১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
মাসের উপস্থিতি কীভাবে প্রমাণিত হবে
মাস প্রমাণিত হবে নতুন চাঁদ দেখা বা তার সংবাদ শোনার মাধ্যমে। তাফসীরে রুহুল মা’আনীতে আল্লামা আলুসী (রহ.) লিখেছেন যে,
فَمَنْ حَضَرَ فِي الشَّهْرِ وَلَمْ يَكُنْ مُسَافِرًا فَلْيَصُمْ فِيْهِ أَوْ مَنْ عَلِمَ هِلَالَ الشَّهْرِ وَتَيَقَّنَ بِهٖ فَلْيَصُمْ ،
যে এই মাসে উপস্থিত হলো এবং সে মুসাফির নয় তাহলে তাকে সাওম রাখতে হবে। অথবা যে ব্যক্তি পবিত্র রমাযান মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের সংবাদ পেল এবং সংবাদটি তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য হলো তার উপরেই সাওম রাখা ফরয। [তাফসীরে রুহুল মা’আনী সূরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতের তাফসীর দ্রষ্টব্যঃ।]
রোযা ওয়াজিব হওয়ার জন্য প্রত্যেক মুসলিমকে চাঁদ দেখা শর্ত নয়; কিছু সংখ্যক লোক চাঁদ দেখলে, বরং সঠিক মতে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত একজন ব্যক্তি দেখলেই তার দেখা মতে সকলের জন্য রোযা রাখা জরুরি হয়ে যাবে। হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ تَرَءَى النَّاسُ الْهِلَالَ فَأَخْبَرْتُ رَسُوْلَ اللهِ - - أَنِّىْ رَأَيْتُهٗ فَصَامَهٗ وَأَمَرَ النَّاسَ بِصِيَامِه
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক মানুষ (রমাযানের) নতুন চাঁদ দেখল। আমি রাসূল ﷺ কে সংবাদ দিলাম যে, আমিও উক্ত চাঁদ দেখেছি। ফলে রাসূল ﷺ নিজে সাওম রাখলেন এবং মানুষকেও সাওম রাখতে নির্দেশ দিলেন। [আবু দাউদ, হা/২৩৪৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৪৪৭; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৪৮১; বায়হাকী, হা/৭৭৬৭; মিশকাত, হা/১৯৭৯।]
চাঁদ দিয়ে যেই মাস হিসেব করা হয় তাকে বলা হয় চন্দ্রমাস। চন্দ্রমাস ২৯/৩০ দিনে হয়ে থাকে। তাই ৩৫৪ দিনে এক চন্দ্রবৎসর হয়। এজন্য রমাযান মাস ৩৩ বৎসরে সকল মৌসুমে একবার ঘুরে আসে।
পৃথিবীর কোথাও নতুন চাঁদ দেখা গেলে অথবা নতুন চাঁদ উদিত হওয়ার সংবাদ পেলে অথবা শা‘বান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়ে গেলে সিয়াম পালন আরম্ভ করবে। আবার যখন শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখবে অথবা নতুন চাঁদ উদিত হওয়ার সংবাদ পাবে অথবা রমাযান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়ে যাবে তখন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাকবে।
فَمَنْ حَضَرَ فِي الشَّهْرِ وَلَمْ يَكُنْ مُسَافِرًا فَلْيَصُمْ فِيْهِ أَوْ مَنْ عَلِمَ هِلَالَ الشَّهْرِ وَتَيَقَّنَ بِهٖ فَلْيَصُمْ ،
যে এই মাসে উপস্থিত হলো এবং সে মুসাফির নয় তাহলে তাকে সাওম রাখতে হবে। অথবা যে ব্যক্তি পবিত্র রমাযান মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের সংবাদ পেল এবং সংবাদটি তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য হলো তার উপরেই সাওম রাখা ফরয। [তাফসীরে রুহুল মা’আনী সূরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতের তাফসীর দ্রষ্টব্যঃ।]
রোযা ওয়াজিব হওয়ার জন্য প্রত্যেক মুসলিমকে চাঁদ দেখা শর্ত নয়; কিছু সংখ্যক লোক চাঁদ দেখলে, বরং সঠিক মতে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত একজন ব্যক্তি দেখলেই তার দেখা মতে সকলের জন্য রোযা রাখা জরুরি হয়ে যাবে। হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ تَرَءَى النَّاسُ الْهِلَالَ فَأَخْبَرْتُ رَسُوْلَ اللهِ - - أَنِّىْ رَأَيْتُهٗ فَصَامَهٗ وَأَمَرَ النَّاسَ بِصِيَامِه
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক মানুষ (রমাযানের) নতুন চাঁদ দেখল। আমি রাসূল ﷺ কে সংবাদ দিলাম যে, আমিও উক্ত চাঁদ দেখেছি। ফলে রাসূল ﷺ নিজে সাওম রাখলেন এবং মানুষকেও সাওম রাখতে নির্দেশ দিলেন। [আবু দাউদ, হা/২৩৪৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৪৪৭; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৪৮১; বায়হাকী, হা/৭৭৬৭; মিশকাত, হা/১৯৭৯।]
চাঁদ দিয়ে যেই মাস হিসেব করা হয় তাকে বলা হয় চন্দ্রমাস। চন্দ্রমাস ২৯/৩০ দিনে হয়ে থাকে। তাই ৩৫৪ দিনে এক চন্দ্রবৎসর হয়। এজন্য রমাযান মাস ৩৩ বৎসরে সকল মৌসুমে একবার ঘুরে আসে।
পৃথিবীর কোথাও নতুন চাঁদ দেখা গেলে অথবা নতুন চাঁদ উদিত হওয়ার সংবাদ পেলে অথবা শা‘বান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়ে গেলে সিয়াম পালন আরম্ভ করবে। আবার যখন শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখবে অথবা নতুন চাঁদ উদিত হওয়ার সংবাদ পাবে অথবা রমাযান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়ে যাবে তখন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাকবে।