১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
রমাযান মাসে ই‘তিকাফ করা
‘ই‘তিকাফ’ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হলো আবদ্ধ থাকা, কোন নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করা। ইসলামী পরিভাষায় ই‘তিকাফ হলো, ইবাদাতের নিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর পদ্ধতি অনুযায়ী কোন মসজিদে নিজেকে আবদ্ধ রাখা।
ই‘তিকাফ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদাত। নবী করীম ﷺ নিজেই ই‘তিকাফ করেছেন এবং তার স্ত্রীগণ ও সাহাবীরাও ই‘তিকাফ করেছেন। ই‘তিকাফ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের এক সুবর্ণ সুযোগ। কারণ এটি এমন এক নির্জনতা, যখন বান্দা দুনিয়ার বিভিন্ন ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে একাগ্রচিত্তে আল্লাহর দরজায় হাজির হয় এবং আল্লাহর আনুগত্য ও যিকির করার মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ রাখে। বান্দা তার দেহ ও মনকে স্বীয় প্রভুর উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে।
ই‘তিকাফের বাস্তবরূপটা এমন- যেন কোন ব্যক্তি কারো কাছ থেকে তার দাবি-দাওয়া পূরণের জন্য তার দরজায় ধর্ণা দেয় এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঐ দরজায় পড়ে থাকে। ঠিক তেমনিভাবে যারা ই‘তিকাফ করেন তারা মায়ার সংসারকে ভুলে একাধারে কয়েকদিন যাবৎ আল্লাহর দরজায় নিজেদেরকে আটক রাখেন, ফলে আল্লাহ তাদেরকে যথেষ্ট পুরস্কার দান করেন।
এক হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
مَنْ تَقَرَّبَ مِنِّىْ شِبْرًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ ذِرَاعًا وَمَنْ تَقَرَّبَ مِنِّىْ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا وَمَنْ أَتَانِىْ يَمْشِىْ أَتَيْتُه هَرْوَلَةً وَمَنْ لَقِيَنِىْ بِقُرَابِ الْأَرْضِ خَطِيْئَةً لَا يُشْرِكُ بِىْ شَيْئًا لَقِيتُه بِمِثْلِهَا مَغْفِرَةً
যে ব্যক্তি অর্ধ হাত আমার নিকটবর্তী হয় আমি এক হাত তার নিকটবর্তী হই। আর যে ব্যক্তি এক হাত আমার নিকটবর্তী হয় আমি তার দিকে এক গজ নিকটবর্তী হই। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে আসি। আর যে ব্যক্তি জমিন ভর্তি পাপ নিয়ে আমার সাথে সাক্ষাৎ করে এবং সে আমার সাথে কাউকে শরীক না করে, তাহলে আমিও ঐ পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তার সাথে সাক্ষাৎ করি। [সহীহ মুসলিম, হা/৭০০৯; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮২১; মিশকাত, হা/২২৬৫।]
অপর এক হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
اَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِيْ بِيْ وَاَنَا مَعَه اِذَا ذَكَرَنِيْ فَإِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ نَفْسِه ذَكَرْتُه فِيْ نَفْسِيْ وَإِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ مَلَأٍ ذَكَرْتُه فِيْ مَلَأٍ خَيْرٍ مِنْهُمْ
আমি আমার বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী ব্যবহার করে থাকি। আর সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথেই থাকি। সে যখন আমাকে একা একা স্মরণ করে তখন আমিও এককভাবে তাকে স্মরণ করি। আর সে যখন আমাকে জনসমক্ষে স্মরণ করে, তখন আমি এর থেকে উত্তম মজলিসে তাকে স্মরণ করি। [সহীহ বুখারী, হা/৭৩০৫; সহীহ মুসলিম, হা/৬৯৮১; তিরমিযী, হা/৩৬০৩; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮২২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৩৪০; মুসনাদুল বাযযার, হা/৯১৪২; জামেউস সগীর, হা/১৪০৯৭; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৪৮৭; মিশকাত, হা/২২৬৪।]
ই‘তিকাফ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদাত। নবী করীম ﷺ নিজেই ই‘তিকাফ করেছেন এবং তার স্ত্রীগণ ও সাহাবীরাও ই‘তিকাফ করেছেন। ই‘তিকাফ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের এক সুবর্ণ সুযোগ। কারণ এটি এমন এক নির্জনতা, যখন বান্দা দুনিয়ার বিভিন্ন ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে একাগ্রচিত্তে আল্লাহর দরজায় হাজির হয় এবং আল্লাহর আনুগত্য ও যিকির করার মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ রাখে। বান্দা তার দেহ ও মনকে স্বীয় প্রভুর উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে।
ই‘তিকাফের বাস্তবরূপটা এমন- যেন কোন ব্যক্তি কারো কাছ থেকে তার দাবি-দাওয়া পূরণের জন্য তার দরজায় ধর্ণা দেয় এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঐ দরজায় পড়ে থাকে। ঠিক তেমনিভাবে যারা ই‘তিকাফ করেন তারা মায়ার সংসারকে ভুলে একাধারে কয়েকদিন যাবৎ আল্লাহর দরজায় নিজেদেরকে আটক রাখেন, ফলে আল্লাহ তাদেরকে যথেষ্ট পুরস্কার দান করেন।
এক হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
مَنْ تَقَرَّبَ مِنِّىْ شِبْرًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ ذِرَاعًا وَمَنْ تَقَرَّبَ مِنِّىْ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا وَمَنْ أَتَانِىْ يَمْشِىْ أَتَيْتُه هَرْوَلَةً وَمَنْ لَقِيَنِىْ بِقُرَابِ الْأَرْضِ خَطِيْئَةً لَا يُشْرِكُ بِىْ شَيْئًا لَقِيتُه بِمِثْلِهَا مَغْفِرَةً
যে ব্যক্তি অর্ধ হাত আমার নিকটবর্তী হয় আমি এক হাত তার নিকটবর্তী হই। আর যে ব্যক্তি এক হাত আমার নিকটবর্তী হয় আমি তার দিকে এক গজ নিকটবর্তী হই। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে আসি। আর যে ব্যক্তি জমিন ভর্তি পাপ নিয়ে আমার সাথে সাক্ষাৎ করে এবং সে আমার সাথে কাউকে শরীক না করে, তাহলে আমিও ঐ পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তার সাথে সাক্ষাৎ করি। [সহীহ মুসলিম, হা/৭০০৯; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮২১; মিশকাত, হা/২২৬৫।]
অপর এক হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
اَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِيْ بِيْ وَاَنَا مَعَه اِذَا ذَكَرَنِيْ فَإِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ نَفْسِه ذَكَرْتُه فِيْ نَفْسِيْ وَإِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ مَلَأٍ ذَكَرْتُه فِيْ مَلَأٍ خَيْرٍ مِنْهُمْ
আমি আমার বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী ব্যবহার করে থাকি। আর সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথেই থাকি। সে যখন আমাকে একা একা স্মরণ করে তখন আমিও এককভাবে তাকে স্মরণ করি। আর সে যখন আমাকে জনসমক্ষে স্মরণ করে, তখন আমি এর থেকে উত্তম মজলিসে তাকে স্মরণ করি। [সহীহ বুখারী, হা/৭৩০৫; সহীহ মুসলিম, হা/৬৯৮১; তিরমিযী, হা/৩৬০৩; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮২২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৩৪০; মুসনাদুল বাযযার, হা/৯১৪২; জামেউস সগীর, হা/১৪০৯৭; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৪৮৭; মিশকাত, হা/২২৬৪।]