১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
আয়াত : ৩৭ মারইয়াম (আঃ) এর বিশেষ রিযিক প্রাপ্তি
فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُوْلٍ حَسَنٍ وَّاَنْۢبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًا وَّكَفَّلَهَا زَكَرِيَّاؕ كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابَ وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًاۚ قَالَ يَا مَرْيَمُ اَنّٰى لَكِ هٰذَاؕ قَالَتْ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللهِؕ اِنَّ اللهَ يَرْزُقُ مَنْ يَّشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ (৩৭)
শাব্দিক অনুবাদ
৩৭. فَتَقَبَّلَهَا অতঃপর তাকে কবুল করলেন رَبُّهَا তার প্রতিপালক بِقَبُوْلٍ حَسَنٍ উত্তমভাবে কবুল করলেন وَاَنْۢبَتَهَا এবং তাকে লালন-পালনের ব্যবস্থা করলেন نَبَاتًا حَسَنًا উত্তম লালন-পালন। وَكَفَّلَهَا আর তাকে তত্ত্বাবধানে রাখলেন زَكَرِيَّا যাকারিয়ার। كُلَّمَا যখনই دَخَلَ প্রবেশ করত عَلَيْهَا তার কাছে زَكَرِيَّا যাকারিয়া اَلْمِحْرَابَ মেহরাবে وَجَدَ সে পেত عِنْدَهَا তার কাছে رِزْقًا রিযিক। قَالَ সে বলত يَا مَرْيَمُ হে মারইয়াম! اَنّٰى কোথা থেকে لَكِ তোমার কাছে هٰذَا এসব? قَالَتْ সে বলল, هُوَ এসব مِنْ عِنْدِ اللهِ আল্লাহর পক্ষ থেকে। اِنَّ اللهَ নিশ্চয় আল্লাহ يَرْزُقُ রিযিক দান করেন مَنْ يَّشَآءُ যাকে চান بِغَيْرِ حِسَابٍ হিসাব ছাড়া।
সরল অনুবাদ
৩৭. অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে (মারইয়ামকে) উত্তমভাবে কবুল করলেন এবং তাকে উত্তমভাবে লালন-পালনের ব্যবস্থা করলেন। আর (এজন্যই) তাকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে রাখলেন। যখনই যাকারিয়া তার কাছে মেহরাব [মেহরাব বলতে সাধারণত আমরা মসজিদের ইমামের দাঁড়ানোর জন্য যে জায়গাটি তৈরি করা হয়, সেটিকে বুঝে থাকি। কিন্তু এখানে মেহরাব বলতে তা বুঝানো হয়নি। বরং মেহরাব বলতে ঐ কক্ষকে বুঝানো হয়েছে, যা খ্রিস্টান ও ইহুদীদের গীর্জা ও উপাসনালয়গুলোত মূল উপাসনা গৃহের সাথে লাগিয়ে সমতল ভূমি থেকে যথেষ্ট উঁচুতে তৈরি করা হয়, যার মধ্যে উপাসনালয়ের খাদেম, পুরোহিত ও এতেকাফকারীরা অবস্থান করে, তাকে মেহরাব বলা হয়। এ ধরনের একটি কামরাতেই মারইয়াম (আঃ) অবস্থান করতেন।] (নির্দিষ্ট কক্ষে) প্রবেশ করত, তখনই তার কাছে রিযিক (খাদ্য-সামগ্রী) দেখতে পেত। (ফলে) সে জিজ্ঞেস করত, হে মারইয়াম! তোমার কাছে এসব কোথা থেকে (আসে)? সে বলল, এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে (আসে)। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে অগণিত রিযিক (খাদ্য) দান করেন। [এখানে রিযিক বলতে মারইয়াম (আঃ) এর নিকট আগত ফলমূলের কথা বোঝানো হয়েছে। যাকারিয়া (আঃ) এসব ফলমূল মারইয়াম (আঃ) এর নিকট দেখতে পেয়ে খুবই আশ্চর্য হতেন। কেননা- (১) এই ফলগুলো ছিল অসময়ের। অর্থাৎ গ্রীষ্মের ফল শীতে এবং শীতের ফল গ্রীষ্মের মৌসুমে তার ঘরে বিদ্যমান থাকত। (২) এই ফলগুলো না যাকারিয়া (আঃ) তাকে দিতেন, না অন্য কেউ। মূলত এটি ছিল আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. মারইয়াম (আঃ) যাকারিয়া (আঃ) এর তত্ত্বাবধানে লালিতপালিত হয়েছিলেন।
২. মারইয়াম (আঃ) আল্লাহর পক্ষ হতে বিশেষ রিযিক প্রাপ্ত হতেন।
৩. আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সৎ বান্দাদেরকে অশেষ রিযিক দান করে থাকেন।
৪. নিজ সন্তান ছাড়াও অপর কারো লালন-পালনের ভার গ্রহণ করা যাবে।
শাব্দিক অনুবাদ
৩৭. فَتَقَبَّلَهَا অতঃপর তাকে কবুল করলেন رَبُّهَا তার প্রতিপালক بِقَبُوْلٍ حَسَنٍ উত্তমভাবে কবুল করলেন وَاَنْۢبَتَهَا এবং তাকে লালন-পালনের ব্যবস্থা করলেন نَبَاتًا حَسَنًا উত্তম লালন-পালন। وَكَفَّلَهَا আর তাকে তত্ত্বাবধানে রাখলেন زَكَرِيَّا যাকারিয়ার। كُلَّمَا যখনই دَخَلَ প্রবেশ করত عَلَيْهَا তার কাছে زَكَرِيَّا যাকারিয়া اَلْمِحْرَابَ মেহরাবে وَجَدَ সে পেত عِنْدَهَا তার কাছে رِزْقًا রিযিক। قَالَ সে বলত يَا مَرْيَمُ হে মারইয়াম! اَنّٰى কোথা থেকে لَكِ তোমার কাছে هٰذَا এসব? قَالَتْ সে বলল, هُوَ এসব مِنْ عِنْدِ اللهِ আল্লাহর পক্ষ থেকে। اِنَّ اللهَ নিশ্চয় আল্লাহ يَرْزُقُ রিযিক দান করেন مَنْ يَّشَآءُ যাকে চান بِغَيْرِ حِسَابٍ হিসাব ছাড়া।
সরল অনুবাদ
৩৭. অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে (মারইয়ামকে) উত্তমভাবে কবুল করলেন এবং তাকে উত্তমভাবে লালন-পালনের ব্যবস্থা করলেন। আর (এজন্যই) তাকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে রাখলেন। যখনই যাকারিয়া তার কাছে মেহরাব [মেহরাব বলতে সাধারণত আমরা মসজিদের ইমামের দাঁড়ানোর জন্য যে জায়গাটি তৈরি করা হয়, সেটিকে বুঝে থাকি। কিন্তু এখানে মেহরাব বলতে তা বুঝানো হয়নি। বরং মেহরাব বলতে ঐ কক্ষকে বুঝানো হয়েছে, যা খ্রিস্টান ও ইহুদীদের গীর্জা ও উপাসনালয়গুলোত মূল উপাসনা গৃহের সাথে লাগিয়ে সমতল ভূমি থেকে যথেষ্ট উঁচুতে তৈরি করা হয়, যার মধ্যে উপাসনালয়ের খাদেম, পুরোহিত ও এতেকাফকারীরা অবস্থান করে, তাকে মেহরাব বলা হয়। এ ধরনের একটি কামরাতেই মারইয়াম (আঃ) অবস্থান করতেন।] (নির্দিষ্ট কক্ষে) প্রবেশ করত, তখনই তার কাছে রিযিক (খাদ্য-সামগ্রী) দেখতে পেত। (ফলে) সে জিজ্ঞেস করত, হে মারইয়াম! তোমার কাছে এসব কোথা থেকে (আসে)? সে বলল, এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে (আসে)। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে অগণিত রিযিক (খাদ্য) দান করেন। [এখানে রিযিক বলতে মারইয়াম (আঃ) এর নিকট আগত ফলমূলের কথা বোঝানো হয়েছে। যাকারিয়া (আঃ) এসব ফলমূল মারইয়াম (আঃ) এর নিকট দেখতে পেয়ে খুবই আশ্চর্য হতেন। কেননা- (১) এই ফলগুলো ছিল অসময়ের। অর্থাৎ গ্রীষ্মের ফল শীতে এবং শীতের ফল গ্রীষ্মের মৌসুমে তার ঘরে বিদ্যমান থাকত। (২) এই ফলগুলো না যাকারিয়া (আঃ) তাকে দিতেন, না অন্য কেউ। মূলত এটি ছিল আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. মারইয়াম (আঃ) যাকারিয়া (আঃ) এর তত্ত্বাবধানে লালিতপালিত হয়েছিলেন।
২. মারইয়াম (আঃ) আল্লাহর পক্ষ হতে বিশেষ রিযিক প্রাপ্ত হতেন।
৩. আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সৎ বান্দাদেরকে অশেষ রিযিক দান করে থাকেন।
৪. নিজ সন্তান ছাড়াও অপর কারো লালন-পালনের ভার গ্রহণ করা যাবে।