১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
ঈদের দিন আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নেয়া
আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ ও তাদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সকল প্রকার মনোমালিন্য দূর করার জন্য ঈদ একটা বিরাট সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দেয়। এসময় তাদের খোঁজ-খবর নেয়া উচিত। কেননা হিংসা-বিদ্বেষ ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে খারাপ সম্পর্ক এমন একটা বিষয়, যা আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে দেয়। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ - قَالَ تُفْتَحُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْاِثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيْسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ لَا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا إِلَّا رَجُلًا كَانَتْ بَيْنَه وَبَيْنَ أَخِيْهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ أَنْظِرُوْا هٰذَيْنِ حَتّٰى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوْا هٰذَيْنِ حَتّٰى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوْا هٰذَيْنِ حَتّٰى يَصْطَلِحَا
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। যে আল্লাহর সাথে শিরক করে তাকে ব্যতীত সে দিন সকল বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। কিমত্মু ঐ দু’ভাইকে ক্ষমা করা হয় না, যাদের মাঝে হিংসা ও দ্বন্দ্ব রয়েছে- যতক্ষণ না নিজেদের বিবাদ মিটিয়ে নেয়। বলা হয়ে থাকে, এ দু’জনকে অবকাশ দাও, যেন তারা নিজেদের দ্বন্দ্ব বিবাদ মিটিয়ে মিলে মিশে যায়। এ দু’জনকে অবকাশ দাও, যেন তারা নিজেদের দ্বন্দ্ব বিবাদ মিটিয়ে মিলে মিশে যায়। এ দু’জনকে অবকাশ দাও, যেন তারা নিজেদের দ্বন্দ্ব বিবাদ মিটিয়ে মিলে মিশে যায়। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬১৮; সহীহ মুসলিম, হা/৬৭০৯; আবু দাউদ, হা/৪৯১৮; তিরমিযী, হা/২০২৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১০০০৭; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৬৬২৩; আদাবুল মুফরাদ, হা/৪১১; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৫২৩; জামেউস সগীর, হা/৫২৮১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৭৬৬; মিশকাত, হা/৫০২৯।]
এ হাদীস দ্বারা অনুধাবন করা যায় যে, নিজেদের মাঝে হিংসা, বিবাদ অথবা দ্বন্দ্ব রাখা এমন অপরাধ, যার কারণে ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। সদাচরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনের মাঝে সবচেয়ে বেশি হকদার হলো মাতা-পিতা। তারপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন।
অতএব প্রতিটি ঈদের সময় প্রথমে মাতা-পিতা, তারপর ভাই-বোন, খালা-ফুফু, চাচা-মামা ইত্যাদি বিশেষ বিশেষ আত্মীয়দের খোঁজ-খবর নেয়া উচিত। প্রয়োজনে তাদের সাথে সারাসরি দেখা করার উদ্দেশ্যে তাদের মেহমান হওয়া অথবা তাদেরকে নিজ বাড়িতে নিমন্ত্রণ করা আরো উত্তম।
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ - قَالَ تُفْتَحُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْاِثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيْسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ لَا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا إِلَّا رَجُلًا كَانَتْ بَيْنَه وَبَيْنَ أَخِيْهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ أَنْظِرُوْا هٰذَيْنِ حَتّٰى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوْا هٰذَيْنِ حَتّٰى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوْا هٰذَيْنِ حَتّٰى يَصْطَلِحَا
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। যে আল্লাহর সাথে শিরক করে তাকে ব্যতীত সে দিন সকল বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। কিমত্মু ঐ দু’ভাইকে ক্ষমা করা হয় না, যাদের মাঝে হিংসা ও দ্বন্দ্ব রয়েছে- যতক্ষণ না নিজেদের বিবাদ মিটিয়ে নেয়। বলা হয়ে থাকে, এ দু’জনকে অবকাশ দাও, যেন তারা নিজেদের দ্বন্দ্ব বিবাদ মিটিয়ে মিলে মিশে যায়। এ দু’জনকে অবকাশ দাও, যেন তারা নিজেদের দ্বন্দ্ব বিবাদ মিটিয়ে মিলে মিশে যায়। এ দু’জনকে অবকাশ দাও, যেন তারা নিজেদের দ্বন্দ্ব বিবাদ মিটিয়ে মিলে মিশে যায়। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬১৮; সহীহ মুসলিম, হা/৬৭০৯; আবু দাউদ, হা/৪৯১৮; তিরমিযী, হা/২০২৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১০০০৭; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৬৬২৩; আদাবুল মুফরাদ, হা/৪১১; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৫২৩; জামেউস সগীর, হা/৫২৮১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৭৬৬; মিশকাত, হা/৫০২৯।]
এ হাদীস দ্বারা অনুধাবন করা যায় যে, নিজেদের মাঝে হিংসা, বিবাদ অথবা দ্বন্দ্ব রাখা এমন অপরাধ, যার কারণে ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। সদাচরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনের মাঝে সবচেয়ে বেশি হকদার হলো মাতা-পিতা। তারপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন।
অতএব প্রতিটি ঈদের সময় প্রথমে মাতা-পিতা, তারপর ভাই-বোন, খালা-ফুফু, চাচা-মামা ইত্যাদি বিশেষ বিশেষ আত্মীয়দের খোঁজ-খবর নেয়া উচিত। প্রয়োজনে তাদের সাথে সারাসরি দেখা করার উদ্দেশ্যে তাদের মেহমান হওয়া অথবা তাদেরকে নিজ বাড়িতে নিমন্ত্রণ করা আরো উত্তম।