১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
বিশ্বাসের উপর কিছু বিশ্লেষণ
বিশ্বাস-১ :
শীতকালে যখন খুব ঠাণ্ডা পরে যেমন বাইরে -২০“ (ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড)। এটা আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি এবং যখন বাড়ির বাইরে যাই তখন উপযুক্ত শীতের কাপড় পরে বাইরে যাই, অবশ্যই একটি টি-শার্ট পরে বাইরে যাই না। কারণ এই ক্ষেত্রে বিশ্বাসটা খুবই মজবুত তাই বিশ্বাসের সাথে কাজের মিল রয়েছে, সেজন্য উপযুক্ত গরম কাপড় পরে বাইরে যাচ্ছি।
বিশ্বাস-২ :
আমরা আখিরাতকে বিশ্বাস করি, যেমন মৃত্যু হবে, কিয়ামত হবে, আবার আমাদেরকে উঠানো হবে এবং এই পৃথিবীতে ভাল-মন্দ যা করেছি তার বিচার অনুযায়ী পুরষ্কার ও শাস্তি হিসেবে জান্নাত-জাহান্নাম দেয়া হবে। বিচারে ভাল ফল পেতে হলে এই পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া কুরআনের নির্দেশ মেনে চলতে হবে এবং রসূল (ﷺ) যেভাবে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন ঠিক সেভাবে চলতে হবে। দু’জন ফিরিশতা ২৪ ঘন্টা আমাদের সকল কাজকর্ম লিপিবদ্ধ করছেন। এসবই আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি কিন্তু বাস্তবে তার জন্য আমল করি না। আমরা জানি এই পৃথিবীতে খারাপ কাজ করলে আখিরাতে শাস্তি পেতে হবে তারপরও খারাপ কাজ করি।
বিশ্বাস-১ ও বিশ্বাস-২ এর মধ্যে পার্থক্য কী? বাইরে খুব ঠান্ডা এতটুকু জেনেই গরম কাপড় পরে বের হচ্ছি আর আখিরাতের বিষয়ে এতো দলিল থাকা সত্ত্বেও, এতো জানা সত্ত্বেও আমল করছি না। এই বিষয়ে জরিপ করে দেখা গেছে যে:
• কেউ কেউ মনে করছি যে, পরকালে কী হবে না হবে সেটা তখন দেখা যাবে।
• কেউ কেউ মনে করছি যে, পরকালে কিছু একটা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
• কেউ কেউ মনে করছি যে, পরকালে এসব কিছু হবে না।
• কেউ কেউ মনে করছি জান্নাতে অবশ্যই যাবো।
• কেউ কেউ মনে করছি যাই করি না কেন ঈমান যখন এনেছি তখন এক সময় না এক সময় জান্নাতে যাবেই।
• কেউ কেউ পরকালে কী হবে তা নিয়ে এখন চিন্তা করতে রাজি নই।
• কেউ কেউ পরকাল এবং এই জীবন নিয়ে confused।
বিশ্বাস-৩ :
আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি যে মহান আল্লাহই একমাত্র রিযিক দাতা। কিন্তু বাস্তবে সেটা মানছি না। কথা প্রসঙ্গে বলছি চাকুরী গেলে খাবো কী? অনেক সময় মনে করি বসকে খুশি না রাখলে চাকরী চলে যেতে পারে!
বিশ্বাস-৪:
অনেক সময় আমাদের কোন অসুখ-বিসুখ হলে আমাদের প্রথমেই মনে পরে ডাক্তারের কথা। কিন্তু একজন প্রকৃত ঈমানদারের সর্বপ্রথমে মনে পড়ার কথা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার কথা তারপর ডাক্তার বা ক্লিনিকের কথা। কারণ কোন অসুখ দেয়ার মালিক মহান আল্লাহ এবং তা থেকে মুক্ত করার মালিকও তিনি। তবে প্রথমে আল্লাহর উপর ভরসা রেখে তারপর ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
বিশ্বাস-৫:
একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা। লঞ্চে করে একটি টুরিষ্ট দল সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে ফিরছে। সবাই মিলে ভ্রমণে খুব হৈ-হুল্লা করছে এবং তাস খেলছে। হঠাৎ সমুদ্রের মাঝে এসে ঝড় উঠেছে এবং লঞ্চ প্রায় ডুবে যায় যায় এমন অবস্থা। সকলেই আল্লাহকে ডাকাডাকি শুরু করলো। কেউ কেউ বলতে লাগলো হে আল্লাহ এবারের মতো বাঁচিয়ে দাও, আর আজেবাজে কাজ করবো না, তাস খেলবো না ইত্যাদি। এভাবে চলল বেশ কিছুক্ষণ। যখন ঝড় থেমে গেল এবং সমুদ্রের পারও দেখা যাচ্ছে তখন সবারই সুর পাল্টে গেল, আল্লাহকে আবার তারা ভুলে গেল।
শুধু মুসলিম ঘরে জন্ম নিলেই মুসলিম হওয়া যায়। বাবা মুসলিম, মা মুসলিম, তাই বলে আমিও মুসলিম বিষয়টা তা নয়। প্রত্যেক শিশু মুসলিম হিসেবে জন্মগ্রহণ করে ঠিকই এবং নাবালক বয়স পর্যন্ত মুসলিম থাকে কিন্তু পরবর্তীতে তার মা বাবা-ই তাকে অমুসলিম বানায়।
শীতকালে যখন খুব ঠাণ্ডা পরে যেমন বাইরে -২০“ (ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড)। এটা আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি এবং যখন বাড়ির বাইরে যাই তখন উপযুক্ত শীতের কাপড় পরে বাইরে যাই, অবশ্যই একটি টি-শার্ট পরে বাইরে যাই না। কারণ এই ক্ষেত্রে বিশ্বাসটা খুবই মজবুত তাই বিশ্বাসের সাথে কাজের মিল রয়েছে, সেজন্য উপযুক্ত গরম কাপড় পরে বাইরে যাচ্ছি।
বিশ্বাস-২ :
আমরা আখিরাতকে বিশ্বাস করি, যেমন মৃত্যু হবে, কিয়ামত হবে, আবার আমাদেরকে উঠানো হবে এবং এই পৃথিবীতে ভাল-মন্দ যা করেছি তার বিচার অনুযায়ী পুরষ্কার ও শাস্তি হিসেবে জান্নাত-জাহান্নাম দেয়া হবে। বিচারে ভাল ফল পেতে হলে এই পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া কুরআনের নির্দেশ মেনে চলতে হবে এবং রসূল (ﷺ) যেভাবে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন ঠিক সেভাবে চলতে হবে। দু’জন ফিরিশতা ২৪ ঘন্টা আমাদের সকল কাজকর্ম লিপিবদ্ধ করছেন। এসবই আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি কিন্তু বাস্তবে তার জন্য আমল করি না। আমরা জানি এই পৃথিবীতে খারাপ কাজ করলে আখিরাতে শাস্তি পেতে হবে তারপরও খারাপ কাজ করি।
বিশ্বাস-১ ও বিশ্বাস-২ এর মধ্যে পার্থক্য কী? বাইরে খুব ঠান্ডা এতটুকু জেনেই গরম কাপড় পরে বের হচ্ছি আর আখিরাতের বিষয়ে এতো দলিল থাকা সত্ত্বেও, এতো জানা সত্ত্বেও আমল করছি না। এই বিষয়ে জরিপ করে দেখা গেছে যে:
• কেউ কেউ মনে করছি যে, পরকালে কী হবে না হবে সেটা তখন দেখা যাবে।
• কেউ কেউ মনে করছি যে, পরকালে কিছু একটা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
• কেউ কেউ মনে করছি যে, পরকালে এসব কিছু হবে না।
• কেউ কেউ মনে করছি জান্নাতে অবশ্যই যাবো।
• কেউ কেউ মনে করছি যাই করি না কেন ঈমান যখন এনেছি তখন এক সময় না এক সময় জান্নাতে যাবেই।
• কেউ কেউ পরকালে কী হবে তা নিয়ে এখন চিন্তা করতে রাজি নই।
• কেউ কেউ পরকাল এবং এই জীবন নিয়ে confused।
বিশ্বাস-৩ :
আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি যে মহান আল্লাহই একমাত্র রিযিক দাতা। কিন্তু বাস্তবে সেটা মানছি না। কথা প্রসঙ্গে বলছি চাকুরী গেলে খাবো কী? অনেক সময় মনে করি বসকে খুশি না রাখলে চাকরী চলে যেতে পারে!
বিশ্বাস-৪:
অনেক সময় আমাদের কোন অসুখ-বিসুখ হলে আমাদের প্রথমেই মনে পরে ডাক্তারের কথা। কিন্তু একজন প্রকৃত ঈমানদারের সর্বপ্রথমে মনে পড়ার কথা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার কথা তারপর ডাক্তার বা ক্লিনিকের কথা। কারণ কোন অসুখ দেয়ার মালিক মহান আল্লাহ এবং তা থেকে মুক্ত করার মালিকও তিনি। তবে প্রথমে আল্লাহর উপর ভরসা রেখে তারপর ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
বিশ্বাস-৫:
একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা। লঞ্চে করে একটি টুরিষ্ট দল সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে ফিরছে। সবাই মিলে ভ্রমণে খুব হৈ-হুল্লা করছে এবং তাস খেলছে। হঠাৎ সমুদ্রের মাঝে এসে ঝড় উঠেছে এবং লঞ্চ প্রায় ডুবে যায় যায় এমন অবস্থা। সকলেই আল্লাহকে ডাকাডাকি শুরু করলো। কেউ কেউ বলতে লাগলো হে আল্লাহ এবারের মতো বাঁচিয়ে দাও, আর আজেবাজে কাজ করবো না, তাস খেলবো না ইত্যাদি। এভাবে চলল বেশ কিছুক্ষণ। যখন ঝড় থেমে গেল এবং সমুদ্রের পারও দেখা যাচ্ছে তখন সবারই সুর পাল্টে গেল, আল্লাহকে আবার তারা ভুলে গেল।
শুধু মুসলিম ঘরে জন্ম নিলেই মুসলিম হওয়া যায়। বাবা মুসলিম, মা মুসলিম, তাই বলে আমিও মুসলিম বিষয়টা তা নয়। প্রত্যেক শিশু মুসলিম হিসেবে জন্মগ্রহণ করে ঠিকই এবং নাবালক বয়স পর্যন্ত মুসলিম থাকে কিন্তু পরবর্তীতে তার মা বাবা-ই তাকে অমুসলিম বানায়।