১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৩
আয়াত : ১৩০ – ১৩৩ সুদের নিষিদ্ধতা
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَأْكُلُوا الرِّبَاۤٓ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً وَّاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ (১৩০) وَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِيْۤ اُعِدَّتْ لِلْكَافِرِيْنَ (১৩১) وَاَطِيْعُوا اللهَ وَالرَسُوْلَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ (১৩২) وَسَارِعُوْاۤ اِلٰى مَغْفِرَةٍ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْاَرْضُ اُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِيْنَ (১৩৩)
শাব্দিক অনুবাদ
১৩০. اٰمَنُوْا الَّذِيْنَ يَاۤ اَيُّهَا হে ঈমানদারগণ! لَا تَأْكُلُوا তোমরা ভক্ষণ করো না اَلرِّبَا সুদ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً চক্র বৃদ্ধি হারে وَاتَّقُوا এবং তোমরা ভয় করো اَللهَ আল্লাহকে, لَعَلَّكُمْ যাতে তোমরা تُفْلِحُوْنَ সফল হতে পার।
১৩১. وَاتَّقُوا আর তোমরা ভয় করো اَلنَّارَ সেই আগুনকে, اَلَّتِيْۤ যা اُعِدَّتْ প্রস্তুত করা হয়েছে لِلْكَافِرِيْنَ কাফিরদের জন্য ।
১৩২. وَاَطِيْعُوا আর তোমরা আনুগত্য করো اَللهَ আল্লাহর وَالرَّسُوْلَ ও রাসূলের, لَعَلَّكُمْ যাতে তোমরা تُرْحَمُوْنَ অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।
১৩৩. وَسَارِعُوْا আর তোমরা দ্রুত ধাবিত হও اِلٰى مَغْفِرَةٍ ক্ষমার দিকে مِنْ رَّبِّكُمْ তোমাদের প্রতিপালকের وَجَنَّةٍ এবং এমন জান্নাতের দিকে, عَرْضُهَا যার প্রশস্ততা اَلسَّمَاوَاتُ আকাশসমূহ وَالْاَرْضُ ও পৃথিবী اُعِدَّتْ যা প্রস্তুত করা হয়েছে لِلْمُتَّقِيْنَ মুত্তাকীদের জন্য।
সরল অনুবাদ
১৩০. হে ঈমানদারগণ! তোমরা দ্বিগুণের উপর দ্বিগুণ সুদ (চক্র বৃদ্ধিহারে) [এখানে সুদ বুঝাতে গিয়ে চক্রবৃদ্ধিহারে এজন্যই উল্লেখ করা হয়েছে যে, তখনকার যুগে এই চক্রবৃদ্ধিহারে সুদের লেনদেনটি অধিক প্রচলিত ছিল। বিষয়টি এরূপ ছিল যে, যখন তারা কাউকে কোন কিছু ঋণ দিত, তখন তারা সেটি ফেরত দেয়ার সময় নির্ধারণ করে দিত। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি উক্ত সময় অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হতো, তাহলে ঋণদাতা প্রতিটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অতিরিক্ত সম্পদ দাবী করে বসতো। আর এটাই হচ্ছে তখনকার যুগের প্রচলিত সুদ, যা বর্তমানেও প্রচলিত রয়েছে।] ভক্ষণ করো না এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফল হতে পার।
১৩১. আর তোমরা সেই আগুনকে ভয় করো, যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
১৩২. আর তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর ও রাসূলের, যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।
১৩৩. আর তোমরা দ্রুত ধাবিত হও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে এবং এমন জান্নাতের দিকে, যার প্রশস্ততা আকাশসমূহ ও পৃথিবীর (সমান), যা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে মুত্তাকীদের জন্য । [এ আয়াতগুলো উহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার কিছু দিন পরেই মুসলিমদের পরাজয়ের কারণের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করে তাদের ত্রুটিসমূহ সংশোধনের নির্দেশনা প্রদানের জন্য অবতীর্ণ হয়েছে। এখানে উহুদ যুদ্ধে বিপর্যয়ের পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে যে বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে তা হলো, মুসলিমদের পার্থিব লোভ-লালসা এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. সুদ গ্রহণ করা, ভক্ষণ করা এবং সুদের কারবার করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
২. সুদের ব্যাপারে সর্বদা আল্লাহকে ভয় করা উচিত।
৩. সর্বদা আল্লাহর ক্ষমার দিকে ধাবিত হতে হবে।
৪. জান্নাত কেবল মুত্তাক্বী বান্দাদের জন্য প্রস্তুতকৃত।
৫. আর জাহান্নাম কাফিরদের জন্য প্রস্তুতকৃত।
শাব্দিক অনুবাদ
১৩০. اٰمَنُوْا الَّذِيْنَ يَاۤ اَيُّهَا হে ঈমানদারগণ! لَا تَأْكُلُوا তোমরা ভক্ষণ করো না اَلرِّبَا সুদ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً চক্র বৃদ্ধি হারে وَاتَّقُوا এবং তোমরা ভয় করো اَللهَ আল্লাহকে, لَعَلَّكُمْ যাতে তোমরা تُفْلِحُوْنَ সফল হতে পার।
১৩১. وَاتَّقُوا আর তোমরা ভয় করো اَلنَّارَ সেই আগুনকে, اَلَّتِيْۤ যা اُعِدَّتْ প্রস্তুত করা হয়েছে لِلْكَافِرِيْنَ কাফিরদের জন্য ।
১৩২. وَاَطِيْعُوا আর তোমরা আনুগত্য করো اَللهَ আল্লাহর وَالرَّسُوْلَ ও রাসূলের, لَعَلَّكُمْ যাতে তোমরা تُرْحَمُوْنَ অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।
১৩৩. وَسَارِعُوْا আর তোমরা দ্রুত ধাবিত হও اِلٰى مَغْفِرَةٍ ক্ষমার দিকে مِنْ رَّبِّكُمْ তোমাদের প্রতিপালকের وَجَنَّةٍ এবং এমন জান্নাতের দিকে, عَرْضُهَا যার প্রশস্ততা اَلسَّمَاوَاتُ আকাশসমূহ وَالْاَرْضُ ও পৃথিবী اُعِدَّتْ যা প্রস্তুত করা হয়েছে لِلْمُتَّقِيْنَ মুত্তাকীদের জন্য।
সরল অনুবাদ
১৩০. হে ঈমানদারগণ! তোমরা দ্বিগুণের উপর দ্বিগুণ সুদ (চক্র বৃদ্ধিহারে) [এখানে সুদ বুঝাতে গিয়ে চক্রবৃদ্ধিহারে এজন্যই উল্লেখ করা হয়েছে যে, তখনকার যুগে এই চক্রবৃদ্ধিহারে সুদের লেনদেনটি অধিক প্রচলিত ছিল। বিষয়টি এরূপ ছিল যে, যখন তারা কাউকে কোন কিছু ঋণ দিত, তখন তারা সেটি ফেরত দেয়ার সময় নির্ধারণ করে দিত। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি উক্ত সময় অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হতো, তাহলে ঋণদাতা প্রতিটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অতিরিক্ত সম্পদ দাবী করে বসতো। আর এটাই হচ্ছে তখনকার যুগের প্রচলিত সুদ, যা বর্তমানেও প্রচলিত রয়েছে।] ভক্ষণ করো না এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফল হতে পার।
১৩১. আর তোমরা সেই আগুনকে ভয় করো, যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
১৩২. আর তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর ও রাসূলের, যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।
১৩৩. আর তোমরা দ্রুত ধাবিত হও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে এবং এমন জান্নাতের দিকে, যার প্রশস্ততা আকাশসমূহ ও পৃথিবীর (সমান), যা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে মুত্তাকীদের জন্য । [এ আয়াতগুলো উহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার কিছু দিন পরেই মুসলিমদের পরাজয়ের কারণের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করে তাদের ত্রুটিসমূহ সংশোধনের নির্দেশনা প্রদানের জন্য অবতীর্ণ হয়েছে। এখানে উহুদ যুদ্ধে বিপর্যয়ের পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে যে বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে তা হলো, মুসলিমদের পার্থিব লোভ-লালসা এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. সুদ গ্রহণ করা, ভক্ষণ করা এবং সুদের কারবার করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
২. সুদের ব্যাপারে সর্বদা আল্লাহকে ভয় করা উচিত।
৩. সর্বদা আল্লাহর ক্ষমার দিকে ধাবিত হতে হবে।
৪. জান্নাত কেবল মুত্তাক্বী বান্দাদের জন্য প্রস্তুতকৃত।
৫. আর জাহান্নাম কাফিরদের জন্য প্রস্তুতকৃত।