১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
কিয়ামুল লাইল তথা রাতের সালাত আদায় করা
قِيَامُ اللَّيْلِ (কিয়ামুল লাইল) শব্দের অর্থ রাতের সালাত। অর্থাৎ এশার সালাতের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত যেসব নফল সালাত আদায় করা হয় তাকে قِيَامُ اللَّيْلِ (কিয়ামুল লাইল) বলা হয়। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ يَبِيْتُوْنَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَّقِيَامًا﴾
আর যারা তাদের প্রভুর সমুতষ্টির লক্ষ্যে সিজদাবনত ও দন্ডায়মান অবস্থায় রাত্রি যাপন করে। (সূরা ফুরকান- ৬৪)
রমাযান মাসে কিয়ামুল লাইলকে ফকীহগণের পরিভাষায় সালাতুত তারাবীহ বা তারাবীর সালাত বলা হয়।
তারাবীহ শব্দের অর্থ হচ্ছে, বিশ্রাম লওয়া, আরাম করা ইত্যাদি। যেহেতু এ সালাতে প্রতি চার রাক‘আত পর পর বিশ্রাম করতে হয় সে কারণে এ সালাতকে তারাবীর সালাত বলা হয়।
কিয়ামুল লাইল এর গুরুত্ব ও ফযীলত :
রমাযান মাসে কিয়ামুল লাইল আদায় করার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। কেননা এর মধ্যে অনেক সওয়াব নিহিত রয়েছে। এ সালাতের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা বান্দার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ قَالَ : مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيْمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমাযান মাসে কিয়ামুল লাইল করবে তার পেছনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/২৪৯; সহীহ বুখারী, হা/২০০৯; সহীহ মুসলিম, হা/১৮৭৫; আবু দাউদ, হা/১৩৭৩; তিরমিযী, হা/৮০৮।]
﴿وَالَّذِيْنَ يَبِيْتُوْنَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَّقِيَامًا﴾
আর যারা তাদের প্রভুর সমুতষ্টির লক্ষ্যে সিজদাবনত ও দন্ডায়মান অবস্থায় রাত্রি যাপন করে। (সূরা ফুরকান- ৬৪)
রমাযান মাসে কিয়ামুল লাইলকে ফকীহগণের পরিভাষায় সালাতুত তারাবীহ বা তারাবীর সালাত বলা হয়।
তারাবীহ শব্দের অর্থ হচ্ছে, বিশ্রাম লওয়া, আরাম করা ইত্যাদি। যেহেতু এ সালাতে প্রতি চার রাক‘আত পর পর বিশ্রাম করতে হয় সে কারণে এ সালাতকে তারাবীর সালাত বলা হয়।
কিয়ামুল লাইল এর গুরুত্ব ও ফযীলত :
রমাযান মাসে কিয়ামুল লাইল আদায় করার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। কেননা এর মধ্যে অনেক সওয়াব নিহিত রয়েছে। এ সালাতের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা বান্দার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ قَالَ : مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيْمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমাযান মাসে কিয়ামুল লাইল করবে তার পেছনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/২৪৯; সহীহ বুখারী, হা/২০০৯; সহীহ মুসলিম, হা/১৮৭৫; আবু দাউদ, হা/১৩৭৩; তিরমিযী, হা/৮০৮।]