১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
আয়াত : ৮-৯ অন্তরের বক্রতা থেকে আশ্রয় চাওয়া
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةًۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ (৮) رَبَّنَاۤ اِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيْهِؕ اِنَّ اللهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيْعَادَ (৯)
শাব্দিক অনুবাদ
৮. رَبَّنَا হে আমাদের প্রতিপালক! لَا تُزِغْ আপনি বক্র করে দেবেন না قُلُوْبَنَا আমাদের অন্তরসমূহকে بَعْدَ পর اِذْ যখন هَدَيْتَنَا আপনি আমাদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন وَهَبْ এবং দান করুন لَنَا আমাদের জন্য مِنْ لَّدُنْكَ আপনার পক্ষ থেকে رَحْمَةً দয়া اِنَّكَ اَنْتَ নিশ্চয় আপনিই اَلْوَهَّابُ মহান দাতা।
৯. رَبَّنَاۤ হে আমাদের প্রতিপালক! اِنَّكَ নিশ্চয় আপনি جَامِعُ একত্রিতকারী اَلنَّاسِ মানবজাতিকে لِيَوْمٍ এমন একদিনে لَا رَيْبَ فِيْهِ যাতে কোন সন্দেহ নেই। اِنَّ اللهَ নিশ্চয় আল্লাহ لَا يُخْلِفُ ব্যতিক্রম করেন না اَلْمِيْعَادَ প্রতিশ্রুতির।
সরল অনুবাদ
৮. (তারা আরো বলে) হে আমাদের প্রতিপালক! সঠিক পথ প্রদর্শনের পর আপনি আমাদের অন্তরসমূহকে বক্র (বিপথগামী) করে দেবেন না এবং আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত্রদান করুন, নিশ্চয় আপনিই মহান দাতা। [এখানে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়েছে, যার মধ্যে ঈমানের দাবীদার অনেক মানুষই নিমজ্জিত। আর তা হলো- ঈমান আনার পরও পথভ্রষ্ট হয়ে যাওয়া অর্থাৎ নিয়ামত হাতে পাওয়ার পরও তা হারিয়ে ফেলা। প্রকৃতপক্ষে এরূপ ব্যক্তিগণ বড়ই দুর্ভাগা। একমাত্র আল্লাহর বিশেষ রহমত ছাড়া পুনরায় ঈমানের দিকে ফিরে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। অপরদিকে আল্লাহ তা‘আলা হলেন অন্তরসমূহ পরিবর্তনের মালিক। সুতরাং ঈমানদার ব্যক্তিদের জন্য উপরোক্ত দু‘আটি নিয়মিত পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি।]
৯. হে আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় আপনি মানবজাতিকে (হিসাব-নিকাশের জন্য) এমন একদিন (কিয়ামতের দিন) একত্র করবেন, যে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. অন্তরের বক্রতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত।
২. আল্লাহর রহমত ব্যতীত পথভ্রষ্টতা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।
৩. কিয়ামতের দিন সমস্ত মানুষকে একত্র করা হবে।
৪. কিয়ামতের দিন আগমনের ব্যাপারে কোন সন্দেহ পোষণ করা বৈধ নয়।
শাব্দিক অনুবাদ
৮. رَبَّنَا হে আমাদের প্রতিপালক! لَا تُزِغْ আপনি বক্র করে দেবেন না قُلُوْبَنَا আমাদের অন্তরসমূহকে بَعْدَ পর اِذْ যখন هَدَيْتَنَا আপনি আমাদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন وَهَبْ এবং দান করুন لَنَا আমাদের জন্য مِنْ لَّدُنْكَ আপনার পক্ষ থেকে رَحْمَةً দয়া اِنَّكَ اَنْتَ নিশ্চয় আপনিই اَلْوَهَّابُ মহান দাতা।
৯. رَبَّنَاۤ হে আমাদের প্রতিপালক! اِنَّكَ নিশ্চয় আপনি جَامِعُ একত্রিতকারী اَلنَّاسِ মানবজাতিকে لِيَوْمٍ এমন একদিনে لَا رَيْبَ فِيْهِ যাতে কোন সন্দেহ নেই। اِنَّ اللهَ নিশ্চয় আল্লাহ لَا يُخْلِفُ ব্যতিক্রম করেন না اَلْمِيْعَادَ প্রতিশ্রুতির।
সরল অনুবাদ
৮. (তারা আরো বলে) হে আমাদের প্রতিপালক! সঠিক পথ প্রদর্শনের পর আপনি আমাদের অন্তরসমূহকে বক্র (বিপথগামী) করে দেবেন না এবং আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত্রদান করুন, নিশ্চয় আপনিই মহান দাতা। [এখানে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়েছে, যার মধ্যে ঈমানের দাবীদার অনেক মানুষই নিমজ্জিত। আর তা হলো- ঈমান আনার পরও পথভ্রষ্ট হয়ে যাওয়া অর্থাৎ নিয়ামত হাতে পাওয়ার পরও তা হারিয়ে ফেলা। প্রকৃতপক্ষে এরূপ ব্যক্তিগণ বড়ই দুর্ভাগা। একমাত্র আল্লাহর বিশেষ রহমত ছাড়া পুনরায় ঈমানের দিকে ফিরে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। অপরদিকে আল্লাহ তা‘আলা হলেন অন্তরসমূহ পরিবর্তনের মালিক। সুতরাং ঈমানদার ব্যক্তিদের জন্য উপরোক্ত দু‘আটি নিয়মিত পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি।]
৯. হে আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় আপনি মানবজাতিকে (হিসাব-নিকাশের জন্য) এমন একদিন (কিয়ামতের দিন) একত্র করবেন, যে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. অন্তরের বক্রতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত।
২. আল্লাহর রহমত ব্যতীত পথভ্রষ্টতা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।
৩. কিয়ামতের দিন সমস্ত মানুষকে একত্র করা হবে।
৪. কিয়ামতের দিন আগমনের ব্যাপারে কোন সন্দেহ পোষণ করা বৈধ নয়।