১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
৩য় অধ্যায়: অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সত্ত্বও মুশরিক
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের কিছু গোত্র মুশরিকদের সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কিছু গোত্র মূর্তি পূজা না করা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। (আবু দাউদ)।
“অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস সূপন করেও তারা মুশরিক।” (সূরা ইউসূফ : ১০৬)
বিশেষ নোট : কোন মুসলিম ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে কাফির বা মুশরিক বলা যাবে না। কে কাফির এবং কে মুশরিক তা সিদ্ধান্ত দেবার একমাত্র অধিকার মহান আল্লাহর। তবে ইসলামী সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ধরণের ঘোষণা দিতে পারে। এছাড়া কে জান্নাতী আর কে জাহান্নামী তাও নির্ধারণ করার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সত্ত্বেও মুশরিক (সুরা ইউসুফ ১২ : ১০৬)
মুমিন লোক এমন যে, যখন আল্লাহর নাম ঘোষণা করা হয় তখন তাদের অন্তর ভীত হয়ে পড়ে। আর যখন তাদের সামনে আল্লাহর কালাম (আয়াত) পাঠ করা হয় তখন তাদের ঈমান বৃদ্ধি হয়ে যায় এবং তারা তাদের প্রভুর উপর নির্ভরশীল হয়ে যায়। (সূরা আল-আনফাল ৮ : ২)
১) (হে নবী) আপনি যদি অধিকাংশ লোকের কথা মানেন, তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করে দিবে। কেননা তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধারণার অনুকরণ করে এবং অনুমান করে কথা বলে। নিশ্চয়ই আপনার প্রভু সবচাইতে বেশী জানেন, কারা আল্লাহর পথ হতে গোমরাহ হয়েছে এবং তিনিই অধিক জানেন কারা হিদায়াতপ্রাপ্ত বা সঠিক পথে আছে। (সূরা আল-আনআম ৬ : ১১৬-১১৭)
২) (হে নবী) আপনি যতই আকাঙ্খ করেন না কেন (আপনার কথার প্রতি) অধিকাংশ লোকই ঈমান আনবে না। (সূরা ইউসূফ ১২ : ১০৩)
৩) অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেও তারা মুশরিক। (সূরা ইউসূফ ১২ : ১০৬)
৪) আলিফ-লাম-মীম-র; এগুলো কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছে তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে না। (সুরা আর-রাদ ১৩ : ১)
৫) বরং অধিকাংশ লোক জ্ঞানহীন (অজ্ঞ)। (সূরা আন নামল ২৭ : ৬১; সূরা ইউনুস ১০ : ৫৫; সূরা আল আ'রাফ ৭: ১৩১; সূরা আত-তূর ৫২ : ৪৭, সূরা আয যুমার ৩৯ : ২৯, ৪৯; সূরা লুকমান ৩১ : ২৫, সূরা আন'আম ৬ : ৩৭; সূরা কাসাস ২৮ : ১৩, ৫৭)।
৬) আপনার পালনকর্তা মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (সূরা নামল ২৭: ৭৩; সূরা ইউনুস ১০: ৬০)
৭) নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়। (সূরা আশ শুয়ারা ২৬ : ৮, ৬৭, ১০৩, ১২১, ১৩৯, ১৫৮, ১৭৪, ১৯০)
৮) তাদের পূর্বে অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ পথভ্রষ্ট ছিল। (সূরা সাফফাত ৩৭ ৭১)
৯) বরং তাদের অধিকাংশ লোকই সত্যকে জানে না; অতএব তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। (সূরা আম্বিয়া ২১ : ২৪)
১০) বরং তিনি তাদের নিকট সত্য নিয়ে আগমন করেছেন এবং তাদের অধিকাংশ লোক সত্যকে অপছন্দ করে। (সূরা মু'মিনূন ২৩ : ৭০)
১১) এটা একটি কিতাব। এর আয়াতসমূহ আরবী কুরআনরূপে জ্ঞানী লোকদের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। অতঃপর তাদের অধিকাংশ লোক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে তারা শুনেও। (সূরা হা-মীম আস সাজদাহ ৪১ : ৩-৪)
১২) আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ লোক শোনে অথবা বোঝে? তারা তো চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং আরও পথভ্রান্ত। (সূরা ফুরকান ২৫ : ৪৪)
১৩) আর আমি তা তাদের মধ্যে বিভিন্নভাবে বিতরণকারী যাতে তারা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক অকৃতজ্ঞতা ছাড়া কিছুই করে না। (সূরা ফুরকান ২৫ : ৫০)
১৪) তারা শত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী। (সূরা আশ শুয়ারা ২৬ : ২২৩)
১৫) কিন্তু অধিকাংশ মানুষই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (সূরা ইউসুফ ১২ : ৩৮)।
১৬) কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জ্ঞানহীন। (সূরা আনফাল : ৩৪; সূরা দুখান : ৩৯; সূরা জাসিয়াহ : ২৬; সূরা নাহল : ৩৮, ৭৫, ১০১; সূরা রূম : ৬, ৩০; সূরা ইউসুফ ও ২১, ৪০, ৬৮; সূরা সাবা ও ২৮, ৩৬; সূরা মু'মিন ও ৫৭)
১৭) তারা আল্লাহর নিয়ামাত বা অনুগ্রহ চিনে, এরপর তারা অস্বীকার করে এবং তাদের অধিকাংশই কাফির। (সূরা আন নাহল ১৬ : ৮৩)
১৮) কিন্তু অধিকাংশ লোকই ঈমানদার না। (সূরা হুদ ১১ ১৭; সূরা আরাফ ৭: ১৮৭)।
১৯) আর তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। (সূরা ইউনুস ১০: ৩৬)।
২০) আপনি তাদের অধিকাংশ লোককে কৃতও পাবেন না। (সূরা আরাফ : ১৭)।
২১) তাদের অধিকাংশই বিবেক বুদ্ধি নেই। (সূরা মায়িদা ৫: ১০৩; সূরা আনকাবুত ২৯ : ৬৩)
২২) আর তোমাদের অধিকাংশই ফাসিক। (সূরা মায়িদা ৫: ৫৯; সূরা আলে ইমরান ৩: ১১০; সূরা তাওবা ৯: ৮)
২৩)নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের উপর অনুগ্রহকারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না। (সূরা বাকারা ২: ২৪৩; সূরা মু'মিন ৪০ : ৬১; সূরা ইউনুস ১০ : ৬০)।
২৪) যে দিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন এবং ফিরিশতাদেরকে বলবেন ? এরা কি তোমাদেরই ইবাদত বা পূজা করত? ফিরিশতারা বলবে, আপনি পবিত্র আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই, বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের অধিকাংশই শাইতানে বিশ্বাসী। (সূরা সাবা ৩৪ : ৪০ - ৪১)
২৫) তাদের অধিকাংশের জন্য শাস্তির বিষয় অবধারিত হয়েছে। সুতরাং তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না। (সূরা ইয়াসিন ৩৬ : ৭)
২৬) আমি তোমাদের কাছে সত্য ধর্ম পৌছিয়েছি, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই হাকে অপছন্দ করে। (সূরা আয যুখরুফ ৪৩ : ৭৮)
২৭) আমি এই কুরআনে মানুষকে বিভিন্ন উপকার দ্বারা সবরকম বিষয়বস্তু বুঝিয়েছি। কিন্তু অধিকাংশ লোকই অস্বীকার না করে থাকেনি। (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭ : ৮৯)।
২৮) আমি আপনার প্রতি উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ করেছি। অবাধ্যরা ব্যতীত কেউ এগুলো অস্বীকার করে না। কি আশ্চর্য! যখন তারা কোন অঙ্গীকার-চুক্তিতে আবদ্ধ হয় তখন তাদের একদল চুক্তিপত্র ছুড়ে খুঁড়ে ফেলে। বরং তাদের অধিকাংশ লোকই ঈমানদার নয়। (সূরা বাকারা ২৪ : ৯৯-১০০)
২৯) কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই মূখ। (সূরা আন'আম ৬ : ১১১)
৩০) আর তাদের অধিকাংশ লোককেই আমি প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নকারী রূপে পাইনি, বরং তাদের অধিকাংশ লোককে ফাসিক বা হুকুম অমান্যকারী পেয়েছি। (সূরা আ'রাফ ৭: ১০২)
৩১) তাদের অধিকাংশ লোকই মুশরিক ছিল। (সূরা আর রূম ৩০: ৪২)
৩২)মানুষের মধ্যে অনেক লোকই ফাসিক। (সূরা মায়িদা ৫ : ৪৯)
“অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস সূপন করেও তারা মুশরিক।” (সূরা ইউসূফ : ১০৬)
বিশেষ নোট : কোন মুসলিম ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে কাফির বা মুশরিক বলা যাবে না। কে কাফির এবং কে মুশরিক তা সিদ্ধান্ত দেবার একমাত্র অধিকার মহান আল্লাহর। তবে ইসলামী সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ধরণের ঘোষণা দিতে পারে। এছাড়া কে জান্নাতী আর কে জাহান্নামী তাও নির্ধারণ করার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সত্ত্বেও মুশরিক (সুরা ইউসুফ ১২ : ১০৬)
মুমিন লোক এমন যে, যখন আল্লাহর নাম ঘোষণা করা হয় তখন তাদের অন্তর ভীত হয়ে পড়ে। আর যখন তাদের সামনে আল্লাহর কালাম (আয়াত) পাঠ করা হয় তখন তাদের ঈমান বৃদ্ধি হয়ে যায় এবং তারা তাদের প্রভুর উপর নির্ভরশীল হয়ে যায়। (সূরা আল-আনফাল ৮ : ২)
১) (হে নবী) আপনি যদি অধিকাংশ লোকের কথা মানেন, তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করে দিবে। কেননা তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধারণার অনুকরণ করে এবং অনুমান করে কথা বলে। নিশ্চয়ই আপনার প্রভু সবচাইতে বেশী জানেন, কারা আল্লাহর পথ হতে গোমরাহ হয়েছে এবং তিনিই অধিক জানেন কারা হিদায়াতপ্রাপ্ত বা সঠিক পথে আছে। (সূরা আল-আনআম ৬ : ১১৬-১১৭)
২) (হে নবী) আপনি যতই আকাঙ্খ করেন না কেন (আপনার কথার প্রতি) অধিকাংশ লোকই ঈমান আনবে না। (সূরা ইউসূফ ১২ : ১০৩)
৩) অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেও তারা মুশরিক। (সূরা ইউসূফ ১২ : ১০৬)
৪) আলিফ-লাম-মীম-র; এগুলো কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছে তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে না। (সুরা আর-রাদ ১৩ : ১)
৫) বরং অধিকাংশ লোক জ্ঞানহীন (অজ্ঞ)। (সূরা আন নামল ২৭ : ৬১; সূরা ইউনুস ১০ : ৫৫; সূরা আল আ'রাফ ৭: ১৩১; সূরা আত-তূর ৫২ : ৪৭, সূরা আয যুমার ৩৯ : ২৯, ৪৯; সূরা লুকমান ৩১ : ২৫, সূরা আন'আম ৬ : ৩৭; সূরা কাসাস ২৮ : ১৩, ৫৭)।
৬) আপনার পালনকর্তা মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (সূরা নামল ২৭: ৭৩; সূরা ইউনুস ১০: ৬০)
৭) নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়। (সূরা আশ শুয়ারা ২৬ : ৮, ৬৭, ১০৩, ১২১, ১৩৯, ১৫৮, ১৭৪, ১৯০)
৮) তাদের পূর্বে অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ পথভ্রষ্ট ছিল। (সূরা সাফফাত ৩৭ ৭১)
৯) বরং তাদের অধিকাংশ লোকই সত্যকে জানে না; অতএব তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। (সূরা আম্বিয়া ২১ : ২৪)
১০) বরং তিনি তাদের নিকট সত্য নিয়ে আগমন করেছেন এবং তাদের অধিকাংশ লোক সত্যকে অপছন্দ করে। (সূরা মু'মিনূন ২৩ : ৭০)
১১) এটা একটি কিতাব। এর আয়াতসমূহ আরবী কুরআনরূপে জ্ঞানী লোকদের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। অতঃপর তাদের অধিকাংশ লোক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে তারা শুনেও। (সূরা হা-মীম আস সাজদাহ ৪১ : ৩-৪)
১২) আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ লোক শোনে অথবা বোঝে? তারা তো চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং আরও পথভ্রান্ত। (সূরা ফুরকান ২৫ : ৪৪)
১৩) আর আমি তা তাদের মধ্যে বিভিন্নভাবে বিতরণকারী যাতে তারা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক অকৃতজ্ঞতা ছাড়া কিছুই করে না। (সূরা ফুরকান ২৫ : ৫০)
১৪) তারা শত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী। (সূরা আশ শুয়ারা ২৬ : ২২৩)
১৫) কিন্তু অধিকাংশ মানুষই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (সূরা ইউসুফ ১২ : ৩৮)।
১৬) কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জ্ঞানহীন। (সূরা আনফাল : ৩৪; সূরা দুখান : ৩৯; সূরা জাসিয়াহ : ২৬; সূরা নাহল : ৩৮, ৭৫, ১০১; সূরা রূম : ৬, ৩০; সূরা ইউসুফ ও ২১, ৪০, ৬৮; সূরা সাবা ও ২৮, ৩৬; সূরা মু'মিন ও ৫৭)
১৭) তারা আল্লাহর নিয়ামাত বা অনুগ্রহ চিনে, এরপর তারা অস্বীকার করে এবং তাদের অধিকাংশই কাফির। (সূরা আন নাহল ১৬ : ৮৩)
১৮) কিন্তু অধিকাংশ লোকই ঈমানদার না। (সূরা হুদ ১১ ১৭; সূরা আরাফ ৭: ১৮৭)।
১৯) আর তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। (সূরা ইউনুস ১০: ৩৬)।
২০) আপনি তাদের অধিকাংশ লোককে কৃতও পাবেন না। (সূরা আরাফ : ১৭)।
২১) তাদের অধিকাংশই বিবেক বুদ্ধি নেই। (সূরা মায়িদা ৫: ১০৩; সূরা আনকাবুত ২৯ : ৬৩)
২২) আর তোমাদের অধিকাংশই ফাসিক। (সূরা মায়িদা ৫: ৫৯; সূরা আলে ইমরান ৩: ১১০; সূরা তাওবা ৯: ৮)
২৩)নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের উপর অনুগ্রহকারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না। (সূরা বাকারা ২: ২৪৩; সূরা মু'মিন ৪০ : ৬১; সূরা ইউনুস ১০ : ৬০)।
২৪) যে দিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন এবং ফিরিশতাদেরকে বলবেন ? এরা কি তোমাদেরই ইবাদত বা পূজা করত? ফিরিশতারা বলবে, আপনি পবিত্র আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই, বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের অধিকাংশই শাইতানে বিশ্বাসী। (সূরা সাবা ৩৪ : ৪০ - ৪১)
২৫) তাদের অধিকাংশের জন্য শাস্তির বিষয় অবধারিত হয়েছে। সুতরাং তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না। (সূরা ইয়াসিন ৩৬ : ৭)
২৬) আমি তোমাদের কাছে সত্য ধর্ম পৌছিয়েছি, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই হাকে অপছন্দ করে। (সূরা আয যুখরুফ ৪৩ : ৭৮)
২৭) আমি এই কুরআনে মানুষকে বিভিন্ন উপকার দ্বারা সবরকম বিষয়বস্তু বুঝিয়েছি। কিন্তু অধিকাংশ লোকই অস্বীকার না করে থাকেনি। (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭ : ৮৯)।
২৮) আমি আপনার প্রতি উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ করেছি। অবাধ্যরা ব্যতীত কেউ এগুলো অস্বীকার করে না। কি আশ্চর্য! যখন তারা কোন অঙ্গীকার-চুক্তিতে আবদ্ধ হয় তখন তাদের একদল চুক্তিপত্র ছুড়ে খুঁড়ে ফেলে। বরং তাদের অধিকাংশ লোকই ঈমানদার নয়। (সূরা বাকারা ২৪ : ৯৯-১০০)
২৯) কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই মূখ। (সূরা আন'আম ৬ : ১১১)
৩০) আর তাদের অধিকাংশ লোককেই আমি প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নকারী রূপে পাইনি, বরং তাদের অধিকাংশ লোককে ফাসিক বা হুকুম অমান্যকারী পেয়েছি। (সূরা আ'রাফ ৭: ১০২)
৩১) তাদের অধিকাংশ লোকই মুশরিক ছিল। (সূরা আর রূম ৩০: ৪২)
৩২)মানুষের মধ্যে অনেক লোকই ফাসিক। (সূরা মায়িদা ৫ : ৪৯)