১
উসমান (রাঃ) রাঃ সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ মূল আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৩
১০০. পরামর্শের সিদ্ধান্ত
আমর ইবনে মাইমুনা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর যখন আবু লুলু কর্তৃক যখম হন। তখন সাহাবারা তাকে বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন! আপনার স্থলাভিষিক্ত করার ব্যাপারে আমাদেরকে উপদেশ দিন। উমর ও বললেন, এ ব্যাপারে আমি এ দলের চেয়ে অন্য কাউকে অধিক যোগ্য হিসেবে মনে করি না। কেননা রাসূল (ﷺ) , এদের উপর সন্তুষ্ট থাকাবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। অতঃপর তিনি আলী (রাঃ), ত্বালহা, উসমান (রাঃ), যুবাইর, আব্দুর রহমান ইবনে আওফ এবং সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস -এর নাম ঘোষণা করলেন। অথচ আব্দুল্লাহ ইবনে উমর সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তার ব্যাপারে কোনো কিছুই বললেন না।
তবে তাকে সান্তনা দেয়া হলো যে, যদি সা’দ নেতৃত্ব গ্রহণ করে তাহলে তিনিই খলিফা হবেন। আর যদি তিনি নেতৃত্ব গ্রহণ না করেন তবে তার দ্বারা এ কাজে সাহায্য নেয়া হবে। যখন তিনি মারা গেলেন এবং তার দাফন কাফন সম্পন্ন করা হলো তখন ঐ দলটি ফিরে এসে একত্রিত হলো। অতঃপর আব্দুর রহমান ও বললেন, এ বিষয়টি তোমরা তোমাদের মধ্য হতে তিনজনের মধ্যে ন্যস্ত কর। তখন যুবাইর ও বললেন, আমার বিষয়টি আমি আলী (রাঃ) এর উপর ন্যস্ত করলাম। আর সা'দ বললেন, আমি আমার বিষয়টি আব্দুর রহমান -এর উপর অর্পণ করলাম। আর ত্বলহা (রাঃ) বললেন, আমি আমার বিষয়টি উসমান (রাঃ) -এর উপর অর্পণ করলাম। অতঃপর ঐ তিনজন আলী (রাঃ), উসমান (রাঃ) ও আব্দুর রহমান এ থেকে পৃথক হয়ে গেলেন। তখন আব্দুর রহমান অপর দুজনকে বললেন, তোমাদের মধ্যে কে কিতাবুল্লাহ, সুন্নাতে রাসূল (ﷺ) এবং আবু বকর (রাঃ) ও উমর এর সুন্নাতের আনুগত্যের উপর শপথ নেবে? এবং কে উম্মতের সমস্যাবলীর সমাধান করতে পারবে? যে পারবে তাকে দায়িত্ব দেয়া হবে। অতঃপর আলী (রাঃ) এবং উসমান (রাঃ) উভয়ই নীরব থেকে গেলেন। তখন আব্দুর রহমান ও বললেন, তোমরা কি এ ব্যাপারে আমার উপর নির্ভর করতে পার? আল্লাহর শপথ! তোমরা আমার উপর দায়িত্ব ছেড়ে দাও। তখন উভয়েই বললেন, হ্যা। অতঃপর তিনি আলী (রাঃ) এর হাত ধরলেন।
অতঃপর বললেন, আপনি এ ব্যাপারে অধিক হকদার। কেননা, আপনি প্রথমযুগে ইসলাম গ্রহণকারী, আর আল্লাহ আপনাকে এ ব্যাপারে জ্ঞান দান করেছেন। আপনি যদি কোনো কিছু আদেশ করেন তবে অবশ্যই আপনি ন্যায়ভাবে আদেশ করবেন। আর আপনি যদি আমাদেরকে কোনো কিছু আদেশ করেন তবে আমরা তা নব এবং তার আনুগত্য করব। কিন্তু উসমান (রাঃ) বাকি রয়ে গেলেন। অতঃপর আব্দুর রহমান ইবনে আউফ ও উসমান (রাঃ) --কেও এসব কথা বললেন। এমনকি তার থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করলেন। অতঃপর তিনি উসমান (রাঃ) কে বললেন, তুমি তোমার হাত উত্তোলন কর। তখন উসমান (রাঃ) হাত উত্তোলন করলেন এবং আব্দুর রহমান ইবনে আউফ তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করলেন। অতঃপর আলী (রাঃ) বাইয়াত গ্রহণ করলেন। পরে ঘরের সবাই তার নিকট প্রবেশ করল এবং তারা তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করল। (রিয়াযুন নাযাহ, পৃঃ ৬, ৩৭)।
তবে তাকে সান্তনা দেয়া হলো যে, যদি সা’দ নেতৃত্ব গ্রহণ করে তাহলে তিনিই খলিফা হবেন। আর যদি তিনি নেতৃত্ব গ্রহণ না করেন তবে তার দ্বারা এ কাজে সাহায্য নেয়া হবে। যখন তিনি মারা গেলেন এবং তার দাফন কাফন সম্পন্ন করা হলো তখন ঐ দলটি ফিরে এসে একত্রিত হলো। অতঃপর আব্দুর রহমান ও বললেন, এ বিষয়টি তোমরা তোমাদের মধ্য হতে তিনজনের মধ্যে ন্যস্ত কর। তখন যুবাইর ও বললেন, আমার বিষয়টি আমি আলী (রাঃ) এর উপর ন্যস্ত করলাম। আর সা'দ বললেন, আমি আমার বিষয়টি আব্দুর রহমান -এর উপর অর্পণ করলাম। আর ত্বলহা (রাঃ) বললেন, আমি আমার বিষয়টি উসমান (রাঃ) -এর উপর অর্পণ করলাম। অতঃপর ঐ তিনজন আলী (রাঃ), উসমান (রাঃ) ও আব্দুর রহমান এ থেকে পৃথক হয়ে গেলেন। তখন আব্দুর রহমান অপর দুজনকে বললেন, তোমাদের মধ্যে কে কিতাবুল্লাহ, সুন্নাতে রাসূল (ﷺ) এবং আবু বকর (রাঃ) ও উমর এর সুন্নাতের আনুগত্যের উপর শপথ নেবে? এবং কে উম্মতের সমস্যাবলীর সমাধান করতে পারবে? যে পারবে তাকে দায়িত্ব দেয়া হবে। অতঃপর আলী (রাঃ) এবং উসমান (রাঃ) উভয়ই নীরব থেকে গেলেন। তখন আব্দুর রহমান ও বললেন, তোমরা কি এ ব্যাপারে আমার উপর নির্ভর করতে পার? আল্লাহর শপথ! তোমরা আমার উপর দায়িত্ব ছেড়ে দাও। তখন উভয়েই বললেন, হ্যা। অতঃপর তিনি আলী (রাঃ) এর হাত ধরলেন।
অতঃপর বললেন, আপনি এ ব্যাপারে অধিক হকদার। কেননা, আপনি প্রথমযুগে ইসলাম গ্রহণকারী, আর আল্লাহ আপনাকে এ ব্যাপারে জ্ঞান দান করেছেন। আপনি যদি কোনো কিছু আদেশ করেন তবে অবশ্যই আপনি ন্যায়ভাবে আদেশ করবেন। আর আপনি যদি আমাদেরকে কোনো কিছু আদেশ করেন তবে আমরা তা নব এবং তার আনুগত্য করব। কিন্তু উসমান (রাঃ) বাকি রয়ে গেলেন। অতঃপর আব্দুর রহমান ইবনে আউফ ও উসমান (রাঃ) --কেও এসব কথা বললেন। এমনকি তার থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করলেন। অতঃপর তিনি উসমান (রাঃ) কে বললেন, তুমি তোমার হাত উত্তোলন কর। তখন উসমান (রাঃ) হাত উত্তোলন করলেন এবং আব্দুর রহমান ইবনে আউফ তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করলেন। অতঃপর আলী (রাঃ) বাইয়াত গ্রহণ করলেন। পরে ঘরের সবাই তার নিকট প্রবেশ করল এবং তারা তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করল। (রিয়াযুন নাযাহ, পৃঃ ৬, ৩৭)।