১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১৫
সেকুলারিজম কি মুসলিম সমাজে গ্রহণযোগ্য?
পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে সেকুলারিজম ধর্মহীনতা বিকাশের কোনো কারণ যদি থেকেও থাকে, কোনো মুসলিম দেশে তা বিকাশের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। কেননা কোনো খ্রিস্টানকে যখন মানবরচিত সিভিল ল' দিয়ে শাসন করা হয় তখন সে বিরক্ত হয় না। কারণ এতে করে সে এমন কোনো কিছুকে অকেজো করছে না যা মান্য করা তার ধর্ম তার উপর আবশ্যক করে দিয়েছেঃ কেননা তাঁর ধর্মে জীবনবিধান হিসেবে কিছু অবশিষ্ট নেই। কিন্তু মুসলিমের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। মুসলিমের ঈমানই তাঁকে আল্লাহর আইনের শাসন গ্রহণে বাধ্য করে।
তাছাড়া - যেমন ড. ইউসুফ আল-কারাদাভী বলেন- ধর্ম থেকে রাজনীতিকে বিচ্ছিন্ন রাখা হলেও খ্রিস্টান ধর্ম তার প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতাতে অটুট থাকবে এবং খ্রিস্টান ধর্মরক্ষী পোপ, ফাদার, মাদার ও ধর্মপ্রচারকগণ বিনা প্রতিবন্ধকতায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। পক্ষান্তরে মুসলিম দেশে যদি এ মতবাদ চালু করা হয় তাহলে ইসলাম শক্তিহীন ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। কারণ ইসলাম কোনো ব্যক্তির জন্য পোপ, যাজক, এক্লিউরিস-এর মত আধিপত্য অনুমোদন করে না। ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রাদিআল্লাহু আনহু) ঠিকই বলেছেন- “আল্লাহ শাসককে দিয়ে যা বাস্তবায়ন করান, কুরআন দিয়ে তা বাস্তবায়ন করান না।”
তাছাড়া - যেমন ড. ইউসুফ আল-কারাদাভী বলেন- ধর্ম থেকে রাজনীতিকে বিচ্ছিন্ন রাখা হলেও খ্রিস্টান ধর্ম তার প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতাতে অটুট থাকবে এবং খ্রিস্টান ধর্মরক্ষী পোপ, ফাদার, মাদার ও ধর্মপ্রচারকগণ বিনা প্রতিবন্ধকতায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। পক্ষান্তরে মুসলিম দেশে যদি এ মতবাদ চালু করা হয় তাহলে ইসলাম শক্তিহীন ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। কারণ ইসলাম কোনো ব্যক্তির জন্য পোপ, যাজক, এক্লিউরিস-এর মত আধিপত্য অনুমোদন করে না। ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রাদিআল্লাহু আনহু) ঠিকই বলেছেন- “আল্লাহ শাসককে দিয়ে যা বাস্তবায়ন করান, কুরআন দিয়ে তা বাস্তবায়ন করান না।”