১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
আয়াত : ৮৯ – ৯০ তাওবার গুরুত্ব
اِلَّا الَّذِيْنَ تَابُوْا مِنْ ۢبَعْدِ ذٰلِكَ وَاَصْلَحُوْا۫ فَاِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ (৮৯) اِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بَعْدَ اِيْمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّنْ تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْۚ وَاُولٰٓئِكَ هُمُ الضَّآلُّوْنَ (৯০)
শাব্দিক অনুবাদ
৮৯. اِلَّا তবে اَلَّذِيْنَ যারা تَابُوْا তাওবা করেছে مِنْ ۢبَعْدِ ذٰلِكَ এসব কিছুর পরে وَاَصْلَحُوْا এবং সংশোধন করে নিয়েছে। فَاِنَّ অতঃপর নিশ্চয় اَللهَ আল্লাহ غَفُوْرٌ অত্যন্ত ক্ষমাশীল رَحِيْمٌ ও পরম দয়ালু।
৯০. اِنَّ নিশ্চয় اَلَّذِيْنَ যারা كَفَرُوْا কুফরী করেছে بَعْدَ পর اِيْمَانِهِمْ তাদের ঈমান আনার, ثُمَّ তারপর اِزْدَادُوْا তারা আরো বৃদ্ধি করেছে كُفْرًا সেই কুফরীকে لَنْ تُقْبَلَ কিছুতেই গ্রহণ করা হবে না تَوْبَتُهُمْ তাদের তাওবা। وَاُولٰٓئِكَ আর ঐসব লোক هُمُ তারাই اَلضَّآلُّوْنَ পথভ্রষ্ট।
সরল অনুবাদ
৮৯. তবে (তাদের কথা ভিন্ন) যারা পরবর্তীতে তাওবা করেছে (ফিরে এসেছে) এবং (নিজেদেরকে) সংশোধন করে নিয়েছে। অতঃপর নিশ্চয় আল্লাহ (এরূপ ব্যক্তিদের জন্য) অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
৯০. পক্ষান্তরে যারা ঈমান আনার পর কুফরী করেছে, তারপর সেই কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করেছে [এখানে কুফরীকে বৃদ্ধি করা বলতে কাফিরদের এমনসব কর্মকে বুঝানো হয়েছে, যা তারা ইসলামকে দমানোর জন্য করে থাকে। যেমন- মানুষের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে নানা ধরনের সন্দেহ ও সংশয় সৃষ্টি করা, বিভ্রান্ত ছড়ানো, নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় দেখানো, দুনিয়ার প্রাচুর্যতার লোভ দেখানো, ফিতনা সৃষ্টি করা, মুসলিমদেরকে হত্যা করা, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সম্পর্কে কটুক্তি করা ইত্যাদি। এসব কর্মকে কাফিররা নিজেদের দৃষ্টিতে উত্তম কাজ হিসেবে মনে করলেও, মূলত এগুলো তাদের কুফরীকে ক্রমাগত বৃদ্ধি করে থাকে। অবশেষে তাদেরকে তাওবার সুযোগ আসার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করতে হয়।]- তাদের তাওবা (অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসা) কিছুতেই গ্রহণ করা হবে না। আর তারাই পথভ্রষ্ট।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. কুফরী করে ফেললে সেজন্য তাওবা করা জরুরি।
২. তাওবা করার সাথে সাথে নিজেকে সংশোধন করে নেয়া আবশ্যক।
শাব্দিক অনুবাদ
৮৯. اِلَّا তবে اَلَّذِيْنَ যারা تَابُوْا তাওবা করেছে مِنْ ۢبَعْدِ ذٰلِكَ এসব কিছুর পরে وَاَصْلَحُوْا এবং সংশোধন করে নিয়েছে। فَاِنَّ অতঃপর নিশ্চয় اَللهَ আল্লাহ غَفُوْرٌ অত্যন্ত ক্ষমাশীল رَحِيْمٌ ও পরম দয়ালু।
৯০. اِنَّ নিশ্চয় اَلَّذِيْنَ যারা كَفَرُوْا কুফরী করেছে بَعْدَ পর اِيْمَانِهِمْ তাদের ঈমান আনার, ثُمَّ তারপর اِزْدَادُوْا তারা আরো বৃদ্ধি করেছে كُفْرًا সেই কুফরীকে لَنْ تُقْبَلَ কিছুতেই গ্রহণ করা হবে না تَوْبَتُهُمْ তাদের তাওবা। وَاُولٰٓئِكَ আর ঐসব লোক هُمُ তারাই اَلضَّآلُّوْنَ পথভ্রষ্ট।
সরল অনুবাদ
৮৯. তবে (তাদের কথা ভিন্ন) যারা পরবর্তীতে তাওবা করেছে (ফিরে এসেছে) এবং (নিজেদেরকে) সংশোধন করে নিয়েছে। অতঃপর নিশ্চয় আল্লাহ (এরূপ ব্যক্তিদের জন্য) অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
৯০. পক্ষান্তরে যারা ঈমান আনার পর কুফরী করেছে, তারপর সেই কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করেছে [এখানে কুফরীকে বৃদ্ধি করা বলতে কাফিরদের এমনসব কর্মকে বুঝানো হয়েছে, যা তারা ইসলামকে দমানোর জন্য করে থাকে। যেমন- মানুষের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে নানা ধরনের সন্দেহ ও সংশয় সৃষ্টি করা, বিভ্রান্ত ছড়ানো, নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় দেখানো, দুনিয়ার প্রাচুর্যতার লোভ দেখানো, ফিতনা সৃষ্টি করা, মুসলিমদেরকে হত্যা করা, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সম্পর্কে কটুক্তি করা ইত্যাদি। এসব কর্মকে কাফিররা নিজেদের দৃষ্টিতে উত্তম কাজ হিসেবে মনে করলেও, মূলত এগুলো তাদের কুফরীকে ক্রমাগত বৃদ্ধি করে থাকে। অবশেষে তাদেরকে তাওবার সুযোগ আসার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করতে হয়।]- তাদের তাওবা (অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসা) কিছুতেই গ্রহণ করা হবে না। আর তারাই পথভ্রষ্ট।
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. কুফরী করে ফেললে সেজন্য তাওবা করা জরুরি।
২. তাওবা করার সাথে সাথে নিজেকে সংশোধন করে নেয়া আবশ্যক।