১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
উপসংহার
এই হল একজন মুসলিমের আকীদা বা বিশ্বাস, যার উপর ভিত্তি করে তার নিজের জীবনকে গড়ে তোলা এবং সে ব্যাপারে জবাবদিহির অনুভূতি নিয়ে বেঁচে থাকা আবশ্যক। অতঃপর এই ঈমান বা বিশ্বাস আরও কতগুলো আবশ্যকীয় বিষয়কে অনুসরণ করে;
যেমন : আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা, তাঁর প্রতি একনিষ্ঠতা; তাঁর নিকট প্রত্যাশা করা, তাঁকে ভয় কা; আর এগুলো জেনে রাখবো এবং তার উপর ধৈর্যধারণ করবো; আর আকীদা-বিশ্বাস পরিপন্থী কর্মকান্ডসমূহ এবং ঈমান বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাকবো; আর এগুলোর শীর্ষে রয়েছে আল্লাহ তাআলার সাথে শরীক করা, কুফরী করা, মুনাফিকী করা এবং আল্লাহ তাআলা, তাঁর রসূল, তাঁর দ্বীন ও তিনি যে শরীআত প্রবর্তন করেছেন, তার সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা;
অথবা যে কোন প্রকারের ইবাদত আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত অন্য কারও উদ্দেশ্যে করা; অথবা আল্লাহ ব্যতীত অন্যের বিধান আল্লাহ তা'আলার বিধানের সমান বা তার চেয়ে উত্তম বলে বিশ্বাস করা এবং এই বিশ্বাস করা যে, মানবতা এমনিতেই সৌভাগ্যবান হবে, যেমনিভাবে সে আল্লাহ তাআলার বিধানের মধ্যে সৌভাগ্যবান হয়; অথবা এই বিশ্বাস করা যে, যুগ-যামানা আল্লাহ তা'আলার বিধান নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে এবং তা পবিত্র উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ হিসেবে অবশিষ্ট রয়েছে; এই জীবনে তার উপর আমল করার প্রয়োজন নেই; অথবা মাজার-পীর-ফকির ও জ্যেতিষীর কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস স্থাপন করা।
সুতরাং আমাদের (মু'মিনের) আবশ্যকীয় কর্তব্য হল, এই ধরনের ভয়াবহ শিরকে নিপতিত হওয়া থেকে সতর্ক থাকবো; অতএব ঈমান গ্রহণের ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আরও দায়িত্বপ্রাপ্ত ঈমান বিনষ্ট করে, এমন বিষয় থেকে সতর্ক থাকার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবো।
যেমন : আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা, তাঁর প্রতি একনিষ্ঠতা; তাঁর নিকট প্রত্যাশা করা, তাঁকে ভয় কা; আর এগুলো জেনে রাখবো এবং তার উপর ধৈর্যধারণ করবো; আর আকীদা-বিশ্বাস পরিপন্থী কর্মকান্ডসমূহ এবং ঈমান বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাকবো; আর এগুলোর শীর্ষে রয়েছে আল্লাহ তাআলার সাথে শরীক করা, কুফরী করা, মুনাফিকী করা এবং আল্লাহ তাআলা, তাঁর রসূল, তাঁর দ্বীন ও তিনি যে শরীআত প্রবর্তন করেছেন, তার সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা;
অথবা যে কোন প্রকারের ইবাদত আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত অন্য কারও উদ্দেশ্যে করা; অথবা আল্লাহ ব্যতীত অন্যের বিধান আল্লাহ তা'আলার বিধানের সমান বা তার চেয়ে উত্তম বলে বিশ্বাস করা এবং এই বিশ্বাস করা যে, মানবতা এমনিতেই সৌভাগ্যবান হবে, যেমনিভাবে সে আল্লাহ তাআলার বিধানের মধ্যে সৌভাগ্যবান হয়; অথবা এই বিশ্বাস করা যে, যুগ-যামানা আল্লাহ তা'আলার বিধান নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে এবং তা পবিত্র উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ হিসেবে অবশিষ্ট রয়েছে; এই জীবনে তার উপর আমল করার প্রয়োজন নেই; অথবা মাজার-পীর-ফকির ও জ্যেতিষীর কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস স্থাপন করা।
সুতরাং আমাদের (মু'মিনের) আবশ্যকীয় কর্তব্য হল, এই ধরনের ভয়াবহ শিরকে নিপতিত হওয়া থেকে সতর্ক থাকবো; অতএব ঈমান গ্রহণের ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আরও দায়িত্বপ্রাপ্ত ঈমান বিনষ্ট করে, এমন বিষয় থেকে সতর্ক থাকার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবো।