১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৮
নিয়মিত দৈনিক সলাত (নামায) না আদায় করলে কেউ মুসলিম থাকতে পারে কিনা?
(ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্ত সলাত ছেড়ে দিলেও)
মু'মিন এবং কাফিরদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত (নামায)
রসূল (ﷺ) বলেছেন, “মু'মিন ও কাফির-মুশরিকের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত পরিত্যাগ করা।” [সহীহ মুসলিম]
সলাত (নামায) ত্যাগকারী ইসলাম হতে বের হয়ে যায়
কেউ যখন ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত সলাত ত্যাগ করে তখন সে বস্তুত আল্লাহ ও তাঁর রসূল (ﷺ) -এর সলাত আদায় করার আদেশকে অমান্য করছে। যখন কোন মুসলিম আল্লাহ ও তাঁর রসূলের এ আদেশ অমান্য করে, তখন সে আর মুসলিম থাকতে পারে না। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে সলাত (নামায) ত্যাগকারী ইসলাম হতে বের হয়ে যায় অর্থাৎ ধর্মত্যাগী (মুরতাদ) ও কাফির হয়ে যায়। রসূল (ﷺ) বলেছেন, “আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মাঝে চুক্তি হচ্ছে সলাতের। অতএব যে ব্যক্তি সলাত ত্যাগ করল সে কুফরী করল।” [আবু দাউদ, আহমাদ, তিরমিজি, নাসাঈ]
এরকম লোকের ইসলামে ফিরে আসার একমাত্র পথ হলো অনুতাপের সাথে তাওবা করা এবং দৃঢ় অংগীকার করা যে সে এ কাজ আর কখনও করবে না।
“তবে এখন যদি তারা তাওবা করে সলাত আদায় করে ও যাকাত প্রদান করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই।” (সূরা আত তাওবা ৯ : ১১)
বেনামাযির জানাযা পড়া নিষেধ
আল্লাহ তাঁর রসূল (ﷺ) -কে নির্দেশ দিচ্ছেন:
আর তাদের কেউ মরে গেলে তার জানাযা তুমি কখনই পড়বে না তার কবরের পাশে কখনই দাঁড়াবে না কেননা তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে কুফরী করেছে এবং ফাসিক (পাপাচারী) অবস্থায় ওদের মৃত্যু হয়েছে। (সূরা আত তাওবা ৯ : ৮)
বেনামাযির জন্য জাহান্নাম
(ডান পার্শ্বস্থ লোকেরা) অপরাধীদের সম্পর্কে বলবে, তোমাদের কিসে জাহান্নামে পাঠিয়েছে? তারা বলবে আমরা সলাত আদায় করতাম না, অভাবগ্রস্তদের আহার দিতাম না। (সূরা মুদ্দাসৃসির ৭৪ : ৪১-৪৪)
যারা সলাত (নামায) বিনিষ্ট করল তাদের জন্যে আযাব অনিবার্য
অতঃপর তাদের পর সেই অযোগ্য অবাঞ্ছিত লোকেরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হল যারা সলাতকে বিনষ্ট করল, আর কুপ্রবৃত্তির অনুবর্তী হল। সুতরাং তারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। (সূরা মারইয়াম ১৯ : ৫৯)
যারা তাদের সলাত সম্বন্ধে উদাসীন তাদের জন্য দুর্ভোগ। সূরা মাউন : ৪, ৫)
মু'মিন এবং কাফিরদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত (নামায)
রসূল (ﷺ) বলেছেন, “মু'মিন ও কাফির-মুশরিকের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত পরিত্যাগ করা।” [সহীহ মুসলিম]
সলাত (নামায) ত্যাগকারী ইসলাম হতে বের হয়ে যায়
কেউ যখন ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত সলাত ত্যাগ করে তখন সে বস্তুত আল্লাহ ও তাঁর রসূল (ﷺ) -এর সলাত আদায় করার আদেশকে অমান্য করছে। যখন কোন মুসলিম আল্লাহ ও তাঁর রসূলের এ আদেশ অমান্য করে, তখন সে আর মুসলিম থাকতে পারে না। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে সলাত (নামায) ত্যাগকারী ইসলাম হতে বের হয়ে যায় অর্থাৎ ধর্মত্যাগী (মুরতাদ) ও কাফির হয়ে যায়। রসূল (ﷺ) বলেছেন, “আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মাঝে চুক্তি হচ্ছে সলাতের। অতএব যে ব্যক্তি সলাত ত্যাগ করল সে কুফরী করল।” [আবু দাউদ, আহমাদ, তিরমিজি, নাসাঈ]
এরকম লোকের ইসলামে ফিরে আসার একমাত্র পথ হলো অনুতাপের সাথে তাওবা করা এবং দৃঢ় অংগীকার করা যে সে এ কাজ আর কখনও করবে না।
“তবে এখন যদি তারা তাওবা করে সলাত আদায় করে ও যাকাত প্রদান করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই।” (সূরা আত তাওবা ৯ : ১১)
বেনামাযির জানাযা পড়া নিষেধ
আল্লাহ তাঁর রসূল (ﷺ) -কে নির্দেশ দিচ্ছেন:
আর তাদের কেউ মরে গেলে তার জানাযা তুমি কখনই পড়বে না তার কবরের পাশে কখনই দাঁড়াবে না কেননা তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে কুফরী করেছে এবং ফাসিক (পাপাচারী) অবস্থায় ওদের মৃত্যু হয়েছে। (সূরা আত তাওবা ৯ : ৮)
বেনামাযির জন্য জাহান্নাম
(ডান পার্শ্বস্থ লোকেরা) অপরাধীদের সম্পর্কে বলবে, তোমাদের কিসে জাহান্নামে পাঠিয়েছে? তারা বলবে আমরা সলাত আদায় করতাম না, অভাবগ্রস্তদের আহার দিতাম না। (সূরা মুদ্দাসৃসির ৭৪ : ৪১-৪৪)
যারা সলাত (নামায) বিনিষ্ট করল তাদের জন্যে আযাব অনিবার্য
অতঃপর তাদের পর সেই অযোগ্য অবাঞ্ছিত লোকেরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হল যারা সলাতকে বিনষ্ট করল, আর কুপ্রবৃত্তির অনুবর্তী হল। সুতরাং তারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। (সূরা মারইয়াম ১৯ : ৫৯)
যারা তাদের সলাত সম্বন্ধে উদাসীন তাদের জন্য দুর্ভোগ। সূরা মাউন : ৪, ৫)