১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৬
যবানের রোযা
মুমিনের যবানও রোযা রাখবে। অর্থাৎ প্রত্যেক নোংরা কথা, পরচর্চা বা গীবত, চুগলখোরী, গান-বাজনা, অশ্লীল ও মিথ্যা কথা থেকে সে বিরত থাকবে। যবানকে হেফাযত করার গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে মহানবী ﷺ বলেন :
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ
যে আল্লাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা নিরবতা পালন করে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬৬০; সহীহ বুখারী, হা/৬১৩৬; সহীহ মুসলিম, হা/১৮২; আবু দাউদ, হা/৫১৫৬; তিরমিযী, হা/২৫০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/৬৬২১; মিশকাত, হা/৪২৪৩।]
অন্য হাদীসে বলেন,
مَنْ يَّضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لِحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ
যে ব্যক্তি আমার জন্য তার যবান ও লজ্জাস্থানের হেফাযত করার জামিন হবে, আমি (মুহাম্মাদ) তার জন্য জান্নাতের জামিন হব। [সহীহ বুখারী, হা/৬৪৭৪; বায়হাকী, হা/১৬৪৪৮; শারহুস সুন্নাহ, হা/৪১২২; জামেউস সগীর, হা/১১৫৬৩; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৮৫৬; মিশকাত, হা/৪৮১২।]
অপর হাদীসে বলেন,
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّوْرِ وَالْعَمَلَ بِه وَالْجَهْلَ فَلَيْسَ لِلّٰهِ حَاجَةٌ أَنْ يَدَعَ طَعَامَهٗ وَشَرَابَهٗ
যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ছাড়তে পারল না, তার শুধু খানা-পিনা পরিত্যাগ করাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৫৭; আবু দাউদ, হা/২৩৬৪; তিরমিযী, হা/৭০৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৬৮৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৮৩৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯৯৫; মুসনাদুল বাযযার, হা/৮৪২৮; বায়হাকী, হা/৮০৯৫; জামেউস সগীর, হা/১১৪৮৫; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৭৪৬; মিশকাত, হা/১৯৯৯।]
এ হাদীসে খুব কঠিন ভাষায় এ কথাই বুঝানো হয়েছে যে, রোযাদার ব্যক্তি কখনো মিথ্যা বলতে পারে না। সে একদিকে রোযা রাখবে অপরদিকে মিথ্যা কথা ও অশ্লীল কার্যকলাপ করবে- এটা তার পক্ষে শোভা পায় না; বরং তার আল্লাহকে ভয় করা উচিত এবং এসব পাপকাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ
যে আল্লাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা নিরবতা পালন করে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬৬০; সহীহ বুখারী, হা/৬১৩৬; সহীহ মুসলিম, হা/১৮২; আবু দাউদ, হা/৫১৫৬; তিরমিযী, হা/২৫০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/৬৬২১; মিশকাত, হা/৪২৪৩।]
অন্য হাদীসে বলেন,
مَنْ يَّضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لِحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ
যে ব্যক্তি আমার জন্য তার যবান ও লজ্জাস্থানের হেফাযত করার জামিন হবে, আমি (মুহাম্মাদ) তার জন্য জান্নাতের জামিন হব। [সহীহ বুখারী, হা/৬৪৭৪; বায়হাকী, হা/১৬৪৪৮; শারহুস সুন্নাহ, হা/৪১২২; জামেউস সগীর, হা/১১৫৬৩; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৮৫৬; মিশকাত, হা/৪৮১২।]
অপর হাদীসে বলেন,
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّوْرِ وَالْعَمَلَ بِه وَالْجَهْلَ فَلَيْسَ لِلّٰهِ حَاجَةٌ أَنْ يَدَعَ طَعَامَهٗ وَشَرَابَهٗ
যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ছাড়তে পারল না, তার শুধু খানা-পিনা পরিত্যাগ করাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৫৭; আবু দাউদ, হা/২৩৬৪; তিরমিযী, হা/৭০৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৬৮৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৮৩৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯৯৫; মুসনাদুল বাযযার, হা/৮৪২৮; বায়হাকী, হা/৮০৯৫; জামেউস সগীর, হা/১১৪৮৫; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৭৪৬; মিশকাত, হা/১৯৯৯।]
এ হাদীসে খুব কঠিন ভাষায় এ কথাই বুঝানো হয়েছে যে, রোযাদার ব্যক্তি কখনো মিথ্যা বলতে পারে না। সে একদিকে রোযা রাখবে অপরদিকে মিথ্যা কথা ও অশ্লীল কার্যকলাপ করবে- এটা তার পক্ষে শোভা পায় না; বরং তার আল্লাহকে ভয় করা উচিত এবং এসব পাপকাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।