১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৯
আয়াত : ১২১ – ১২২ উহুদ যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় মুসলিমদের মধ্যে মতানৈক্য
وَاِذْ غَدَوْتَ مِنْ اَهْلِكَ تُبَوِّئُ الْمُؤْمِنِيْنَ مَقَاعِدَ لِلْقِتَالِؕ وَاللهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ (১২১) اِذْ هَمَّتْ طَّآئِفَتَانِ مِنْكُمْ اَنْ تَفْشَلَا وَاللهُ وَلِيُّهُمَاؕ وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُوْنَ (১২২)
শাব্দিক অনুবাদ
১২১. وَاِذْ আর যখন غَدَوْتَ তুমি সকালে বের হয়েছিলে مِنْ থেকে اَهْلِكَ তোমার পরিবার-পরিজন تُبَوِّئُ নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে اَلْمُؤْمِنِيْنَ মুমিনদেরকে مَقَاعِدَ বিভিন্ন ঘাঁটিতে لِلْقِتَالِ যুদ্ধের জন্য। وَاللهُ আর আল্লাহ سَمِيْعٌ সর্বশ্রোতা عَلِيْمٌ ও সর্বজ্ঞানী।
১২২. اِذْ যখন هَمَّتْ ইচ্ছা করেছিল طَآئِفَتَانِ দুটি দল مِنْكُمْ তোমাদের (আনসারদের) মধ্য হতে اَنْ যে, تَفْشَلَا তারা ভীরুতা প্রকাশ করবে, وَاللهُ অথচ (স্বয়ং) আল্লাহ ছিলেন وَلِيُّهُمَا উভয় দলের পৃষ্ঠপোষক (অভিভাবক); وَعَلَى اللهِ (অতএব) আল্লাহর উপরই فَلْيَتَوَكَّلِ যেন নির্ভর করে اَلْمُؤْمِنُوْنَ মুমিনগণ।
সরল অনুবাদ
১২১. (স্মরণ করো) যখন তুমি মুমিনদেরকে (উহুদ) যুদ্ধের [অধিকাংশ মুফাস্সিরের মতে, এটি ছিল উহুদ যুদ্ধের ঘটনা, যা সংঘটিত হয়েছিল হিজরী ৩য় সনের শাওয়াল মাসের ৬ তারিখে। সেদিন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার বাহিনী নিয়ে সকাল বেলা যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন।] জন্য বিভিন্ন ঘাঁটিতে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে সকালে তোমার পরিবার-পরিজন থেকে বের হয়েছিলে। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
১২২. (আরো স্মরণ করো) যখন তোমাদের (আনসারদের) মধ্যে দুটি দল [অর্থাৎ বনু হারিসা এবং বনু সালাম তথা আউস ও খাযরায গোত্র। যুদ্ধের উদ্দেশ্যে যাত্রাপথ থেকে যখন মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই তার তিনশজন সঙ্গীকে নিয়ে মুসলিমদের শিবির থেকে সরে দাঁড়াল, তখন এরা এতই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে, তাদের মধ্যে অনেকে ফিরে যাওয়ার সংকল্প করে ফেলেছিল। অবশেষে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দৃঢ়তা এবং অন্যান্য কঠোর সংকল্পবদ্ধ মুসলিম যুবকদের জোর তাগিদে তারা তাদের যাত্রা চালু রেখেছিল। জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এই আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ বানু হারিসা এবং বানু সালিমা এর ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে। (সহীহ বুখারী, হা/৪৫৫৮)] ভীরুতা প্রকাশের ইচ্ছা করেছিল, অথচ (স্বয়ং) আল্লাহ ছিলেন উভয় দলের পৃষ্ঠপোষক (অভিভাবক); [অর্থাৎ যাদের অভিভাবকত্ব স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলা গ্রহণ করেছেন, তাদের পক্ষে পৃথিবীর অন্য কোন শক্তিকে ভয় করা উচিত নয়।] (অতএব) মুমিনগণ যেন আল্লাহর উপরই নির্ভর করে। [অর্থাৎ মুমিনগণ যেন সর্ববিষয়ে আল্লাহর উপরই নির্ভর করে এবং তার উপর অন্য কোন শক্তিকে প্রাধান্য না দেয়। অন্যথায় তারা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং পরাজিত হবে।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. সফরে সাধারণত সকালে বের হওয়া উত্তম।
২. যুদ্ধক্ষেত্রে ভীরুতা প্রদর্শন করা যাবে না।
৩. সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হতে হবে।
শাব্দিক অনুবাদ
১২১. وَاِذْ আর যখন غَدَوْتَ তুমি সকালে বের হয়েছিলে مِنْ থেকে اَهْلِكَ তোমার পরিবার-পরিজন تُبَوِّئُ নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে اَلْمُؤْمِنِيْنَ মুমিনদেরকে مَقَاعِدَ বিভিন্ন ঘাঁটিতে لِلْقِتَالِ যুদ্ধের জন্য। وَاللهُ আর আল্লাহ سَمِيْعٌ সর্বশ্রোতা عَلِيْمٌ ও সর্বজ্ঞানী।
১২২. اِذْ যখন هَمَّتْ ইচ্ছা করেছিল طَآئِفَتَانِ দুটি দল مِنْكُمْ তোমাদের (আনসারদের) মধ্য হতে اَنْ যে, تَفْشَلَا তারা ভীরুতা প্রকাশ করবে, وَاللهُ অথচ (স্বয়ং) আল্লাহ ছিলেন وَلِيُّهُمَا উভয় দলের পৃষ্ঠপোষক (অভিভাবক); وَعَلَى اللهِ (অতএব) আল্লাহর উপরই فَلْيَتَوَكَّلِ যেন নির্ভর করে اَلْمُؤْمِنُوْنَ মুমিনগণ।
সরল অনুবাদ
১২১. (স্মরণ করো) যখন তুমি মুমিনদেরকে (উহুদ) যুদ্ধের [অধিকাংশ মুফাস্সিরের মতে, এটি ছিল উহুদ যুদ্ধের ঘটনা, যা সংঘটিত হয়েছিল হিজরী ৩য় সনের শাওয়াল মাসের ৬ তারিখে। সেদিন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার বাহিনী নিয়ে সকাল বেলা যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন।] জন্য বিভিন্ন ঘাঁটিতে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে সকালে তোমার পরিবার-পরিজন থেকে বের হয়েছিলে। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
১২২. (আরো স্মরণ করো) যখন তোমাদের (আনসারদের) মধ্যে দুটি দল [অর্থাৎ বনু হারিসা এবং বনু সালাম তথা আউস ও খাযরায গোত্র। যুদ্ধের উদ্দেশ্যে যাত্রাপথ থেকে যখন মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই তার তিনশজন সঙ্গীকে নিয়ে মুসলিমদের শিবির থেকে সরে দাঁড়াল, তখন এরা এতই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে, তাদের মধ্যে অনেকে ফিরে যাওয়ার সংকল্প করে ফেলেছিল। অবশেষে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দৃঢ়তা এবং অন্যান্য কঠোর সংকল্পবদ্ধ মুসলিম যুবকদের জোর তাগিদে তারা তাদের যাত্রা চালু রেখেছিল। জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এই আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ বানু হারিসা এবং বানু সালিমা এর ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে। (সহীহ বুখারী, হা/৪৫৫৮)] ভীরুতা প্রকাশের ইচ্ছা করেছিল, অথচ (স্বয়ং) আল্লাহ ছিলেন উভয় দলের পৃষ্ঠপোষক (অভিভাবক); [অর্থাৎ যাদের অভিভাবকত্ব স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলা গ্রহণ করেছেন, তাদের পক্ষে পৃথিবীর অন্য কোন শক্তিকে ভয় করা উচিত নয়।] (অতএব) মুমিনগণ যেন আল্লাহর উপরই নির্ভর করে। [অর্থাৎ মুমিনগণ যেন সর্ববিষয়ে আল্লাহর উপরই নির্ভর করে এবং তার উপর অন্য কোন শক্তিকে প্রাধান্য না দেয়। অন্যথায় তারা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং পরাজিত হবে।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. সফরে সাধারণত সকালে বের হওয়া উত্তম।
২. যুদ্ধক্ষেত্রে ভীরুতা প্রদর্শন করা যাবে না।
৩. সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হতে হবে।