১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
ঈমান ও ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ
আমাদের দেশে যে কোন মুসলিম ব্যক্তিকে অযু ভঙ্গের কারণ জিজ্ঞেস করলে বলে দিতে পারবে, সবগুলো বলতে না পারলেও বেশীরভাগ কারণগুলো বলতে পারবে। আবার নামায ভঙ্গের কারণগুলো জিজ্ঞেস করলে তাও বলে দিতে পারবে, সবগুলো বলতে না পারলেও বেশীরভাগ কারণগুলোই বলতে পারবে। কিন্তু যদি কোন মুসলিম ব্যক্তিকে ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে কিছুই বলতে পারবে না। অথবা ইসলাম ভঙ্গের কারণসমূহ জিজ্ঞেস করা হয় তাহলেও কিছুই বলতে পারবে না।
এর কারণ হচ্ছে আমাদের সমাজে আকীদা শিক্ষার উপর তেমন গুরুত্ব নেই, শিক্ষার ব্যবস্থাও নেই এবং যাদের কাছ থেকে শিক্ষা পাওয়ার কথা তাদের কাছ থেকেও বেশী কিছু আশা করা যায় না। এছাড়া আমাদের দেশে মাদ্রাসায় মাসলা-মাসায়েল শিখানো হয় কিন্তু আকীদা বিষয়ে তেমন কিছু শিখানো হয় না। মাদ্রাসার সিলেবাসে মাসলা-মাসায়েলের উপর মোটা মোটা বই রয়েছে কিন্তু আকীদা বিষয়ে তেমন কোন বই নেই। যার কারণে আমাদের দেশের মানুষ আকীদা বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখে না। ঈমান ও ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ হচ্ছে আকীদা নির্ভর বিষয়। যে জ্ঞান না থাকলে ঈমান ও ইসলাম রক্ষা করা কঠিন। যে জ্ঞান না থাকলে মুসলিম হওয়া যায় না সেই জ্ঞানের খুব অভাব।
যে শিক্ষা না থাকলে মুসলিম হওয়া যায় না, সে শিক্ষা হচ্ছে আকীদার শিক্ষা, বিশ্বাসের শিক্ষা, ঈমানের শিক্ষা, ঈমানের পরিপন্থি বিষয়ের শিক্ষা, শিরকের শিক্ষা, কুফরীর শিক্ষা। শিরকের শিক্ষাগ্রহণ এজন্য করতে হবে যে, শিরক থেকে বেঁচে থাকতে হবে। কারণ যে শিরক করে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়, আর আল্লাহ কোন দিন শিরকের গুনাহ মাপ করবেন না। আমাদের মুসলিম সমাজের ভিতরে অজ্ঞতার কারণে কোটি কোটি লোক শিরকে লিপ্ত। তাই এই শিরককে চিহ্নিত করতে হবে। বিদ'আতের জ্ঞান এজন্য অর্জন করতে হবে যে বিদ’আত থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
আল্লাহ সকল বান্দার উপর ইসলামে প্রবেশ করা, উহা আঁকড়ে ধরা এবং উহার পরিপন্থী বিষয় থেকে সতর্ক থাকা ফরয করেছেন। আর নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) - কে সে দিকে আহবান করার জন্যই প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্ এই মর্মে ঘোষণা দিয়ে বলেন, “যে ব্যক্তি নবী (ﷺ)-র অনুসরণ করবে সে হিদায়াত প্রাপ্ত হবে পক্ষান্তরে যে তাঁর থেকে বিমুখ হবে সে পথভ্রষ্ট হবে।” (সূরা নূর ২৪ : ৫৪)।
আমাদেরকে জানতে হবে যে শুধু মুসলিম ঘরে জন্ম নিলেই মুসলিম হওয়া যায় না। বাবা মুসলিম, মা মুসলিম, তাই বলে আমিও মুসলিম বিষয়টা এতো সহজ নয়। প্রত্যেক শিশু মুসলিম হিসেবে জন্মগ্রহণ করে ঠিকই এবং নাবালক বয়স পর্যন্ত মুসলিম থাকে কিন্তু পরবর্তীতে তার মা-বাবা তাকে অমুসলিম বানায়। বড় হয়ে কেউ নাস্তিক হয়, কেউ সেকুলার হয়, কেউ কমিউনিস্ট হয়, কেউ জাতীয়তাবাদী হয়, কেউ মুনাফিক হয়, কেউ যালিম হয়, কেউ কাফির হয়, কেউ পীর পূজারী হয়, কেউ মাজার পূজারী হয়, আবার কেউ মানব রচিত দল করে।
স্বাবালক-বালিকা হওয়ার পর যে নিজেকে ইসলাম ভঙ্গের একটি কারণের মধ্যেও আসতে দেয় না সেই শুধু মুসলিম থাকে; এছাড়া কেউ যদি ইসলাম ভঙ্গের কারণগুলোর মধ্যে একটি কারণ ও করে তা হলেই সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। ইসলাম থেকে একবার বেরিয়ে গেলে তাকে আবার মুসলিম হতে হবে। আকীদায় (বিশ্বাস) মুসলিম হতে হবে, কাজেকর্মে, চলাফেরায় মুসলিম হতে হবে। মুসলিম কোন সম্প্রদায় বা জাতির নাম নয়, মুসলিম কোন গোষ্ঠির নাম নয়। মুসলিম নাম হচ্ছে আকীদা (বিশ্বাস) ও কর্মের। যার মধ্যে ইসলামী ঐ আকীদাগুলো থাকবে, আমলগুলো থাকবে যেগুলো মুসলিম হওয়ার জন্য আবশ্যক। সেই সত্যিকার মুসলিম।
এর কারণ হচ্ছে আমাদের সমাজে আকীদা শিক্ষার উপর তেমন গুরুত্ব নেই, শিক্ষার ব্যবস্থাও নেই এবং যাদের কাছ থেকে শিক্ষা পাওয়ার কথা তাদের কাছ থেকেও বেশী কিছু আশা করা যায় না। এছাড়া আমাদের দেশে মাদ্রাসায় মাসলা-মাসায়েল শিখানো হয় কিন্তু আকীদা বিষয়ে তেমন কিছু শিখানো হয় না। মাদ্রাসার সিলেবাসে মাসলা-মাসায়েলের উপর মোটা মোটা বই রয়েছে কিন্তু আকীদা বিষয়ে তেমন কোন বই নেই। যার কারণে আমাদের দেশের মানুষ আকীদা বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখে না। ঈমান ও ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ হচ্ছে আকীদা নির্ভর বিষয়। যে জ্ঞান না থাকলে ঈমান ও ইসলাম রক্ষা করা কঠিন। যে জ্ঞান না থাকলে মুসলিম হওয়া যায় না সেই জ্ঞানের খুব অভাব।
যে শিক্ষা না থাকলে মুসলিম হওয়া যায় না, সে শিক্ষা হচ্ছে আকীদার শিক্ষা, বিশ্বাসের শিক্ষা, ঈমানের শিক্ষা, ঈমানের পরিপন্থি বিষয়ের শিক্ষা, শিরকের শিক্ষা, কুফরীর শিক্ষা। শিরকের শিক্ষাগ্রহণ এজন্য করতে হবে যে, শিরক থেকে বেঁচে থাকতে হবে। কারণ যে শিরক করে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়, আর আল্লাহ কোন দিন শিরকের গুনাহ মাপ করবেন না। আমাদের মুসলিম সমাজের ভিতরে অজ্ঞতার কারণে কোটি কোটি লোক শিরকে লিপ্ত। তাই এই শিরককে চিহ্নিত করতে হবে। বিদ'আতের জ্ঞান এজন্য অর্জন করতে হবে যে বিদ’আত থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
আল্লাহ সকল বান্দার উপর ইসলামে প্রবেশ করা, উহা আঁকড়ে ধরা এবং উহার পরিপন্থী বিষয় থেকে সতর্ক থাকা ফরয করেছেন। আর নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) - কে সে দিকে আহবান করার জন্যই প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্ এই মর্মে ঘোষণা দিয়ে বলেন, “যে ব্যক্তি নবী (ﷺ)-র অনুসরণ করবে সে হিদায়াত প্রাপ্ত হবে পক্ষান্তরে যে তাঁর থেকে বিমুখ হবে সে পথভ্রষ্ট হবে।” (সূরা নূর ২৪ : ৫৪)।
আমাদেরকে জানতে হবে যে শুধু মুসলিম ঘরে জন্ম নিলেই মুসলিম হওয়া যায় না। বাবা মুসলিম, মা মুসলিম, তাই বলে আমিও মুসলিম বিষয়টা এতো সহজ নয়। প্রত্যেক শিশু মুসলিম হিসেবে জন্মগ্রহণ করে ঠিকই এবং নাবালক বয়স পর্যন্ত মুসলিম থাকে কিন্তু পরবর্তীতে তার মা-বাবা তাকে অমুসলিম বানায়। বড় হয়ে কেউ নাস্তিক হয়, কেউ সেকুলার হয়, কেউ কমিউনিস্ট হয়, কেউ জাতীয়তাবাদী হয়, কেউ মুনাফিক হয়, কেউ যালিম হয়, কেউ কাফির হয়, কেউ পীর পূজারী হয়, কেউ মাজার পূজারী হয়, আবার কেউ মানব রচিত দল করে।
স্বাবালক-বালিকা হওয়ার পর যে নিজেকে ইসলাম ভঙ্গের একটি কারণের মধ্যেও আসতে দেয় না সেই শুধু মুসলিম থাকে; এছাড়া কেউ যদি ইসলাম ভঙ্গের কারণগুলোর মধ্যে একটি কারণ ও করে তা হলেই সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। ইসলাম থেকে একবার বেরিয়ে গেলে তাকে আবার মুসলিম হতে হবে। আকীদায় (বিশ্বাস) মুসলিম হতে হবে, কাজেকর্মে, চলাফেরায় মুসলিম হতে হবে। মুসলিম কোন সম্প্রদায় বা জাতির নাম নয়, মুসলিম কোন গোষ্ঠির নাম নয়। মুসলিম নাম হচ্ছে আকীদা (বিশ্বাস) ও কর্মের। যার মধ্যে ইসলামী ঐ আকীদাগুলো থাকবে, আমলগুলো থাকবে যেগুলো মুসলিম হওয়ার জন্য আবশ্যক। সেই সত্যিকার মুসলিম।