১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
কী কী কারণে ঈমান ও ইসলাম নষ্ট হয়ে যায়?
এমন কোন ভ্রান্ত বিশ্বাস, এমন কোন ভ্রান্ত কথা, এমন কোন কাজকর্ম যা সরাসরি কুরআন এবং সুন্নাহ বিরোধী, এবং যে সকল বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ ও তাঁর রসূল (ﷺ) ঈমান বা ইসলাম ভঙ্গকারী বলে আখ্যায়িত করেছেন, সেগুলোকে কুফরী, শিরকী কাজ বলে, ইসলাম থেকে বহিস্কৃত কাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন সেগুলো হচ্ছে ঈমান বা ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়। আর যার মধ্যে ইসলামের সেই আকীদা (বিশ্বাস) নেই, বিশ্বাসের সাথে কাজের মিল নেই সে মুসলিম নয়।
অথবা তার মধ্যে বিশ্বাস আছে কিন্তু কর্মে উল্টো করছে, ইসলামী বিষয় নাকচ করে দিচ্ছে, উল্টো যুক্তি দেখাচ্ছে সেজন্য তার ঈমান থাকবে না। তাই ঈমান বা ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়ে আমাদের জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরী। কারণ আজকাল মুসলিম দেশে মুসলিমরাই বেশী ইসলাম বিরোধী কথা-বার্তা বলছে। ইসলামের শত্রুরা মুসলিম দেশের মুসলিম নামধারী মুনাফিকদের দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কলম ধরিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা-ফেইসবুকে লেখালেখি করাচ্ছে, বিভিন্ন টকশোতে ইসলামের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়াচ্ছে।
ইসলাম ধবংসকারী বিষয় দুই রকম আছে। কতক আকীদা ও কতক আমলী বিষয়। যেমন কিছু আছে ধর্ম মনে করে করা হয় না বরং ধর্মের বিরোধিতার উদ্দেশ্যে করা হয়। যেমন ইসলামের বিরুদ্ধে এই বক্তব্য ঐ বক্তব্য ইত্যাদি :
কেউ যদি বলে ইসলামে নারীদের অধিকার ক্ষুন্ন করা হয়েছে, নারীদের সাথে বৈরী আচরণ করা হয়েছে, তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
মানব রচিত দলই উত্তম এটা মনে করলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করলে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি বলে যে আমি সব মানি কিন্তু কুরবানী মানি না, বা সব মানি কিন্তু হাজ্জ মানি না বা সব মানি কিন্তু রোযা মানি না বা সব মানি কিন্তু পর্দা মানি না। তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি বলে আমি ধর্ম-টর্ম মানি না তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি মনে করে যে কুরআনের আইনের চেয়ে মানব রচিত আইন ভাল তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি বলে কুরআন চৌদ্দশত বছর আগের পুরানো, এ দিয়ে কি আর আজকাল চলে! তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি মনে করে বা বলে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে দেশ চৌদ্দশত বছর পিছিয়ে যাবে তাহলে যে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি মনে করে বা বলে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে দেশ জাহিলিয়াতের যুগে চলে যাবে তাহলে যে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি শরীয়াতের কোন একটি বা একাধিক বিষয়কে ঘৃণা করে তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
যে যে কারণে মুসলিম ব্যক্তির ঈমান এবং ইসলাম বিনষ্ট হয়ে যায় বা মুসলিম ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় তা নিমে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো।
অথবা তার মধ্যে বিশ্বাস আছে কিন্তু কর্মে উল্টো করছে, ইসলামী বিষয় নাকচ করে দিচ্ছে, উল্টো যুক্তি দেখাচ্ছে সেজন্য তার ঈমান থাকবে না। তাই ঈমান বা ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়ে আমাদের জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরী। কারণ আজকাল মুসলিম দেশে মুসলিমরাই বেশী ইসলাম বিরোধী কথা-বার্তা বলছে। ইসলামের শত্রুরা মুসলিম দেশের মুসলিম নামধারী মুনাফিকদের দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কলম ধরিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা-ফেইসবুকে লেখালেখি করাচ্ছে, বিভিন্ন টকশোতে ইসলামের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়াচ্ছে।
ইসলাম ধবংসকারী বিষয় দুই রকম আছে। কতক আকীদা ও কতক আমলী বিষয়। যেমন কিছু আছে ধর্ম মনে করে করা হয় না বরং ধর্মের বিরোধিতার উদ্দেশ্যে করা হয়। যেমন ইসলামের বিরুদ্ধে এই বক্তব্য ঐ বক্তব্য ইত্যাদি :
কেউ যদি বলে ইসলামে নারীদের অধিকার ক্ষুন্ন করা হয়েছে, নারীদের সাথে বৈরী আচরণ করা হয়েছে, তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
মানব রচিত দলই উত্তম এটা মনে করলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করলে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি বলে যে আমি সব মানি কিন্তু কুরবানী মানি না, বা সব মানি কিন্তু হাজ্জ মানি না বা সব মানি কিন্তু রোযা মানি না বা সব মানি কিন্তু পর্দা মানি না। তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি বলে আমি ধর্ম-টর্ম মানি না তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি মনে করে যে কুরআনের আইনের চেয়ে মানব রচিত আইন ভাল তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি বলে কুরআন চৌদ্দশত বছর আগের পুরানো, এ দিয়ে কি আর আজকাল চলে! তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি মনে করে বা বলে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে দেশ চৌদ্দশত বছর পিছিয়ে যাবে তাহলে যে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি মনে করে বা বলে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে দেশ জাহিলিয়াতের যুগে চলে যাবে তাহলে যে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কেউ যদি শরীয়াতের কোন একটি বা একাধিক বিষয়কে ঘৃণা করে তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
যে যে কারণে মুসলিম ব্যক্তির ঈমান এবং ইসলাম বিনষ্ট হয়ে যায় বা মুসলিম ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় তা নিমে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো।