১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
আয়াত : ৩৩ – ৩৪ আল্লাহর মনোনীত বংশধর
اِنَّ اللهَ اصْطَفٰۤى اٰدَمَ وَنُوْحًا وَّاٰلَ اِبْرَاهِيْمَ وَاٰلَ عِمْرَانَ عَلَى الْعَالَمِيْنَ (৩৩) ذُرِّيَّةً ۢبَعْضُهَا مِنْ ۢبَعْضٍؕ وَّاللهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ (৩৪)
শাব্দিক অনুবাদ
৩৩. اِنَّ নিশ্চয় اَللهَ আল্লাহ اِصْطَفٰۤى মনোনীত করেছেন اٰدَمَ আদমকে وَنُوْحًا ও নূহকে وَاٰلَ اِبْرَاهِيْمَ এবং ইবরাহীমের বংশধরকে وَاٰلَ عِمْرَانَ ও ইমরানের বংশধরকে عَلَى الْعَالَمِيْنَ বিশ্ববাসীর উপর ।
৩৪. ذُرِّيَّةً তারা বংশধর بَعْضُهَا তাদের এক مِنْ ۢبَعْضٍ অপর থেকে। وَاللهُ আর আল্লাহ سَمِيْعٌ সর্বশ্রোতা عَلِيْمٌ ও মহাজ্ঞানী।
সরল অনুবাদ
৩৩. নিশ্চয় আল্লাহ আদম ও নূহ [বিশে^র সমস্ত মানুষই প্রথমত আদম (আঃ) এর এবং দ্বিতীয়ত নূহ (আঃ) এর বংশধর। কেননা বিশে^র প্রথম মানব ছিলেন আদম (আঃ), যার কারণে তাকে মানবজাতির পিতা বলা হয়। অতঃপর নূহ (আঃ) এর সময় সারা পৃথিবীতে মহাপ্লাবন সংঘটিত হওয়ার মধ্য দিয়ে কেবলমাত্র নূহ (আঃ) এবং তার কয়েকজন অনুসারী ব্যতীত সকল মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তারপর তাদের মধ্য হতেই মানববংশের বিস্তার হয়। যার কারণে নূহ (আঃ)-কে মানবজাতির দ্বিতীয় পিতাও বলা হয়। এ কারণে আল্লাহ তা‘আলা যেসব বংশ বিশ^বাসীর উপর বিশেষভাবে মনোনীত করেছেন তার মধ্যে আদম ও নূহ (আঃ) এর বংশের কথা সর্বপ্রথম উল্লেখ করেছেন।] এবং ইবরাহীমের বংশধর [পৃথিবীতে যতগুলো বংশের আগমন ঘটেছিল এবং ঘটবে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বংশধর হচ্ছে ইবরাহীম (আঃ) এর বংশধর। কারণ এই বংশে ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব, ইউসুফ, মূসা, হারুন (আঃ)-সহ অসংখ্য নবী-রাসূলের আগমন ঘটেছিল। বিশেষত এই বংশেই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আগমন ঘটেছিল। তাছাড়া ইবরাহীম (আঃ) এই বংশের জন্য বিশেষভাবে দু‘আ করেছিলেন।] ও ইমরানের বংশধরকে [নবীদের বংশে ইমরান নামে আগমন ঘটেছিল দু‘জন ব্যক্তির। তাদের মধ্যে একজন হলেন মূসা ও হারুন (আঃ) এর পিতা। আর অপরজন হলেন মারইয়াম (আঃ) এর পিতা। অধিকাংশ মুফাসসিরের বর্ণনানুযায়ী অত্র আয়াতে মারইয়াম (আঃ) এর পিতাকে বুঝানো হয়েছে। এই বংশে আল্লাহ তা‘আলা মারইয়াম (আঃ) ও ঈসা (আঃ) এর আগমন করানোর মাধ্যমে বিশ^বাসীর উপর বিরাট মর্যাদা দান করেছেন।] বিশ্ববাসীর (মানব জাতির) উপর মনোনীত করেছেন।
৩৪. তারা একে অপরের বংশধর। [অর্থাৎ প্রথমত আদম (আঃ) এর বংশে নূহ (আঃ), তারপর নূহ (আঃ) এর বংশে ইবরাহীম (আঃ), তারপর ইবরাহীম (আঃ) এর বংশে ইমরানের বংশধরের আগমন ঘটেছে।] আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. যুগে যুগে আল্লাহ তা‘আলা কিছু বিশেষ বান্দাকে বিশ^বাসীর উপর মনোনীত করে থাকেন।
২. আল্লাহ তা‘আলা আদম ও নূহ (আঃ) কে বিশেষভাবে মনোনীত করেছিলেন।
শাব্দিক অনুবাদ
৩৩. اِنَّ নিশ্চয় اَللهَ আল্লাহ اِصْطَفٰۤى মনোনীত করেছেন اٰدَمَ আদমকে وَنُوْحًا ও নূহকে وَاٰلَ اِبْرَاهِيْمَ এবং ইবরাহীমের বংশধরকে وَاٰلَ عِمْرَانَ ও ইমরানের বংশধরকে عَلَى الْعَالَمِيْنَ বিশ্ববাসীর উপর ।
৩৪. ذُرِّيَّةً তারা বংশধর بَعْضُهَا তাদের এক مِنْ ۢبَعْضٍ অপর থেকে। وَاللهُ আর আল্লাহ سَمِيْعٌ সর্বশ্রোতা عَلِيْمٌ ও মহাজ্ঞানী।
সরল অনুবাদ
৩৩. নিশ্চয় আল্লাহ আদম ও নূহ [বিশে^র সমস্ত মানুষই প্রথমত আদম (আঃ) এর এবং দ্বিতীয়ত নূহ (আঃ) এর বংশধর। কেননা বিশে^র প্রথম মানব ছিলেন আদম (আঃ), যার কারণে তাকে মানবজাতির পিতা বলা হয়। অতঃপর নূহ (আঃ) এর সময় সারা পৃথিবীতে মহাপ্লাবন সংঘটিত হওয়ার মধ্য দিয়ে কেবলমাত্র নূহ (আঃ) এবং তার কয়েকজন অনুসারী ব্যতীত সকল মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তারপর তাদের মধ্য হতেই মানববংশের বিস্তার হয়। যার কারণে নূহ (আঃ)-কে মানবজাতির দ্বিতীয় পিতাও বলা হয়। এ কারণে আল্লাহ তা‘আলা যেসব বংশ বিশ^বাসীর উপর বিশেষভাবে মনোনীত করেছেন তার মধ্যে আদম ও নূহ (আঃ) এর বংশের কথা সর্বপ্রথম উল্লেখ করেছেন।] এবং ইবরাহীমের বংশধর [পৃথিবীতে যতগুলো বংশের আগমন ঘটেছিল এবং ঘটবে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বংশধর হচ্ছে ইবরাহীম (আঃ) এর বংশধর। কারণ এই বংশে ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব, ইউসুফ, মূসা, হারুন (আঃ)-সহ অসংখ্য নবী-রাসূলের আগমন ঘটেছিল। বিশেষত এই বংশেই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আগমন ঘটেছিল। তাছাড়া ইবরাহীম (আঃ) এই বংশের জন্য বিশেষভাবে দু‘আ করেছিলেন।] ও ইমরানের বংশধরকে [নবীদের বংশে ইমরান নামে আগমন ঘটেছিল দু‘জন ব্যক্তির। তাদের মধ্যে একজন হলেন মূসা ও হারুন (আঃ) এর পিতা। আর অপরজন হলেন মারইয়াম (আঃ) এর পিতা। অধিকাংশ মুফাসসিরের বর্ণনানুযায়ী অত্র আয়াতে মারইয়াম (আঃ) এর পিতাকে বুঝানো হয়েছে। এই বংশে আল্লাহ তা‘আলা মারইয়াম (আঃ) ও ঈসা (আঃ) এর আগমন করানোর মাধ্যমে বিশ^বাসীর উপর বিরাট মর্যাদা দান করেছেন।] বিশ্ববাসীর (মানব জাতির) উপর মনোনীত করেছেন।
৩৪. তারা একে অপরের বংশধর। [অর্থাৎ প্রথমত আদম (আঃ) এর বংশে নূহ (আঃ), তারপর নূহ (আঃ) এর বংশে ইবরাহীম (আঃ), তারপর ইবরাহীম (আঃ) এর বংশে ইমরানের বংশধরের আগমন ঘটেছে।] আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. যুগে যুগে আল্লাহ তা‘আলা কিছু বিশেষ বান্দাকে বিশ^বাসীর উপর মনোনীত করে থাকেন।
২. আল্লাহ তা‘আলা আদম ও নূহ (আঃ) কে বিশেষভাবে মনোনীত করেছিলেন।