১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
ফিতরা কখন আদায় করবে
হাদীসের ভিত্তিতে যাকাতুল ফিতর প্রদানের দুটি সময় পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে ফযীলতপূর্ণ সময়, আর অপরটি হচ্ছে সাধারণ সময়।
প্রথমত : ফযীলতপূর্ণ সময় :
ঈদের দিন সকালে ঈদের সালাতের পূর্বে আদায় করা। হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ فَرَضَ رَسُوْلُ اللهِ - - زَكَاةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِيْنِ مَنْ أَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلَاةِ فَهِىَ زَكَاةٌ مَقْبُوْلَةٌ وَمَنْ أَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلَاةِ فَهِىَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ
ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সাদাকাতুল ফিতরকে ফরয করেছেন রোযাদারকে (রোযা অবস্থায়) অনর্থক কথা এবং অন্যায় কাজের গোনাহ থেকে পবিত্র করার জন্য এবং মিসকীনদের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য। যে ব্যক্তি ঈদের সালাতের পূর্বে আদায় করলো সেটা হবে গ্রহণীয় যাকাত, আর যে ব্যক্তি সালাতের পরে আদায় করবে সেটা অন্যান্য সাদাকার মতো সাধারণ সাদাকা হিসেবে গণ্য হবে। [আবু দাউদ, হা/১৬১১; ইবনে মাজাহ, হা/১৮২৭; সুনানে দার কুতনী, হা/২০৬৭; জামেউস সগীর, হা/৫৮৮৩।]
সুতরাং বিনা কারণে সালাতের পর বিলম্ব করলে তা ‘সাদাকাতুল ফিতর’ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ তা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশের পরিপন্থী। এজন্য ঈদুল ফিতরের সালাত একটু বিলম্ব করে আদায় করা উচিত যাতে মানুষ সালাতের পূর্বেই সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারে।
দ্বিতীয়ত : সাধারণ সময় :
ঈদের এক দু’দিন পূর্বে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা জায়েয। হাদীসে এসেছে,
فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُعْطِيْ ، عَنِ الصَّغِيْرِ وَالْكَبِيْرِ حَتّٰي اِنْ كَانَ يُعْطِيْ عَنْ بَنِيَّ ، وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يُعْطِيْهَا الَّذِيْنَ يَقْبَلُوْنَهَا وَكَانُوْا يُعْطُوْنَ قَبْلَ الْفِطْرِ بِيَوْمٍ ، أَوْ يَوْمَيْنِ
ইবনে উমর (রাঃ) নিজের এবং ছোট-বড় সমত্মানদের পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতেন। তিনি যাকাতের হকদারদেরকে ঈদের একদিন বা দু’দিন পূর্বে সাদাকাতুল ফিতর পৌঁছে দিতেন। [সহীহ বুখারী, হা/১৫১১; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২৩৯৭।]
সাদাকাতুল ফিতর ঈদের সালাতের পূর্বেই আদায় করতে হবে। বিনা কারণে ঈদের সালাতের পর আদায় করা জায়েয নেই। তবে যদি কোন বিশেষ কারণবশত বিলম্ব করে, তাহলে কোন অসুবিধা নেই। যেমন- সে এমন স্থানে আছে যে, তার নিকট আদায় করার মতো কোন বসত্মু নেই বা এমন কোন ব্যক্তিও নেই, যে এর হকদার হবে।
প্রথমত : ফযীলতপূর্ণ সময় :
ঈদের দিন সকালে ঈদের সালাতের পূর্বে আদায় করা। হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ فَرَضَ رَسُوْلُ اللهِ - - زَكَاةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِيْنِ مَنْ أَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلَاةِ فَهِىَ زَكَاةٌ مَقْبُوْلَةٌ وَمَنْ أَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلَاةِ فَهِىَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ
ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সাদাকাতুল ফিতরকে ফরয করেছেন রোযাদারকে (রোযা অবস্থায়) অনর্থক কথা এবং অন্যায় কাজের গোনাহ থেকে পবিত্র করার জন্য এবং মিসকীনদের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য। যে ব্যক্তি ঈদের সালাতের পূর্বে আদায় করলো সেটা হবে গ্রহণীয় যাকাত, আর যে ব্যক্তি সালাতের পরে আদায় করবে সেটা অন্যান্য সাদাকার মতো সাধারণ সাদাকা হিসেবে গণ্য হবে। [আবু দাউদ, হা/১৬১১; ইবনে মাজাহ, হা/১৮২৭; সুনানে দার কুতনী, হা/২০৬৭; জামেউস সগীর, হা/৫৮৮৩।]
সুতরাং বিনা কারণে সালাতের পর বিলম্ব করলে তা ‘সাদাকাতুল ফিতর’ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ তা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশের পরিপন্থী। এজন্য ঈদুল ফিতরের সালাত একটু বিলম্ব করে আদায় করা উচিত যাতে মানুষ সালাতের পূর্বেই সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারে।
দ্বিতীয়ত : সাধারণ সময় :
ঈদের এক দু’দিন পূর্বে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা জায়েয। হাদীসে এসেছে,
فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُعْطِيْ ، عَنِ الصَّغِيْرِ وَالْكَبِيْرِ حَتّٰي اِنْ كَانَ يُعْطِيْ عَنْ بَنِيَّ ، وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يُعْطِيْهَا الَّذِيْنَ يَقْبَلُوْنَهَا وَكَانُوْا يُعْطُوْنَ قَبْلَ الْفِطْرِ بِيَوْمٍ ، أَوْ يَوْمَيْنِ
ইবনে উমর (রাঃ) নিজের এবং ছোট-বড় সমত্মানদের পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতেন। তিনি যাকাতের হকদারদেরকে ঈদের একদিন বা দু’দিন পূর্বে সাদাকাতুল ফিতর পৌঁছে দিতেন। [সহীহ বুখারী, হা/১৫১১; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২৩৯৭।]
সাদাকাতুল ফিতর ঈদের সালাতের পূর্বেই আদায় করতে হবে। বিনা কারণে ঈদের সালাতের পর আদায় করা জায়েয নেই। তবে যদি কোন বিশেষ কারণবশত বিলম্ব করে, তাহলে কোন অসুবিধা নেই। যেমন- সে এমন স্থানে আছে যে, তার নিকট আদায় করার মতো কোন বসত্মু নেই বা এমন কোন ব্যক্তিও নেই, যে এর হকদার হবে।