hadith book logo

সিয়াম ও যাকাত

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩০

রমাযানের কাযা রোযা আদায়ের নিয়ম

যদি কারো জিম্মায় রমাযানের কাযা রোযা থেকে যায়, তাহলে কোন ওজর না থাকলে রমাযানের কাযা রোযা তাড়াতাড়ি আদায় করে নেয়াই উত্তম। কারণ মানুষের হায়াত কখন শেষ হয়ে যায় তা কেউ বলতে পারে না। আল্লাহ তা‘আলা নেক বান্দাদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন,

﴿أُولٰٓئِكَ يُسَارِعُوْنَ فِي الْخَيْرَاتِ وَهُمْ لَهَا سَابِقُوْنَ﴾

তারাই কল্যাণকর কাজসমূহ দ্রুত সম্পাদন করে থাকে এবং তারা তাতে অগ্রগামী হয়। (সূরা মুমিনূন- ৬১)

তবে যদি কোন ওজর থাকে তাহলে সুবিধা অনুযায়ী দেরি করে আদায় করা যাবে। এমনকি যদি দ্বিতীয় রমাযান চলে আসে, তবে দ্বিতীয় রমাযানের ফরয রোযা যথা নিয়মে আদায় করার পর পূর্বের কাযা রোযা আদায় করবে।

عَنْ عَائِشَةَ ، ، تَقُوْلُ كَانَ يَكُوْنُ عَلَيَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيْعُ أَنْ أَقْضِيَ إِلَّا فِيْ شَعْبَانَ

আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার উপর রমাযানের কাযা রোযা থাকত, কিন্তু শা‘বান মাস আসার আগে আমি তা আদায় করতে সক্ষম হতাম না। [সহীহ বুখারী, হা/১৯৫০; সহীহ মুসলিম, হা/২৭৪৩; তিরমিযী, হা/৭৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪৯৭২; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০৪৯; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/৯৮১৯; মিশকাত, হা/২০৩০।]

রমাযানের কাযা রোযা আদায় করতে ধারাবাহিকতা শর্ত নয়। বান্দার সুবিধা অনুযায়ী একসাথেও রাখতে পারে আবার মধ্যখানে বিরতি দিয়েও রাখতে পারে।