১
ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৪
মানুষের পথভ্রষ্ট হওয়ার প্রথম পথ :
মানুষকে পথভ্রষ্ট করার প্রথম পথ হচ্ছে মানুষের নিজের নফসের ইচ্ছা। আল্লাহর দেয়া বিধান পরিত্যাগ করে যে ব্যক্তি নিজের নফসের ইচ্ছামত চলে। তার অপেক্ষা অধিক গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে? এ ধরনের যালিম লোকদেরকে আল্লাহ কখনই সৎপথের সন্ধান দেন না।
এর অর্থ এই যে, মানুষকে গোমরাহ করার মতো যত জিনিস আছে তার মধ্যে মানুষের নফসই হচ্ছে তার সর্বপ্রধান পথভ্রষ্টকারী শক্তি। যে ব্যক্তি নিজের ইচ্ছার দাসত্ব করবে, আল্লাহর বান্দা হওয়া তার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। কারণ যে কাজে টাকা পাওয়া যাবে, যে কাজ করলে সুনাম ও সম্মান হবে, যে জিনিসে অধিক স্বাদ ও আনন্দ লাভ করা যাবে, আরাম ও সুখ যে কাজে অধিক মিলবে সে কেবল সেসব কাজের সন্ধান করবে এবং যেসব কাজে তা দেখতে পাবে, কেবল সে কাজই করতে সে প্রাণপণ চেষ্টা করবে। সেসব কাজ করতে যদি আল্লাহ নিষেধও করে থাকেন, তবুও সে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করবে না। আর এসব জিনিস যেসব কাজে পাওয়া যাবে না সেসব কাজ করতে সে কখনও প্রস্তুত হবে না। আল্লাহ যদি সেই কাজের নির্দেশ দিয়ে থাকেন তবুও সে তার কিছুমাত্র পরোয়া করবে না।
এমতাবস্থায় একথা পরিষ্কার করে বলা যেতে পারে যে, সে আল্লাহকে তার রব হিসেবে স্বীকার করেনি বরং তার নফসকেই সে তার একমাত্র রবের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। কাজেই এমন ব্যক্তি কোনো প্রকারে আল্লাহর হিদায়াত লাভ করতে পারে না। কুরআনে একথা অন্যত্র এভাবে বলা
أن أيت من احد إلهه هوا انك تكون علي وكيلا أم تحسب أ أره يشمعون أو يقولون إن هة إلا انعام بل هة أقل سبيلا
“(হে নবী!) যে ব্যক্তি নিজের নফসের ইচ্ছাকে নিজের আল্লাহ বানিয়ে নিয়েছে, তুমি কি তার সম্পর্কে ভেবে দেখেছ? তুমি কি এ ধরনের মানুষের পাহারাদারী করতে পার? তুমি কি মনে কর যে, এদের মধ্যে অনেক লোকই (তোমার দাওয়াত) শোনে এবং বুঝে? কখনও নয়। এরা তো একেবারে জন্তু জানোয়ারের মত বরং তা অপেক্ষাও এরা নিকৃষ্ট।” (সূরা ফুরকান ২৫ : ৪৩ , ৪৪)
যে ব্যক্তি নিজের নফসের দাস, সে যে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট তাতে কোনো প্রকার সন্দেহ থাকতে পারে না। কোনো পশুকে আমরা আল্লাহর নির্ধারিত সীমালংঘন করতে দেখবো না। প্রত্যেক পশু সেই জিনিসই আহার করে যা আল্লাহ তার জন্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং ঠিক সেই পরিমাণ খাদ্য খায় যে পরিমাণ তার। জন্য নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। আর যে পশুর জন্য যত কাজ নির্দিষ্ট করা হয়েছে প্রত্যেক পশু সে কাজই করে যায়। কিন্তু এ মানুষ এমনই এক শ্রেণীর জীব যে, সে যখন নফসের দাস হয়ে যায়, তখন সে এমন সব কাজ করে যা দেখে শয়তানও ভয় পেয়ে যায়।
এর অর্থ এই যে, মানুষকে গোমরাহ করার মতো যত জিনিস আছে তার মধ্যে মানুষের নফসই হচ্ছে তার সর্বপ্রধান পথভ্রষ্টকারী শক্তি। যে ব্যক্তি নিজের ইচ্ছার দাসত্ব করবে, আল্লাহর বান্দা হওয়া তার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। কারণ যে কাজে টাকা পাওয়া যাবে, যে কাজ করলে সুনাম ও সম্মান হবে, যে জিনিসে অধিক স্বাদ ও আনন্দ লাভ করা যাবে, আরাম ও সুখ যে কাজে অধিক মিলবে সে কেবল সেসব কাজের সন্ধান করবে এবং যেসব কাজে তা দেখতে পাবে, কেবল সে কাজই করতে সে প্রাণপণ চেষ্টা করবে। সেসব কাজ করতে যদি আল্লাহ নিষেধও করে থাকেন, তবুও সে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করবে না। আর এসব জিনিস যেসব কাজে পাওয়া যাবে না সেসব কাজ করতে সে কখনও প্রস্তুত হবে না। আল্লাহ যদি সেই কাজের নির্দেশ দিয়ে থাকেন তবুও সে তার কিছুমাত্র পরোয়া করবে না।
এমতাবস্থায় একথা পরিষ্কার করে বলা যেতে পারে যে, সে আল্লাহকে তার রব হিসেবে স্বীকার করেনি বরং তার নফসকেই সে তার একমাত্র রবের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। কাজেই এমন ব্যক্তি কোনো প্রকারে আল্লাহর হিদায়াত লাভ করতে পারে না। কুরআনে একথা অন্যত্র এভাবে বলা
أن أيت من احد إلهه هوا انك تكون علي وكيلا أم تحسب أ أره يشمعون أو يقولون إن هة إلا انعام بل هة أقل سبيلا
“(হে নবী!) যে ব্যক্তি নিজের নফসের ইচ্ছাকে নিজের আল্লাহ বানিয়ে নিয়েছে, তুমি কি তার সম্পর্কে ভেবে দেখেছ? তুমি কি এ ধরনের মানুষের পাহারাদারী করতে পার? তুমি কি মনে কর যে, এদের মধ্যে অনেক লোকই (তোমার দাওয়াত) শোনে এবং বুঝে? কখনও নয়। এরা তো একেবারে জন্তু জানোয়ারের মত বরং তা অপেক্ষাও এরা নিকৃষ্ট।” (সূরা ফুরকান ২৫ : ৪৩ , ৪৪)
যে ব্যক্তি নিজের নফসের দাস, সে যে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট তাতে কোনো প্রকার সন্দেহ থাকতে পারে না। কোনো পশুকে আমরা আল্লাহর নির্ধারিত সীমালংঘন করতে দেখবো না। প্রত্যেক পশু সেই জিনিসই আহার করে যা আল্লাহ তার জন্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং ঠিক সেই পরিমাণ খাদ্য খায় যে পরিমাণ তার। জন্য নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। আর যে পশুর জন্য যত কাজ নির্দিষ্ট করা হয়েছে প্রত্যেক পশু সে কাজই করে যায়। কিন্তু এ মানুষ এমনই এক শ্রেণীর জীব যে, সে যখন নফসের দাস হয়ে যায়, তখন সে এমন সব কাজ করে যা দেখে শয়তানও ভয় পেয়ে যায়।