১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৮
৬. মযবুত ঈমানের শর্ত কী কী?
মযবুত ঈমানের প্রধান শর্ত দুটো
১. শিরুকমুক্ত ঈমান বা নির্ভেজাল তাওহীদ।
২. ঈমানের দাবিদারকে তাগূতের অস্বীকার করতে হবে। সুতরাং মযবুত ঈমানের অধিকারীকে তাওহীদ, শিরুক ও তাগুত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে হবে।
প্রচলিত শিরকের উদাহরণ
১. আমাদের দেশে মানুষের মনগড়া আইন চালু আছে। আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করলে বুঝা গেল যে, মানুষের তৈরি চালু আইনকে মন থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। এসব আইন বৈধ মনে করা যে শিরুক তা অনেকেই বুঝেন না। যারা এসব অবৈধ আইন পরিবর্তন করে আল্লাহর আইন চালু করার চেষ্টা করে, তারা শিরুক থেকে বেঁচে গেল।
২. রিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ। যে পেশাই গ্রহণ করা হোক, ঐ পেশা নিজে রিযিকদাতা নয় বা কোম্পানির মালিক রিযকদাতা নয়। ঐ পেশা নষ্ট হলেও আল্লাহ অন্য উপায়ে রিম্ দিতে সক্ষম। যেমন আমি যে চাকুরী নিয়েছি সেই চাকুরী করতে গিয়ে যদি আমি দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজ কমিয়ে দেই বা বন্ধ করে দেই তাহলে বুঝা গেল যে, আমি আল্লাহকে একমাত্র রিযকদাতা মনে করি না। তার মানে আমি সে চাকরিকেও রিযকদাতা হিসেবে আল্লাহর সাথে শরীক মনি করি। এভাবেই শিরুক ঈমানকে দুর্বল করে। ঈমান শিরুকমুক্ত না হলে মযবুত হতে পারে না। যে চাকরি বাঁচানোর জন্য আল্লাহর পথে সংগ্রাম করা বন্ধ করল, আল্লাহর সাথে তার ঈমানের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল।
৩. আমাদের দেশে অনেক লোক আজমীরে খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) এবং বাগদাদে আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মাযারে গিয়ে তাঁদের নিকট সন্তানের জন্য, বিপদ থেকে উদ্ধার পাবার জন্য, রোগ দূর করে দেয়ার জন্য এবং আরও বিভিন্ন রকম মকসূদ হাসিলের উদ্দেশ্যে দু'আ করে। এসব দু’আ শুধু আল্লাহর দরবারেই করা। প্রয়োজন। বুজুর্গদের মাযারে গিয়ে দু’আ করা সুস্পষ্ট শিরুক। ওখানে গিয়ে আল্লাহর কাছে দু’আ করাও সঠিক নয়। আল্লাহর কাছে চাওয়ার জন্য সেখানে যাওয়া অর্থহীন। মাযার ও কবরের সাথে সম্পর্কিত অনেক রকমের শিরুক ব্যাপকভাবে জনগণের মধ্যে চালু রয়েছে।
১. শিরুকমুক্ত ঈমান বা নির্ভেজাল তাওহীদ।
২. ঈমানের দাবিদারকে তাগূতের অস্বীকার করতে হবে। সুতরাং মযবুত ঈমানের অধিকারীকে তাওহীদ, শিরুক ও তাগুত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে হবে।
প্রচলিত শিরকের উদাহরণ
১. আমাদের দেশে মানুষের মনগড়া আইন চালু আছে। আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করলে বুঝা গেল যে, মানুষের তৈরি চালু আইনকে মন থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। এসব আইন বৈধ মনে করা যে শিরুক তা অনেকেই বুঝেন না। যারা এসব অবৈধ আইন পরিবর্তন করে আল্লাহর আইন চালু করার চেষ্টা করে, তারা শিরুক থেকে বেঁচে গেল।
২. রিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ। যে পেশাই গ্রহণ করা হোক, ঐ পেশা নিজে রিযিকদাতা নয় বা কোম্পানির মালিক রিযকদাতা নয়। ঐ পেশা নষ্ট হলেও আল্লাহ অন্য উপায়ে রিম্ দিতে সক্ষম। যেমন আমি যে চাকুরী নিয়েছি সেই চাকুরী করতে গিয়ে যদি আমি দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজ কমিয়ে দেই বা বন্ধ করে দেই তাহলে বুঝা গেল যে, আমি আল্লাহকে একমাত্র রিযকদাতা মনে করি না। তার মানে আমি সে চাকরিকেও রিযকদাতা হিসেবে আল্লাহর সাথে শরীক মনি করি। এভাবেই শিরুক ঈমানকে দুর্বল করে। ঈমান শিরুকমুক্ত না হলে মযবুত হতে পারে না। যে চাকরি বাঁচানোর জন্য আল্লাহর পথে সংগ্রাম করা বন্ধ করল, আল্লাহর সাথে তার ঈমানের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল।
৩. আমাদের দেশে অনেক লোক আজমীরে খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) এবং বাগদাদে আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মাযারে গিয়ে তাঁদের নিকট সন্তানের জন্য, বিপদ থেকে উদ্ধার পাবার জন্য, রোগ দূর করে দেয়ার জন্য এবং আরও বিভিন্ন রকম মকসূদ হাসিলের উদ্দেশ্যে দু'আ করে। এসব দু’আ শুধু আল্লাহর দরবারেই করা। প্রয়োজন। বুজুর্গদের মাযারে গিয়ে দু’আ করা সুস্পষ্ট শিরুক। ওখানে গিয়ে আল্লাহর কাছে দু’আ করাও সঠিক নয়। আল্লাহর কাছে চাওয়ার জন্য সেখানে যাওয়া অর্থহীন। মাযার ও কবরের সাথে সম্পর্কিত অনেক রকমের শিরুক ব্যাপকভাবে জনগণের মধ্যে চালু রয়েছে।