১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
কালিমার অর্থ বুঝার প্রয়োজনীয়তা
আমরা যেভাবে কালিমা পড়ি আর সাপুড়েরা যেভাবে সাপের মন্ত্র পড়ে এই দুই পড়ার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। সাপুড়েদের যেমন সাপের মত্রের কোন অর্থ জানার দরকার হয় না শুধু মন্ত্র পড়ে ঝাড়-ফুক করলেই বিষ নেমে যায়, আমাদের যেন তেমনই কালিমার অর্থ জানার কোন দরকার হয় না। আমরা মনে করি, বিষ নামানো মন্ত্র পড়ে ঝাড়-ফুক করলে যেমন সাপের বিষ নামতে বাধ্য ঠিক তেমনই কালিমা পড়লে জাহান্নামের আগুন নিভে যেতে বাধ্য। আসলে এটা আমাদের সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। যেমন কোন বাংলাভাষীকে যদি আরবীতে খবর দেয়া হয় যে, “মাতাত উম্মুক”। তবে তার মধ্যে কোনই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে না, কিন্তু যদি ঐ খবরটাকেই বাংলায় বলা হয় যে, তোমার মা মারা গেছেন তাহলে সে যে অস্থির হয়ে কান্না শুরু করবে তা কোন শব্দের কারণে নয়, তা বোধগম্য অর্থবোধক শব্দের মাধ্যমে পাওয়া খবরের কারণে।
তাহলে এর থেকে বুঝা গেল অর্থ না বুঝে মা মরা সংবাদ শুনলে যেমন সে মায়ের সন্তানের মনে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না তেমন অর্থ না বুঝে কালিমা পড়লেও সে কালিমা পড়া মুসলিমের মনে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে না। মুসলিম হওয়া ও মুসলিম থাকার জন্য কালিমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন যে কত প্রয়োজন তা অর্থ না জানলে কিছুতেই বুঝে আসতে পারে না এবং সে অর্থ হালকাভাবে জানলেও চলবে না, জানতে হবে স্পষ্টভাবে ও পূর্ণ ব্যাখ্যা সহকারে।
তাহলে এর থেকে বুঝা গেল অর্থ না বুঝে মা মরা সংবাদ শুনলে যেমন সে মায়ের সন্তানের মনে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না তেমন অর্থ না বুঝে কালিমা পড়লেও সে কালিমা পড়া মুসলিমের মনে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে না। মুসলিম হওয়া ও মুসলিম থাকার জন্য কালিমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন যে কত প্রয়োজন তা অর্থ না জানলে কিছুতেই বুঝে আসতে পারে না এবং সে অর্থ হালকাভাবে জানলেও চলবে না, জানতে হবে স্পষ্টভাবে ও পূর্ণ ব্যাখ্যা সহকারে।