১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
তৃতীয় কারণ : আল্লাহর সিফাতসমুহকে বা সুন্দর নামসমুহ অস্বীকার করা বা তাতে কোন সন্দেহ পোষণ করা
১) ঈমান নষ্টকারী আমলের মধ্যে আছে, কোন মুমিন কর্তৃক আল্লাহর সুন্দর নাম বা সিফাতসমূহকে অস্বীকার করা যা কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। যেমন- আল্লাহ যে সর্বজ্ঞাত তা অস্বীকার করা, অথবা তার। কুদরতকে বা তার জীবনকে বা শোনা বা দেখাকে বা তার রহমতকে অথবা তিনি যে আরশের উপর আছেন তাকে অথবা তিনি যে দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ হন তাকে অথবা তার হাতকে অথবা চক্ষুদ্বয়কে অথবা অন্যান্য যে সিফাতসমূহ আছে তা কোনটি অস্বীকার করা। আবার তা স্বীকার করতে যেয়ে তার কোন বিষয়কে কোন মাখলুকের সাথে তুলনা করা যাবে না। কারণ আল্লাহ বলেনঃ “তার মত কিছু নেই, কিন্তু তিনি শুনেন ও দেখেন।” (সূরা শূরা ৪২: ১১)
আল্লাহ স্পষ্টভাবে এই আয়াতে বলেছেন যে, তার সাথে কোন সৃষ্টির কোন মিল নেই। কিন্তু তার যে শোনার ও দেখার ক্ষমতা আছে তা তিনি বর্ণনা করেছেন। অন্যান্য সিফাতও একই রকম। আল্লাহ তার নিজের জন্য বিশেষ করে এমন কিছু সিফাত রেখেছেন যা তার মাখলুকের কারো মধ্যেই নেই। যেমন গায়েবের এলেম। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন :
وعده مفاتح الغيب لا يعلمها إلاهو
“আর তার নিকট আছে সমস্ত গায়েবের চাবি কাঠি যা অন্য কেউ জানে না।” (সূরা আন'আম ৬ : ৫৯)
আর আল্লাহ তার রসূলদের মাঝে মাঝে কিছু গায়েবের কথা জানিয়েছেন ওহীর মাধ্যমে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন-
عالية الغيب فلا يظهر على عبير أحدا إمي اتى من سشول
“তিনি গায়েবের ইলম রাখেন। আর গায়েবী কথা তিনি কারো কাছে প্রকাশ করেন না। (অবশ্য) ঐ রসূল ছাড়া, যাকে (গায়েবী ইলম দেয়ার জন্য) তিনি পছন্দ করে নিয়েছেন।” (সূরা জিন ৭২ : ২৬-২৭)
কেউ কেউ রসূল (ﷺ) সম্পর্কে বলেন : “নিশ্চয়ই আমার দয়াতেই দুনিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং চলমান। আর আমার ইলম হতেই ওহে মাহফুজ ও কলমের ইলম। এই ধরনের কথা সম্পূর্ণরূপে ভুল এবং শিরক, সত্যিকারভাবে দুনিয়া ও আখিরাতের সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহ কর্তৃক ও তারই দয়ায়। তা রসূল (ﷺ) - এর দয়ায় বা তার সৃষ্টির কারণে অবশ্যই হয়নি। নিশ্চয়ই রসূল (ﷺ) লওহে মাহফুজে কী আছে তা জানেন না, আর কলম দ্বারা কী লেখা হয়েছে তাও তিনি জানেন না। কারণ এগুলো হচ্ছে এমন গায়েব যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানে না।
এই সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
ل لا يعله من في السموات و الأرض الغيب إلا الله
“হে নবী! আপনি বলুন, আসমান ও জমিনের গায়েব কেউ জানে না আল্লাহ ব্যতীত।” (সূরা নামল ২৭ : ৬৫)।
আর অলী-আউলিয়াদের তো প্রশ্নই উঠে না যে, তারা গায়েব জানবে। আর ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ রসূলদের যে গায়েবের খবর দিতেন তাও তারা জানতে পারে না। কারণ, ওই কখনও আউলিয়াদের উপর অবতীর্ণ হয় না। ওহী শুধু নবী-রসূলদের উপর অবতীর্ণ হত। তাই, যে ব্যক্তিই দাবী করবে যে, সে এলমে গায়েব জানে আর যারা তাদের বিশ্বাস করবে, উভয় দলেরই ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে।
এ সম্পর্কে রসূল (ﷺ) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি কোন গায়েব জানার দাবীদার ব্যক্তি বা গণকের (যারা হাত দেখে) নিকট যাবে এবং তারা যা বলে তা বিশ্বাস করবে তবে সে যেন মুহাম্মাদ (ﷺ) -এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাকে অস্বীকার করে কুফুরি করল।” (আহমদ)। এই জাতীয় এলমে গায়েব জানার দাবীদার ও চরম মিথ্যাবাদী লোকেরা যা বলে তা হচ্ছে তাদের ধারণা, এবং শয়তানের ধোকাবাজী। যদি তারা সত্যিই সত্যবাদী হত তবে ইহুদীদের গোপন কথাগুলো আমাদের জানিয়ে দিত। আর জমিনের গুপ্তধনসমূহ বের করে দিত। আর এভাবেই তারা মানুষদের উপর বোঝা হয়ে পড়েছে আর ভন্ডামীর মাধ্যমে তাদের পয়সা গ্রহণ করছে।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর ব্যাপারে কোন খারাপ ধারণা ঈমান নষ্ট করে।
আল্লাহ স্পষ্টভাবে এই আয়াতে বলেছেন যে, তার সাথে কোন সৃষ্টির কোন মিল নেই। কিন্তু তার যে শোনার ও দেখার ক্ষমতা আছে তা তিনি বর্ণনা করেছেন। অন্যান্য সিফাতও একই রকম। আল্লাহ তার নিজের জন্য বিশেষ করে এমন কিছু সিফাত রেখেছেন যা তার মাখলুকের কারো মধ্যেই নেই। যেমন গায়েবের এলেম। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন :
وعده مفاتح الغيب لا يعلمها إلاهو
“আর তার নিকট আছে সমস্ত গায়েবের চাবি কাঠি যা অন্য কেউ জানে না।” (সূরা আন'আম ৬ : ৫৯)
আর আল্লাহ তার রসূলদের মাঝে মাঝে কিছু গায়েবের কথা জানিয়েছেন ওহীর মাধ্যমে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন-
عالية الغيب فلا يظهر على عبير أحدا إمي اتى من سشول
“তিনি গায়েবের ইলম রাখেন। আর গায়েবী কথা তিনি কারো কাছে প্রকাশ করেন না। (অবশ্য) ঐ রসূল ছাড়া, যাকে (গায়েবী ইলম দেয়ার জন্য) তিনি পছন্দ করে নিয়েছেন।” (সূরা জিন ৭২ : ২৬-২৭)
কেউ কেউ রসূল (ﷺ) সম্পর্কে বলেন : “নিশ্চয়ই আমার দয়াতেই দুনিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং চলমান। আর আমার ইলম হতেই ওহে মাহফুজ ও কলমের ইলম। এই ধরনের কথা সম্পূর্ণরূপে ভুল এবং শিরক, সত্যিকারভাবে দুনিয়া ও আখিরাতের সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহ কর্তৃক ও তারই দয়ায়। তা রসূল (ﷺ) - এর দয়ায় বা তার সৃষ্টির কারণে অবশ্যই হয়নি। নিশ্চয়ই রসূল (ﷺ) লওহে মাহফুজে কী আছে তা জানেন না, আর কলম দ্বারা কী লেখা হয়েছে তাও তিনি জানেন না। কারণ এগুলো হচ্ছে এমন গায়েব যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানে না।
এই সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
ل لا يعله من في السموات و الأرض الغيب إلا الله
“হে নবী! আপনি বলুন, আসমান ও জমিনের গায়েব কেউ জানে না আল্লাহ ব্যতীত।” (সূরা নামল ২৭ : ৬৫)।
আর অলী-আউলিয়াদের তো প্রশ্নই উঠে না যে, তারা গায়েব জানবে। আর ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ রসূলদের যে গায়েবের খবর দিতেন তাও তারা জানতে পারে না। কারণ, ওই কখনও আউলিয়াদের উপর অবতীর্ণ হয় না। ওহী শুধু নবী-রসূলদের উপর অবতীর্ণ হত। তাই, যে ব্যক্তিই দাবী করবে যে, সে এলমে গায়েব জানে আর যারা তাদের বিশ্বাস করবে, উভয় দলেরই ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে।
এ সম্পর্কে রসূল (ﷺ) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি কোন গায়েব জানার দাবীদার ব্যক্তি বা গণকের (যারা হাত দেখে) নিকট যাবে এবং তারা যা বলে তা বিশ্বাস করবে তবে সে যেন মুহাম্মাদ (ﷺ) -এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাকে অস্বীকার করে কুফুরি করল।” (আহমদ)। এই জাতীয় এলমে গায়েব জানার দাবীদার ও চরম মিথ্যাবাদী লোকেরা যা বলে তা হচ্ছে তাদের ধারণা, এবং শয়তানের ধোকাবাজী। যদি তারা সত্যিই সত্যবাদী হত তবে ইহুদীদের গোপন কথাগুলো আমাদের জানিয়ে দিত। আর জমিনের গুপ্তধনসমূহ বের করে দিত। আর এভাবেই তারা মানুষদের উপর বোঝা হয়ে পড়েছে আর ভন্ডামীর মাধ্যমে তাদের পয়সা গ্রহণ করছে।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর ব্যাপারে কোন খারাপ ধারণা ঈমান নষ্ট করে।