hadith book logo

সিয়াম ও যাকাত

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪১

রমাযান মাসে উমরা করা

কাবা হলো ইবাদাতের উদ্দেশ্যে নির্মিত পৃথিবীর সর্বপ্রথম গৃহ। এর মধ্যে রয়েছে আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শন। হজ্জ ও উমরার মাধ্যমে এসব নিদর্শন দেখা যায়। উমরার অগণিত ফযীলত রয়েছে। হাদীসে এসেছে,

عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ قَالَ اَلْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا وَالْحَجُّ الْمَبْرُوْرُ لَيْسَ لَهٗ جَزَاءٌ إِلَّا الْجَنَّةُ

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, একবার উমরা করার পর আবার উমরা করলে তা দুই উমরার মধ্যবর্তী গোনাহসমূহের কাফ্ফারা হয়ে যায়। আর হজ্জে মাবরুরের বিনিময় হচ্ছে জান্নাত। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৭৬৭; সহীহ বুখারী, হা/১৭৭৩; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৫৫; তিরমিযী, হা/৯৩৩; নাসাঈ, হা/২৬২৯; ইবনে মাজাহ, হা/২৮৮৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৯৪৯; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৬৯৬; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৯৪; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৮৪৩।]

রমাযান মাসে উমরা করার ফযীলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,

فَإِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فَاعْتَمِرِىْ فَإِنَّ عُمْرَةً فِيْهِ تَعْدِلُ حَجَّةً

যখন রমাযান মাস আসবে তখন উমরা করো। কেননা এ মাসে উমরা করার সওয়াব একটি হজ্জের সমান। [সহীহ মুসলিম, হা/৩০৯৭; তিরমিযী, হা/৯৩৯; নাসাঈ, হা/২১১০; ইবনে মাজাহ, হা/২৯৯১-৯৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/২০২৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৭০০; মিশকাত, হা/২৫০৯।]

অন্য বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

فَإِنَّ عُمْرَةً فِيْ رَمَضَانَ تَقْضِيْ حَجَّةً مَعِيْ

রমাযান মাসে উমরা করা আমার সাথে হজ্জ করার সমান। [সহীহ বুখারী, হা/১৮৬৩; সহীহ মুসলিম, হা/৩০৯৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৩০৭৭; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৭৭৯; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১১১৮।]

নবী ﷺ এর ইন্তেকালের পরেও তাঁর সাথে হজ্জ করার সমান সওয়াব পাওয়া যায় এমন সুযোগ কে হারায়? এজন্য আল্লাহ তা‘আলা যাদেরকে সামর্থ্য দিয়েছেন তাদের রমাযান মাসে উমরা করা উচিত।