১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯১
যেসব সম্পদের উপর যাকাত আদায় করা ফরয
যেসব সম্পদের উপর যাকাত আদায় করা ফরয হয়- সেগুলা মূলত ৫ প্রকার। যথা -
১. স্বর্ণ ও রৌপ্য :
স্বর্ণ ও রৌপ্য হচ্ছে অনেক মূল্যবান খনিজ পদার্থ। আল্লাহ তা‘আলা এগুলোর উপর পৃথকভাবে যাকাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং যার নিকট নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ অথবা রৌপ্য পূর্ণ এক বছর পর্যমত্ম বিদ্যমান থাকবে, তাকে অবশ্যই যাকাত দিতে হবে।
২. ব্যবসায়িক পণ্য :
ব্যবসার উদ্দেশ্যে যেসব পণ্য উৎপাদন ও ক্রয়-বিক্রয় করা হয়, সেগুলোকেই ব্যবসায়িক পণ্য বলা হয়। আল্লাহ তা‘আলা এসব পণ্যের ক্ষেত্রেও যাকাত নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং প্রতি বৎসরের নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবসায়িক পণ্যগুলো হিসাব করে তার উপর নির্ধারিত হারে যাকাত প্রদান করা আবশ্যক।
৩. গৃহপালিত পশু :
রাসূলুল্লাহ ﷺ যেসব গৃহপালিত পশুর উপর যাকাত ফরয করেছেন সেগুলো হলো- উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা। সুতরাং যার নিকট এসব সম্পদ নিসাব পরিমাণ পূর্ণ এক বছর পর্যমত্ম বিদ্যমান থাকবে, তাকে অবশ্যই যাকাত প্রদান করতে হবে।
৪. ভূমি থেকে উৎপন্ন ফসল :
যেসব ফসল ভূমি থেকে উৎপন্ন হয়, সেসব ফসল থেকেও যাকাত প্রদান করা আবশ্যক। যেমন- গম, যব, খেজুর, কিসমিস, ধান ইত্যাদি।
৫. খনিজ সম্পদ ও মাটির নিচে সঞ্চিত সম্পদ বা গুপ্তধন :
মাটির নিচে সাধারণত দুই ধরনের সম্পদ পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে- খনিজ সম্পদ, যা আল্লাহ তা‘আলা মানুষের জন্য সৃষ্টি করে মাটির নিচে রেখেছেন। যেমন- স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, ইউরেনিয়াম, কয়লা, গ্যাস ইত্যাদি। আর আরেকটি হচ্ছে, পূর্ববর্তী যুগের মানুষ কর্তৃক লুকিয়ে রাখা সম্পদ। যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী যে কারো নিকট হসত্মগত করার ব্যবস্থা করে দেন। আল্লাহ তা‘আলা উভয় প্রকার সম্পদের উপর যাকাত আদায় করা আবশ্যক করে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এ ধরনের কোন সম্পদ প্রাপ্ত হবে, তার উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ যাকাত প্রদান করা আবশ্যক হয়ে যাবে।
১. স্বর্ণ ও রৌপ্য :
স্বর্ণ ও রৌপ্য হচ্ছে অনেক মূল্যবান খনিজ পদার্থ। আল্লাহ তা‘আলা এগুলোর উপর পৃথকভাবে যাকাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং যার নিকট নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ অথবা রৌপ্য পূর্ণ এক বছর পর্যমত্ম বিদ্যমান থাকবে, তাকে অবশ্যই যাকাত দিতে হবে।
২. ব্যবসায়িক পণ্য :
ব্যবসার উদ্দেশ্যে যেসব পণ্য উৎপাদন ও ক্রয়-বিক্রয় করা হয়, সেগুলোকেই ব্যবসায়িক পণ্য বলা হয়। আল্লাহ তা‘আলা এসব পণ্যের ক্ষেত্রেও যাকাত নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং প্রতি বৎসরের নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবসায়িক পণ্যগুলো হিসাব করে তার উপর নির্ধারিত হারে যাকাত প্রদান করা আবশ্যক।
৩. গৃহপালিত পশু :
রাসূলুল্লাহ ﷺ যেসব গৃহপালিত পশুর উপর যাকাত ফরয করেছেন সেগুলো হলো- উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা। সুতরাং যার নিকট এসব সম্পদ নিসাব পরিমাণ পূর্ণ এক বছর পর্যমত্ম বিদ্যমান থাকবে, তাকে অবশ্যই যাকাত প্রদান করতে হবে।
৪. ভূমি থেকে উৎপন্ন ফসল :
যেসব ফসল ভূমি থেকে উৎপন্ন হয়, সেসব ফসল থেকেও যাকাত প্রদান করা আবশ্যক। যেমন- গম, যব, খেজুর, কিসমিস, ধান ইত্যাদি।
৫. খনিজ সম্পদ ও মাটির নিচে সঞ্চিত সম্পদ বা গুপ্তধন :
মাটির নিচে সাধারণত দুই ধরনের সম্পদ পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে- খনিজ সম্পদ, যা আল্লাহ তা‘আলা মানুষের জন্য সৃষ্টি করে মাটির নিচে রেখেছেন। যেমন- স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, ইউরেনিয়াম, কয়লা, গ্যাস ইত্যাদি। আর আরেকটি হচ্ছে, পূর্ববর্তী যুগের মানুষ কর্তৃক লুকিয়ে রাখা সম্পদ। যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী যে কারো নিকট হসত্মগত করার ব্যবস্থা করে দেন। আল্লাহ তা‘আলা উভয় প্রকার সম্পদের উপর যাকাত আদায় করা আবশ্যক করে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এ ধরনের কোন সম্পদ প্রাপ্ত হবে, তার উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ যাকাত প্রদান করা আবশ্যক হয়ে যাবে।