১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
আয়াত : ৪৭ – ৪৮ মারইয়াম (আঃ) কৌতুহল ও তার জবাব
قَالَتْ رَبِّ اَنّٰى يَكُوْنُ لِيْ وَلَدٌ وَّلَمْ يَمْسَسْنِيْ بَشَرٌ ؕ قَالَ كَذٰلِكِ اللهُ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُؕ اِذَاۤ قَضٰۤى اَمْرًا فَاِنَّمَا يَقُوْلُ لَه كُنْ فَيَكُوْنُ (৪৭) وَيُعَلِّمُهُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَالتَّوْرَاةَ وَالْاِنْجِيْلَ (৪৮)
শাব্দিক অনুবাদ
৪৭. قَالَتْ সে বলল, رَبِّ হে আমার প্রতিপালক! اَنّٰى কীভাবে يَكُوْنُ হবে لِيْ আমার وَلَدٌ সন্তান وَلَمْ يَمْسَسْنِيْ অথচ আমাকে স্পর্শ করেনি بَشَرٌ কোন পুরুষ قَالَ তিনি বললেন كَذٰلِكِ اللهُ এভাবেই আল্লাহ يَخْلُقُ সৃষ্টি করেন مَا يَشَآءُ যা চান তাই। اِذَا যখন قَضٰۤى তিনি ফায়সালা করেন اَمْرًا কোন কাজের فَاِنَّمَا তখন কেবল يَقُوْلُ বলেন لَه তাকে كُنْ ‘হও’ فَيَكُوْنُ অতঃপর তা হয়ে যায়।
৪৮. وَيُعَلِّمُهُ আর তিনি তাকে শিক্ষা দেবেন اَلْكِتَابَ কিতাব وَالْحِكْمَةَ হিকমত, وَالتَّوْرَاةَ তাওরাত وَالْاِنْجِيْلَ এবং ইঞ্জীল ।
সরল অনুবাদ
৪৭. সে (মারইয়াম) বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার সন্তান হবে কীভাবে, অথচ আমাকে কোন মানুষ স্পর্শ করেনি? তিনি (আল্লাহ) বললেন, এভাবেই আল্লাহ যা চান তাই সৃষ্টি করেন। যখন তিনি কোন কাজের ফায়সালা করেন তখন কেবল তাকে বলেন ‘হও’ অতঃপর তা হয়ে যায়। [এখানে ঈসা (আঃ) এর সৃষ্টির ব্যাপারে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে যে, ঈসা (আঃ) এর সৃষ্টি অন্যান্য মানবশিশুর মতো নয়। অন্যান্য মানব শিশু সৃষ্টির জন্য যেরকমভাবে পিতার প্রয়োজন পড়ে, ঈসা (আঃ) এর ক্ষেত্রে সেরূপ কিছুই ঘটবে না। বরং প্রথম মানব আদম (আঃ) যেরকমভাবে ‘কুন’ (হও) নির্দেশ দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিলেন, অনুরূপভাবে তিনিও ‘কুন’ (হও) নির্দেশ দ্বারাই সৃষ্টি হয়েছেন।]
৪৮. আর তিনি তাকে কিতাব, হিকমত (প্রজ্ঞা), তাওরাত এবং ইঞ্জীল শিক্ষা দেবেন [অর্থাৎ তিনি পূর্ববর্তী কিতাব তাওরাতকে সংস্কার করে তার বিকৃতরূপ থেকে উদ্ধার করবেন এবং তা মানুষকে শিক্ষা প্রদান করবেন। পাশাপাশি তিনি একটি নতুন আসমানী কিতাব ইঞ্জীলও শিক্ষা প্রদান করবেন, যা তার উপর অবতীর্ণ হবে।]।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. কোন পুরুষের স্পর্শ ছাড়াই মারইয়াম (আঃ) এর সন্তান জন্ম হয়েছিল।
২. আল্লাহ তা‘আলা কোন পুরুষের স্পর্শ ছাড়াই যে কাউকে সন্তান দান করতে সক্ষম।
৩. আল্লাহ তা‘আলার উদ্ভাবন ক্ষমতা অতি দ্রুত ও নিখুঁত।
৪. ইঞ্জীল কিতাব ঈসা (আঃ) এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল।
শাব্দিক অনুবাদ
৪৭. قَالَتْ সে বলল, رَبِّ হে আমার প্রতিপালক! اَنّٰى কীভাবে يَكُوْنُ হবে لِيْ আমার وَلَدٌ সন্তান وَلَمْ يَمْسَسْنِيْ অথচ আমাকে স্পর্শ করেনি بَشَرٌ কোন পুরুষ قَالَ তিনি বললেন كَذٰلِكِ اللهُ এভাবেই আল্লাহ يَخْلُقُ সৃষ্টি করেন مَا يَشَآءُ যা চান তাই। اِذَا যখন قَضٰۤى তিনি ফায়সালা করেন اَمْرًا কোন কাজের فَاِنَّمَا তখন কেবল يَقُوْلُ বলেন لَه তাকে كُنْ ‘হও’ فَيَكُوْنُ অতঃপর তা হয়ে যায়।
৪৮. وَيُعَلِّمُهُ আর তিনি তাকে শিক্ষা দেবেন اَلْكِتَابَ কিতাব وَالْحِكْمَةَ হিকমত, وَالتَّوْرَاةَ তাওরাত وَالْاِنْجِيْلَ এবং ইঞ্জীল ।
সরল অনুবাদ
৪৭. সে (মারইয়াম) বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার সন্তান হবে কীভাবে, অথচ আমাকে কোন মানুষ স্পর্শ করেনি? তিনি (আল্লাহ) বললেন, এভাবেই আল্লাহ যা চান তাই সৃষ্টি করেন। যখন তিনি কোন কাজের ফায়সালা করেন তখন কেবল তাকে বলেন ‘হও’ অতঃপর তা হয়ে যায়। [এখানে ঈসা (আঃ) এর সৃষ্টির ব্যাপারে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে যে, ঈসা (আঃ) এর সৃষ্টি অন্যান্য মানবশিশুর মতো নয়। অন্যান্য মানব শিশু সৃষ্টির জন্য যেরকমভাবে পিতার প্রয়োজন পড়ে, ঈসা (আঃ) এর ক্ষেত্রে সেরূপ কিছুই ঘটবে না। বরং প্রথম মানব আদম (আঃ) যেরকমভাবে ‘কুন’ (হও) নির্দেশ দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিলেন, অনুরূপভাবে তিনিও ‘কুন’ (হও) নির্দেশ দ্বারাই সৃষ্টি হয়েছেন।]
৪৮. আর তিনি তাকে কিতাব, হিকমত (প্রজ্ঞা), তাওরাত এবং ইঞ্জীল শিক্ষা দেবেন [অর্থাৎ তিনি পূর্ববর্তী কিতাব তাওরাতকে সংস্কার করে তার বিকৃতরূপ থেকে উদ্ধার করবেন এবং তা মানুষকে শিক্ষা প্রদান করবেন। পাশাপাশি তিনি একটি নতুন আসমানী কিতাব ইঞ্জীলও শিক্ষা প্রদান করবেন, যা তার উপর অবতীর্ণ হবে।]।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. কোন পুরুষের স্পর্শ ছাড়াই মারইয়াম (আঃ) এর সন্তান জন্ম হয়েছিল।
২. আল্লাহ তা‘আলা কোন পুরুষের স্পর্শ ছাড়াই যে কাউকে সন্তান দান করতে সক্ষম।
৩. আল্লাহ তা‘আলার উদ্ভাবন ক্ষমতা অতি দ্রুত ও নিখুঁত।
৪. ইঞ্জীল কিতাব ঈসা (আঃ) এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল।