১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
১ম অধ্যায় কিতাবুস সিয়াম রমাযান মাসের নামকরণ
প্রতিটি বৎসরে বারটি মাস রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও জমিন সৃষ্টির শুরু থেকেই এ নিয়ম নির্ধারণ করেছেন। কুরআনুল কারীমে এসেছে,
﴿إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ﴾
যেদিন আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকেই আল্লাহর নিকট মাস সমূহের সংখ্যা বারটি। এটা আল্লাহর কিতাবে লিখিত।
(সূরা তওবা- ৩৬)
চন্দ্র বৎসরের হিসাব অনুযায়ী বারটি মাসের মধ্যে রমাযান মাসের নামটি অধিক পরিচিত। আর একমাত্র রমাযান মাসের নামটি কুরআন মাজীদে এসেছে। সূরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতে উল্লেখ আছে,
﴿شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيْۤ أُنْزِلَ فِيْهِ الْقُرْاٰنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدٰى وَالْفُرْقَانِ﴾
রমাযান তো সেই মাস যে মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে, যা মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক, হেদায়াতের স্পষ্ট নিদর্শন এবং ফুরকান (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী)।
আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রমাযান শব্দটি رَمَضٌ (রামায) ধাতু হতে এসেছে। এর অর্থ হচ্ছে,
هُوَ شِدَّةُ الْحَرِّ أَوْ شِدَّةُ وَقْعِ الشَّمْسِ
গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরম অথবা সূর্যের অত্যধিক উত্তাপ। [মুফরাদাতুল কুরআন ২০৩ পৃঃ।]
প্রাচীন ভাষায় এ মাসের নাম ছিল ‘নাতিক’। আরবরা পুরাতন নামগুলো পরিবর্তন করার সময় যে মাস যে ঋতুতে পড়েছিল, সে অনুযায়ী নতুনভাবে চন্দ্র মাসগুলোর নাম দিয়েছিল। পুরাতন ‘নাতিক’ গ্রীষ্মের মধ্যে পড়েছিল। তাই এর নাম দেয়া হয়েছে رَمَضَانَ (রমাযান)।
অপরদিকে رَمَضٌ (রামায) শব্দের আরেকটি অর্থ হচ্ছে, দগ্ধ হওয়া বা পুড়ে যাওয়া। যেহেতু রমাযান মাসে মানুষের পাপসমূহ জ্বলে-পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়, এ কারণেও এ মাসকে رَمَضَانَ (রমাযান) নামে নামকরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, মীম অক্ষর সাকিন করে ‘রম্যান’ উচ্চারণ না করে মীমের যবরসহ ‘রমাযান’ বলাই সঠিক। যেহেতু পবিত্র কুরআনে এভাবেই এসেছে।
﴿إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ﴾
যেদিন আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকেই আল্লাহর নিকট মাস সমূহের সংখ্যা বারটি। এটা আল্লাহর কিতাবে লিখিত।
(সূরা তওবা- ৩৬)
চন্দ্র বৎসরের হিসাব অনুযায়ী বারটি মাসের মধ্যে রমাযান মাসের নামটি অধিক পরিচিত। আর একমাত্র রমাযান মাসের নামটি কুরআন মাজীদে এসেছে। সূরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতে উল্লেখ আছে,
﴿شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيْۤ أُنْزِلَ فِيْهِ الْقُرْاٰنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدٰى وَالْفُرْقَانِ﴾
রমাযান তো সেই মাস যে মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে, যা মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক, হেদায়াতের স্পষ্ট নিদর্শন এবং ফুরকান (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী)।
আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রমাযান শব্দটি رَمَضٌ (রামায) ধাতু হতে এসেছে। এর অর্থ হচ্ছে,
هُوَ شِدَّةُ الْحَرِّ أَوْ شِدَّةُ وَقْعِ الشَّمْسِ
গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরম অথবা সূর্যের অত্যধিক উত্তাপ। [মুফরাদাতুল কুরআন ২০৩ পৃঃ।]
প্রাচীন ভাষায় এ মাসের নাম ছিল ‘নাতিক’। আরবরা পুরাতন নামগুলো পরিবর্তন করার সময় যে মাস যে ঋতুতে পড়েছিল, সে অনুযায়ী নতুনভাবে চন্দ্র মাসগুলোর নাম দিয়েছিল। পুরাতন ‘নাতিক’ গ্রীষ্মের মধ্যে পড়েছিল। তাই এর নাম দেয়া হয়েছে رَمَضَانَ (রমাযান)।
অপরদিকে رَمَضٌ (রামায) শব্দের আরেকটি অর্থ হচ্ছে, দগ্ধ হওয়া বা পুড়ে যাওয়া। যেহেতু রমাযান মাসে মানুষের পাপসমূহ জ্বলে-পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়, এ কারণেও এ মাসকে رَمَضَانَ (রমাযান) নামে নামকরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, মীম অক্ষর সাকিন করে ‘রম্যান’ উচ্চারণ না করে মীমের যবরসহ ‘রমাযান’ বলাই সঠিক। যেহেতু পবিত্র কুরআনে এভাবেই এসেছে।