১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৮
দ্বীন প্রতিষ্ঠা বলতে কী বুঝায়?
উপরে আমরা দ্বীন ইসলামের যে বৈশিষ্ট্য দেখলাম, তার আলোকে একথা পরিস্কার হয়েছে যে, দ্বীন মানুষের জীবনের সকল দিক ও বিভাগে আল্লাহ প্রদত্ত রসূল (ﷺ) প্রদর্শিত আদর্শকে পুরোপুরি অনুসরণের নাম, আর এ পুরোপুরি অনুসরণ তখন সম্ভব যখন কোনো দেশে এ দ্বীন বিজয়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
আমাদের বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এ দেশের প্রায় ষোল কোটি মানুষের শতকরা পঁচাশি ভাগ মুসলিম। এ দেশে লক্ষ লক্ষ মসজিদ, হাজার হাজার মাদরাসা এবং আল্লাহ তাআলার ফজলে লাখ লাখ আলেম-ওলামাও আছেন। দেশের বড় বড় কর্তাব্যক্তি বক্তৃতার পূর্বে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম বলেন।
সর্বোপরি দেশের সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর প্রতি ঈমানের সংযোজনও হয়েছিল, আবার বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে।
এতদসত্ত্বেও এখানে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত নেই। যে দেশে দ্বীন প্রতিষ্ঠা হয় সে দেশের শাসক মৌলিকভাবে চারটি কাজে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করে থাকেন :
(১) সলাত প্রতিষ্ঠা করা
(২) যাকাত আদায় ও বণ্টন করা
(৩) ভাল ও সৎকাজের আদেশ দান করা
(৪) অসৎ ও আল্লাহবিরোধী কার্যকলাপ বন্ধ করা।
এ চারটি কাজ করতে গেলে তিনটি অবস্থার উপস্থিতি অপরিহার্য।
১. কুরআন ও সুন্নাহর আইন রাষ্ট্রীয়রূপে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
২. উক্ত কুরআন সুন্নাহর আলোকে দেশ পরিচালনায় উপযুক্ত প্রশাসন কাঠামো এবং সৎ, আল্লাহভীরু ও যোগ্য প্রশাসক মন্ডলী।
৩. জনগণকে আল্লাহর আইন মেনে চলার উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রচার ব্যবস্থা।
আমাদের দেশে পূর্বোল্লেখিত দ্বীনের চারটি মৌলিক কাজে রাষ্ট্রশক্তির ভূমিকাতো দূরের কথা, পরোক্ষ সমর্থনও নেই বরং আরো তিক্ত সত্য হলো, রাষ্ট্রশক্তি কোথাও পরোক্ষ, কোথাও প্রত্যক্ষভাবে ঐ চারটি কাজে মুসলিমদেরকে নিরুৎসাহিত এমনকি বাঁধাগ্রস্তও করে থাকে। দেশের আইন, প্রশাসন, বিচার পদ্ধতি তথা যাবতীয় কার্যক্রম চলবে আল্লাহ ছাড়া অন্যের বিধানমতে আর সেখানে এই মানুষের বিধান দ্বীন ইসলামের কাজ করার যতটুকু সুযোগ দেয় কেবল এতটুকু ইসলাম থাকাকে দ্বীন প্রতিষ্ঠা থাকা বলে না। ইসলাম এমন অবস্থা ও পরিস্থিতিকে মেনে নেয়ার জন্য কখনও প্রস্তুত নয়। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে এর স্বপক্ষে কোনো অনুমোদন বা সমর্থন নেই।
আল্লাহর নির্দেশঃ
“মিথ্যা দ্বীনের ধারক-বাহকদের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখ যতক্ষণ না ফিতনাসমূহ উৎখাত হয় এবং সামগ্রিক ব্যবস্থা আল্লাহর বিধানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।” (সূরা আল বাকারা ২: ১৯৩)
আমাদের বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এ দেশের প্রায় ষোল কোটি মানুষের শতকরা পঁচাশি ভাগ মুসলিম। এ দেশে লক্ষ লক্ষ মসজিদ, হাজার হাজার মাদরাসা এবং আল্লাহ তাআলার ফজলে লাখ লাখ আলেম-ওলামাও আছেন। দেশের বড় বড় কর্তাব্যক্তি বক্তৃতার পূর্বে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম বলেন।
সর্বোপরি দেশের সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর প্রতি ঈমানের সংযোজনও হয়েছিল, আবার বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে।
এতদসত্ত্বেও এখানে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত নেই। যে দেশে দ্বীন প্রতিষ্ঠা হয় সে দেশের শাসক মৌলিকভাবে চারটি কাজে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করে থাকেন :
(১) সলাত প্রতিষ্ঠা করা
(২) যাকাত আদায় ও বণ্টন করা
(৩) ভাল ও সৎকাজের আদেশ দান করা
(৪) অসৎ ও আল্লাহবিরোধী কার্যকলাপ বন্ধ করা।
এ চারটি কাজ করতে গেলে তিনটি অবস্থার উপস্থিতি অপরিহার্য।
১. কুরআন ও সুন্নাহর আইন রাষ্ট্রীয়রূপে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
২. উক্ত কুরআন সুন্নাহর আলোকে দেশ পরিচালনায় উপযুক্ত প্রশাসন কাঠামো এবং সৎ, আল্লাহভীরু ও যোগ্য প্রশাসক মন্ডলী।
৩. জনগণকে আল্লাহর আইন মেনে চলার উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রচার ব্যবস্থা।
আমাদের দেশে পূর্বোল্লেখিত দ্বীনের চারটি মৌলিক কাজে রাষ্ট্রশক্তির ভূমিকাতো দূরের কথা, পরোক্ষ সমর্থনও নেই বরং আরো তিক্ত সত্য হলো, রাষ্ট্রশক্তি কোথাও পরোক্ষ, কোথাও প্রত্যক্ষভাবে ঐ চারটি কাজে মুসলিমদেরকে নিরুৎসাহিত এমনকি বাঁধাগ্রস্তও করে থাকে। দেশের আইন, প্রশাসন, বিচার পদ্ধতি তথা যাবতীয় কার্যক্রম চলবে আল্লাহ ছাড়া অন্যের বিধানমতে আর সেখানে এই মানুষের বিধান দ্বীন ইসলামের কাজ করার যতটুকু সুযোগ দেয় কেবল এতটুকু ইসলাম থাকাকে দ্বীন প্রতিষ্ঠা থাকা বলে না। ইসলাম এমন অবস্থা ও পরিস্থিতিকে মেনে নেয়ার জন্য কখনও প্রস্তুত নয়। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে এর স্বপক্ষে কোনো অনুমোদন বা সমর্থন নেই।
আল্লাহর নির্দেশঃ
“মিথ্যা দ্বীনের ধারক-বাহকদের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখ যতক্ষণ না ফিতনাসমূহ উৎখাত হয় এবং সামগ্রিক ব্যবস্থা আল্লাহর বিধানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।” (সূরা আল বাকারা ২: ১৯৩)