১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
আয়াত : ৪৫ – ৪৬ মারইয়াম (আঃ)-কে ঈসা (আঃ) এর সুসংবাদ
اِذْ قَالَتِ الْمَلَآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ اِنَّ اللهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيْحُ عِيْسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيْهًا فِي الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِيْنَ (৪৫) وَيُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلًا وَّمِنَ الصَّالِحِيْنَ (৪৬)
শাব্দিক অনুবাদ
৪৫. اِذْ যখন قَالَتْ বলল اَلْمَلَآئِكَةُ ফেরেশতারা, يَا مَرْيَمُ হে মারইয়াম! اِنَّ اللهَ নিশ্চয় আল্লাহ يُبَشِّرُكِ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন بِكَلِمَةٍ এক বাণীর مِنْهُ তাঁর পক্ষ থেকে । اِسْمُهُ তার নাম اَلْمَسِيْحُ মাসীহ عِيْسَى ঈসা اِبْنُ পুত্র مَرْيَمَ মারইয়ামের। وَجِيْهًا সম্মানিত فِي الدُّنْيَا দুনিয়াতে وَالْاٰخِرَةِ ও আখিরাতে وَمِنَ الْمُقَرَّبِيْنَ এবং নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।
৪৬. وَيُكَلِّمُ সে কথা বলবে اَلنَّاسَ মানুষের সাথে فِي الْمَهْدِ শৈশবে وَكَهْلًا ও বার্ধক্যে وَمِنَ الصَّالِحِيْنَ এবং সে হবে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
সরল অনুবাদ
৪৫. (স্মরণ করো) যখন ফেরেশতারা বলল, হে মারইয়াম! নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর পক্ষ থেকে এক কালিমার (বাণীর) সুসংবাদ দিচ্ছেন। তার নাম (হচ্ছে) মাসীহ [মাসীহ অর্থ হচ্ছে, স্পর্শ করা বা হাত বুলিয়ে দেয়া ইত্যাদি। ঈসা (আঃ)-কে মাসীহ বলা হয় এই জন্য যে, তিনি রোগীদের উপর হাত বুলিয়ে দিলে তারা আল্লাহর নির্দেশে আরোগ্য লাভ করত।]- মারইয়ামের পুত্র ঈসা। সে হবে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত এবং (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।
৪৬. সে শৈশবে [এটি হচ্ছে ঈসা (আঃ) এর অন্যতম মুজিযা। কুরআন ও সহীহ সুন্নাহসমূহে এরূপ আরো কয়েকটি শিশুর কথা উল্লেখ পাওয়া যায়, যারা দোলনায় থাকাবস্থাতেই কথা বলেছিল। তারা হলো- (১) জুরাইজ (আঃ) এর সম্পর্কিত ঘটনায় তার পক্ষে সাক্ষ্য প্রদানকারী শিশু। (২) একজন ইসরাঈলী মহিলার শিশু। (৩) আসহাবে উখদুদের ঘটনায় উল্লেখিত আগুনে ঝাপ দেয়ার পূর্বমুহূর্তে মায়ের সাথে কথোকপত্থনকারী শিশু। তবে ইউসুফ (আঃ) এর ব্যাপারে ফায়সালাকারী সাক্ষী হিসেবে যে শিশুর কথা পাওয়া যায় সেটির বর্ণনাসূত্র নির্ভরযোগ্য নয়।] (কোলে থাকাবস্থায়) ও বার্ধক্যে (পরিণত বয়সে) মানুষের সাথে কথা বলবে [এখানে ‘পরিণত বয়সে কথা বলা’ বলতে কেউ কেউ বলেন, শিশুরা স্বাভাবিকভাবে যে বয়সে কথা বলতে পারে সেটিকে বুঝানো হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন, কিয়ামতের নিকটবর্তী সময় যখন তিনি আসমান থেকে অবতরণ করবেন, তখনকার কথোপকোথনকে বুঝানো হয়েছে।]; আর সে হবে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. ঈসা (আঃ) ছিলেন মারইয়াম (আঃ) এর পুত্র।
২. ঈসা (আঃ) দুনিয়া ও আখিরাতে উভয় জগতে খুবই সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
৩. ঈসা (আঃ) ছিলেন আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
৪. শৈশবে কথা বলাটা ছিল ঈসা (আঃ) এর একটি মুজিজা।
শাব্দিক অনুবাদ
৪৫. اِذْ যখন قَالَتْ বলল اَلْمَلَآئِكَةُ ফেরেশতারা, يَا مَرْيَمُ হে মারইয়াম! اِنَّ اللهَ নিশ্চয় আল্লাহ يُبَشِّرُكِ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন بِكَلِمَةٍ এক বাণীর مِنْهُ তাঁর পক্ষ থেকে । اِسْمُهُ তার নাম اَلْمَسِيْحُ মাসীহ عِيْسَى ঈসা اِبْنُ পুত্র مَرْيَمَ মারইয়ামের। وَجِيْهًا সম্মানিত فِي الدُّنْيَا দুনিয়াতে وَالْاٰخِرَةِ ও আখিরাতে وَمِنَ الْمُقَرَّبِيْنَ এবং নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।
৪৬. وَيُكَلِّمُ সে কথা বলবে اَلنَّاسَ মানুষের সাথে فِي الْمَهْدِ শৈশবে وَكَهْلًا ও বার্ধক্যে وَمِنَ الصَّالِحِيْنَ এবং সে হবে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
সরল অনুবাদ
৪৫. (স্মরণ করো) যখন ফেরেশতারা বলল, হে মারইয়াম! নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর পক্ষ থেকে এক কালিমার (বাণীর) সুসংবাদ দিচ্ছেন। তার নাম (হচ্ছে) মাসীহ [মাসীহ অর্থ হচ্ছে, স্পর্শ করা বা হাত বুলিয়ে দেয়া ইত্যাদি। ঈসা (আঃ)-কে মাসীহ বলা হয় এই জন্য যে, তিনি রোগীদের উপর হাত বুলিয়ে দিলে তারা আল্লাহর নির্দেশে আরোগ্য লাভ করত।]- মারইয়ামের পুত্র ঈসা। সে হবে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত এবং (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।
৪৬. সে শৈশবে [এটি হচ্ছে ঈসা (আঃ) এর অন্যতম মুজিযা। কুরআন ও সহীহ সুন্নাহসমূহে এরূপ আরো কয়েকটি শিশুর কথা উল্লেখ পাওয়া যায়, যারা দোলনায় থাকাবস্থাতেই কথা বলেছিল। তারা হলো- (১) জুরাইজ (আঃ) এর সম্পর্কিত ঘটনায় তার পক্ষে সাক্ষ্য প্রদানকারী শিশু। (২) একজন ইসরাঈলী মহিলার শিশু। (৩) আসহাবে উখদুদের ঘটনায় উল্লেখিত আগুনে ঝাপ দেয়ার পূর্বমুহূর্তে মায়ের সাথে কথোকপত্থনকারী শিশু। তবে ইউসুফ (আঃ) এর ব্যাপারে ফায়সালাকারী সাক্ষী হিসেবে যে শিশুর কথা পাওয়া যায় সেটির বর্ণনাসূত্র নির্ভরযোগ্য নয়।] (কোলে থাকাবস্থায়) ও বার্ধক্যে (পরিণত বয়সে) মানুষের সাথে কথা বলবে [এখানে ‘পরিণত বয়সে কথা বলা’ বলতে কেউ কেউ বলেন, শিশুরা স্বাভাবিকভাবে যে বয়সে কথা বলতে পারে সেটিকে বুঝানো হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন, কিয়ামতের নিকটবর্তী সময় যখন তিনি আসমান থেকে অবতরণ করবেন, তখনকার কথোপকোথনকে বুঝানো হয়েছে।]; আর সে হবে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. ঈসা (আঃ) ছিলেন মারইয়াম (আঃ) এর পুত্র।
২. ঈসা (আঃ) দুনিয়া ও আখিরাতে উভয় জগতে খুবই সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
৩. ঈসা (আঃ) ছিলেন আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
৪. শৈশবে কথা বলাটা ছিল ঈসা (আঃ) এর একটি মুজিজা।