১
সিয়াম ও যাকাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮১
অন্তরের রোযা
নবী ﷺ বলেছেন, জেনে রাখো! দেহের মধ্যে এমন এক মাংসপিন্ড আছে, যা ভালো হলে সারা দেহ ভালো হবে এবং খারাপ হলে সারা দেহ খারাপ হবে। শোনো! তা হলো অন্তর। [সহীহ বুখারী, হা/৫২; সহীহ মুসলিম, হা/৪১৭৮; ইবনে মাজাহ, হা/৩৯৮৪; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৩৯৮; মুসনাদুল বাযযার, হা/৩২৭৬; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/৪৪৩৬; বায়হাকী, হা/১০১৮০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭৩১; সিলসিলা সহীহাহ, হা/২৭০৮; জামেউস সগীর, হা/৫৫০৪; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/২২৪৩৫; মুসনাদে দারেমী, হা/২৫৭৩; মিশকাত, হা/২৭৬২।]
দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রাজা হলো অন্তর। এই অন্তর যখনই রোযা রাখবে, তখনই সকল অঙ্গে তা কার্যকর হবে।
মুমিনের অন্তর রমাযান মাসে এবং অন্য মাসেও রোযা রাখে। আর তার রোযা হবে তাকে শিরক, বাতিল বিশ্বাস, নোংরা চিন্তা-ভাবনা, হীন পরিকল্পনা এবং খারাপ কল্পনা- এসব থেকে মুক্ত রাখা।
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে গর্ব করা থেকে। কারণ যে ব্যক্তি গর্ব করে এবং চাল-চলনে অহংকার প্রদর্শন করে, সে ব্যক্তি যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তিনি তার প্রতি ক্রোধান্বিত থাকবেন। [মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৯৯৫; আদাবুল মুফরাদ, হা/৫৪৯; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৯১৮।]
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে অপরের প্রতি হিংসা করা থেকে। কারণ কোন বান্দার হৃদয়ে ঈমান ও হিংসা এক সাথে থাকতে পারে না। [নাসাঈ, হা/৩১০৯; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৬০৬; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৪৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৮৮৬।]
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা থেকে। কারণ বিদ্বেষ হলো মুন্ডনকারী, তা দ্বীন মুন্ডন (ধ্বংস) করে ফেলে। [তিরমিযী, হা/২৫১০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৩০; মুসনাদুত তায়ালুসী, হা/১৯০; মিশকাত, হা/৫০৩৯।]
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে কৃপণতা থেকে। কারণ কোন বান্দার হৃদয়ে ঈমান ও কৃপণতা একত্রে জমা হতে পারে না। [নাসাঈ, হা/৩১১০; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩২৫১; মুসনাদে সাদ ইবনে মানসূর, হা/২৪০১; আদাবুল মুফরাদ, হা/২৮১; বায়হাকী, হা/১৮২৮৯; শারহুস সুন্নাহ, হা/২৬১৯; মিশকাত, হা/৩৮২৮।]
এভাবে যদি আমরা রোযা রাখি এবং রোযার দাবি ও শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে তা বাস্তবে প্রয়োগ করি তাহলেই আমাদের রোযা সার্থক ও গ্রহণযোগ্য হবে। তা না হলে দীর্ঘ একটি মাস কষ্ট করে রোযা রেখে যদি এর কোন প্রভাব আমাদের উপর না পড়ে, একটুখানি তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় আমাদের মধ্যে যদি না জাগে, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক এবং পরিতাপের বিষয় আর কী হতে পারে?
দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রাজা হলো অন্তর। এই অন্তর যখনই রোযা রাখবে, তখনই সকল অঙ্গে তা কার্যকর হবে।
মুমিনের অন্তর রমাযান মাসে এবং অন্য মাসেও রোযা রাখে। আর তার রোযা হবে তাকে শিরক, বাতিল বিশ্বাস, নোংরা চিন্তা-ভাবনা, হীন পরিকল্পনা এবং খারাপ কল্পনা- এসব থেকে মুক্ত রাখা।
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে গর্ব করা থেকে। কারণ যে ব্যক্তি গর্ব করে এবং চাল-চলনে অহংকার প্রদর্শন করে, সে ব্যক্তি যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তিনি তার প্রতি ক্রোধান্বিত থাকবেন। [মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৯৯৫; আদাবুল মুফরাদ, হা/৫৪৯; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৯১৮।]
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে অপরের প্রতি হিংসা করা থেকে। কারণ কোন বান্দার হৃদয়ে ঈমান ও হিংসা এক সাথে থাকতে পারে না। [নাসাঈ, হা/৩১০৯; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৬০৬; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৪৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৮৮৬।]
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা থেকে। কারণ বিদ্বেষ হলো মুন্ডনকারী, তা দ্বীন মুন্ডন (ধ্বংস) করে ফেলে। [তিরমিযী, হা/২৫১০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৩০; মুসনাদুত তায়ালুসী, হা/১৯০; মিশকাত, হা/৫০৩৯।]
মুমিনের অন্তর রোযা রাখে কৃপণতা থেকে। কারণ কোন বান্দার হৃদয়ে ঈমান ও কৃপণতা একত্রে জমা হতে পারে না। [নাসাঈ, হা/৩১১০; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩২৫১; মুসনাদে সাদ ইবনে মানসূর, হা/২৪০১; আদাবুল মুফরাদ, হা/২৮১; বায়হাকী, হা/১৮২৮৯; শারহুস সুন্নাহ, হা/২৬১৯; মিশকাত, হা/৩৮২৮।]
এভাবে যদি আমরা রোযা রাখি এবং রোযার দাবি ও শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে তা বাস্তবে প্রয়োগ করি তাহলেই আমাদের রোযা সার্থক ও গ্রহণযোগ্য হবে। তা না হলে দীর্ঘ একটি মাস কষ্ট করে রোযা রেখে যদি এর কোন প্রভাব আমাদের উপর না পড়ে, একটুখানি তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় আমাদের মধ্যে যদি না জাগে, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক এবং পরিতাপের বিষয় আর কী হতে পারে?