১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৯
পশুর যাকাত
কিছু পশু আছে, মানুষ তাদেরকে বিভিন্নভাবে কাজে ব্যবহার করে থাকে। এসব পশুকে اَلْاَنْعَام (আন‘আম) বা ‘চতুষ্পদ জমত্মু’ বলে। ঐসব প্রাণীর যাকাত দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
- مَا مِنْ رَجُلٍ تَكُوْنُ لَه اِبِلٌ ، أَوْ بَقَرٌ ، أَوْ غَنَمٌ لَا يُؤَدِّيْ حَقَّهَا اِلَّا اُتِيَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مَا تَكُوْنُ وَأَسْمَنَه تَطَؤُه بِأَخْفَافِهَا وَتَنْطَحُه بِقُرُوْنِهَا كُلَّمَا جَازَتْ أُخْرَاهَا رُدَّتْ عَلَيْهِ أُولَاهَا حَتّٰى يُقْضٰى بَيْنَ النَّاسِ
প্রত্যেক উট, গরু ও ছাগলের অধিকারী ব্যক্তি যে তার যাকাত আদায় করবে না, নিশ্চয় কিয়ামতের দিন তাদেরকে আনা হবে বিরাট আকারে ও অতি মোটাতাজা অবস্থায়। তারা দলে দলে তাকে তাদের ক্ষুর দ্বারা মাড়াতে থাকবে এবং মারতে থাকবে তাদের শিং দ্বারা। যখনই তাদের শেষ দল অতিক্রম করবে, পুনরায় প্রথম দল এসে তার সাথে এরূপ করতে থাকবে, যতক্ষণ পর্যমত্ম না মানুষের বিচার ফায়সালা শেষ হয়ে যায়। [সহীহ বুখারী, হা/১৪৬০; নাসাঈ, হা/২৪৪০; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৫২৯; মিশকাত, হা/১৭৭৫।]
মহিষ ও ভেড়ার যাকাত :
হাদীসে যেসব পশুর উপর যাকাত আদায়ের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে মহিষের কথা পৃথকভাবে উল্লেখ নেই। তবে মুহাদ্দিসগণ বলেছেন যে, গরু ও মহিষ একই জাতবিশিষ্ট। সুতরাং গরুর উপর যেভাবে যাকাত আদায় করা ফরয, ঠিক তেমনিভাবে মহিষের উপরও যাকাত আদায় করা ফরয এবং উভয়টিই একই নিসাবের অমত্মর্ভুক্ত। অনুরূপভাবে ভেড়াও ছাগলের অমত্মর্ভুক্ত।
ঘোড়ার যাকাত :
ঘোড়া হচ্ছে এক ধরনের গৃহপালিত পশু। কিমত্মু তা সত্ত্বেও এর উপর যাকাত আদায় করা ফরয নয়। কেননা হাদীসে এসেছে,
عَنْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ قَالَ : لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ صَدَقَةٌ فِيْ عَبْدِه ، وَلَا فَرَسِه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী ﷺ হতে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মুসলমানদের উপর তাদের গোলাম ও ঘোড়ার যাকাত নেই। [সহীহ বুখারী, হা/১৪৬৪; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৬৫৪; মিশকাত, হা/১৭৯৫।]
- مَا مِنْ رَجُلٍ تَكُوْنُ لَه اِبِلٌ ، أَوْ بَقَرٌ ، أَوْ غَنَمٌ لَا يُؤَدِّيْ حَقَّهَا اِلَّا اُتِيَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مَا تَكُوْنُ وَأَسْمَنَه تَطَؤُه بِأَخْفَافِهَا وَتَنْطَحُه بِقُرُوْنِهَا كُلَّمَا جَازَتْ أُخْرَاهَا رُدَّتْ عَلَيْهِ أُولَاهَا حَتّٰى يُقْضٰى بَيْنَ النَّاسِ
প্রত্যেক উট, গরু ও ছাগলের অধিকারী ব্যক্তি যে তার যাকাত আদায় করবে না, নিশ্চয় কিয়ামতের দিন তাদেরকে আনা হবে বিরাট আকারে ও অতি মোটাতাজা অবস্থায়। তারা দলে দলে তাকে তাদের ক্ষুর দ্বারা মাড়াতে থাকবে এবং মারতে থাকবে তাদের শিং দ্বারা। যখনই তাদের শেষ দল অতিক্রম করবে, পুনরায় প্রথম দল এসে তার সাথে এরূপ করতে থাকবে, যতক্ষণ পর্যমত্ম না মানুষের বিচার ফায়সালা শেষ হয়ে যায়। [সহীহ বুখারী, হা/১৪৬০; নাসাঈ, হা/২৪৪০; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৫২৯; মিশকাত, হা/১৭৭৫।]
মহিষ ও ভেড়ার যাকাত :
হাদীসে যেসব পশুর উপর যাকাত আদায়ের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে মহিষের কথা পৃথকভাবে উল্লেখ নেই। তবে মুহাদ্দিসগণ বলেছেন যে, গরু ও মহিষ একই জাতবিশিষ্ট। সুতরাং গরুর উপর যেভাবে যাকাত আদায় করা ফরয, ঠিক তেমনিভাবে মহিষের উপরও যাকাত আদায় করা ফরয এবং উভয়টিই একই নিসাবের অমত্মর্ভুক্ত। অনুরূপভাবে ভেড়াও ছাগলের অমত্মর্ভুক্ত।
ঘোড়ার যাকাত :
ঘোড়া হচ্ছে এক ধরনের গৃহপালিত পশু। কিমত্মু তা সত্ত্বেও এর উপর যাকাত আদায় করা ফরয নয়। কেননা হাদীসে এসেছে,
عَنْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ قَالَ : لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ صَدَقَةٌ فِيْ عَبْدِه ، وَلَا فَرَسِه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী ﷺ হতে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মুসলমানদের উপর তাদের গোলাম ও ঘোড়ার যাকাত নেই। [সহীহ বুখারী, হা/১৪৬৪; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৬৫৪; মিশকাত, হা/১৭৯৫।]