১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৬
ঈদ প্রসঙ্গ
রমাযান মাস শেষে পশ্চিমাকাশে যখন শাওয়ালের নতুন চাঁদ দেখা যায় তখন মুসলিম সমাজে এক নতুন আনন্দ বিরাজ করে। তবে এই খুশিতে শয়তানী কার্যকলাপ না ঢুকিয়ে নবী ﷺ এর শিক্ষা ও আমলের অনুসরণ করা প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব।
عِيْدٌ (ঈদ) শব্দটি عَوْدٌ (‘আওদুন) শব্দ থেকে এসেছে। এর অর্থ হচ্ছে, বার বার ফিরে আসা। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার এ দু’টি দিন প্রতি বছর একবার করে ফিরে আসে বিধায় এ দু’টি দিনকে ইসলামী শরীয়তে ঈদের দিন বলা হয়েছে। তাছাড়া ঈদের অন্য অর্থ হচ্ছে, আনন্দ, উৎসব ইত্যাদি। মুসলিম সমাজ এ দু’টি দিন তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে এবং আনন্দ করে, তাই এ দিনগুলোকে ঈদের দিন বলা হয়।
মহানবী ﷺ মদিনায় হিজরত করার পর দ্বিতীয় হিজরীর শাওয়াল মাসে প্রথম ঈদের সালাত আদায় করেন। নবী ﷺ বলেছেন,
يَا أَبَا بَكْرٍ إِنَّ لِكُلِّ قَوْمٍ عِيْدًا وَهٰذَا عِيْدُنَا
হে আবু বকর! প্রত্যেক জাতিরই আনন্দোৎসব রয়েছে। আর আমাদের আনন্দোৎসব হচ্ছে এটা (ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।) [সহীহ বুখারী, হা/৯৫২; সহীহ মুসলিম, হা/২০৯৮; ইবনে মাজাহ, হা/১৮৯৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫৫৭৫; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২১৩৭; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৮৮০৯; বায়হাকী, হা/২০৮০১; শারহুস সুন্নাহ, হা/১১১১; মিশকাত, হা/১৪৩২।]
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ মদিনাতে এলেন, তখন এখানকার বাসিন্দাদের দুটি উৎসব ছিল, যাতে তারা আনন্দ করত। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদেরকে প্রশ্ন করেন, এই দু’দিনে তোমরা কী কর? তারা বলল, আমরা ইসলাম আগমনের পূর্বে এ দু’দিন আনন্দোৎসব করতাম। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, আল্লাহ তা‘আলা ওগুলোর পরিবর্তে আরো উত্তম কিছু দান করেছেন। একটি হলো রোযা ভাঙ্গার আনন্দের দিন ‘‘ঈদুল ফিতর’’ এবং অপরটি হলো কুরবানীর দিন ‘‘ঈদুল আযহা’’। [নাসাঈ, হা/১৫৫৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৮৫০; বায়হাকী, হা/৫৯১৮।]
মদিনাবাসীগণ শুধু খেলাধুলা ও আমোদ-ফুর্তির জন্য যে দুটি দিন নির্ধারণ করে নিয়েছিল, আল্লাহ তা‘আলা তা পরিবর্তন করে এমন দুটি দিন দান করলেন যে দিন দুটিতে আল্লাহর শুকরিয়া, তাঁর যিকির ও তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার সাথে সাথে শালীন আমোদ-ফুর্তি, সাজ-সজ্জা ও খাওয়া-দাওয়া করা হয়।
মুসলিমদের ঈদ হলো দু’দিন :
মুসলিমদের ঈদ হলো দু’দিন। সুতরাং ঈদে মীলাদুন্নবী নামে তৃতীয় আরেকটি ঈদ প্রচলন করা নিঃসন্দেহে বিদআত, যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য।
عِيْدٌ (ঈদ) শব্দটি عَوْدٌ (‘আওদুন) শব্দ থেকে এসেছে। এর অর্থ হচ্ছে, বার বার ফিরে আসা। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার এ দু’টি দিন প্রতি বছর একবার করে ফিরে আসে বিধায় এ দু’টি দিনকে ইসলামী শরীয়তে ঈদের দিন বলা হয়েছে। তাছাড়া ঈদের অন্য অর্থ হচ্ছে, আনন্দ, উৎসব ইত্যাদি। মুসলিম সমাজ এ দু’টি দিন তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে এবং আনন্দ করে, তাই এ দিনগুলোকে ঈদের দিন বলা হয়।
মহানবী ﷺ মদিনায় হিজরত করার পর দ্বিতীয় হিজরীর শাওয়াল মাসে প্রথম ঈদের সালাত আদায় করেন। নবী ﷺ বলেছেন,
يَا أَبَا بَكْرٍ إِنَّ لِكُلِّ قَوْمٍ عِيْدًا وَهٰذَا عِيْدُنَا
হে আবু বকর! প্রত্যেক জাতিরই আনন্দোৎসব রয়েছে। আর আমাদের আনন্দোৎসব হচ্ছে এটা (ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।) [সহীহ বুখারী, হা/৯৫২; সহীহ মুসলিম, হা/২০৯৮; ইবনে মাজাহ, হা/১৮৯৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫৫৭৫; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২১৩৭; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৮৮০৯; বায়হাকী, হা/২০৮০১; শারহুস সুন্নাহ, হা/১১১১; মিশকাত, হা/১৪৩২।]
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ মদিনাতে এলেন, তখন এখানকার বাসিন্দাদের দুটি উৎসব ছিল, যাতে তারা আনন্দ করত। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদেরকে প্রশ্ন করেন, এই দু’দিনে তোমরা কী কর? তারা বলল, আমরা ইসলাম আগমনের পূর্বে এ দু’দিন আনন্দোৎসব করতাম। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, আল্লাহ তা‘আলা ওগুলোর পরিবর্তে আরো উত্তম কিছু দান করেছেন। একটি হলো রোযা ভাঙ্গার আনন্দের দিন ‘‘ঈদুল ফিতর’’ এবং অপরটি হলো কুরবানীর দিন ‘‘ঈদুল আযহা’’। [নাসাঈ, হা/১৫৫৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৮৫০; বায়হাকী, হা/৫৯১৮।]
মদিনাবাসীগণ শুধু খেলাধুলা ও আমোদ-ফুর্তির জন্য যে দুটি দিন নির্ধারণ করে নিয়েছিল, আল্লাহ তা‘আলা তা পরিবর্তন করে এমন দুটি দিন দান করলেন যে দিন দুটিতে আল্লাহর শুকরিয়া, তাঁর যিকির ও তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার সাথে সাথে শালীন আমোদ-ফুর্তি, সাজ-সজ্জা ও খাওয়া-দাওয়া করা হয়।
মুসলিমদের ঈদ হলো দু’দিন :
মুসলিমদের ঈদ হলো দু’দিন। সুতরাং ঈদে মীলাদুন্নবী নামে তৃতীয় আরেকটি ঈদ প্রচলন করা নিঃসন্দেহে বিদআত, যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য।