে তবে মেলামেশাও করতে পারবে।
যদি ঋতুবতী মহিলার ফজরের পূর্বে মাসিক বন্ধ হয়, তাহলে পরের দিন তাকে রোযা রাখতে হবে, যদিও সে সুবহে সাদিকের পূর্বে গোসল না করতে পারে। এমতাবস্থায় সে পরে গোসল করে নেবে।
মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখা :
হায়েয মহিলাদের উপর আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত একটি বিষয়। নবী ﷺ এর সময় কোন মহিলা কৃত্রিম উপায়ে মাসিক বন্ধ করে পূর্ণ মাস রোযা রাখতেন না। সুতরাং এরূপ করাটা নিন্দনীয়। তবে যদি কোন মহিলা ঔষধ ব্যবহার করে মাসিক বন্ধ রাখে এবং পুরো মাস একসাথে রোযা রাখে তবে তার রোযা শুদ্ধ হবে এবং পবিত্র থাকাবস্থায় যেসব হুকুম তার উপর প্রযোজ্য হয়, এ অবস্থায় তার উপর তাই প্রযোজ্য হবে। [সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ, ২ খন্ড, পৃঃ ১১৫।]