১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮১
আয়াত : ১৪৯ – ১৫০ কাফিরদের অনুসরণ করার পরিণাম
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِنْ تُطِيْعُوا الَّذِيْنَ كَفَرُوْا يَرُدُّوْكُمْ عَلٰۤى اَعْقَابِكُمْ فَتَنْقَلِبُوْا خَاسِرِيْنَ (১৪৯) بَلِ اللهُ مَوْلَاكُمْۚ وَهُوَ خَيْرُ النَّاصِرِيْنَ (১৫০)
শাব্দিক অনুবাদ
১৪৯ يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا হে ঈমানদারগণ! اِنْ যদি تُطِيْعُوْا তোমরা অনুসরণ করো اَلَّذِيْنَ যারা كَفَرُوْا অস্বীকার করেছে يَرُدُّوْكُمْ তারা তোমাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে عَلٰۤى اَعْقَابِكُمْ তোমাদের পেছনের দিকে। فَتَنْقَلِبُوْا ফলে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে خَاسِرِيْنَ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে।
১৫০. بَلِ বরং اَللهُ আল্লাহই مَوْلَاكُمْ তোমাদের অভিভাবক وَهُوَ এবং তিনিই خَيْرُ সর্বোত্তম اَلنَّاصِرِيْنَ সাহায্যকারী।
সরল অনুবাদ
১৪৯. হে ঈমানদারগণ! যদি তোমরা কাফিরদের অনুসরণ করো, তাহলে তারা তোমাদেরকে পেছনের দিকে (জাহিলিয়াতের অবস্থায়) ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রত্যাবর্তিত হবে। [এ আয়াতগুলো নাযিল হওয়ার মূল প্রেক্ষাপট হলো যে, যখন মুসলিমগণ উহুদ যুদ্ধে কাফিরদের হাতে পরাজিত হয়, তখন মুনাফিকরা এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে চক্রান্তে লিপ্ত হয় এবং বিভিন্ন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা করতে থাকে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা অত্র আয়াতদ্বয় নাযিল করে তাদের সমালোচনার রহস্য ফাঁস করে দেন এবং মুসলিমদেরকে আগত বিপদের অশনী সংকেত প্রদানপূর্বক তাদেরকে ঈমানী শক্তি বৃদ্ধির জন্য তাগিদ প্রদান করেন।]
১৫০. বরং আল্লাহই তোমাদের অভিভাবক (রক্ষক) এবং তিনিই সর্বোত্তম সাহায্যকারী। [অর্থাৎ তোমরা কেবল আল্লাহকেই অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো এবং কেবল তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করো। কেননা একমাত্র তাঁকে ছাড়া তোমাদেরকে আর কেউ সাহায্য করতে সক্ষম নয়। মুনাফিকরা তোমাদের ব্যাপারে যেসব সমালোচনা করে থাকে এবং তোমাদের যেসব সাহায্যের আশ্বাস দেয়, সেগুলো অসার গল্পমাত্র। তাদের এসব আশ্বাসের কোন বাস্তবতা নেই।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. কাফিরদের অনুসরণ করা যাবে না; কেননা তারা তাদের অনুসারীদেরকে জাহিলী অবস্থার দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
২. কাফিররা মুসলিমদের আখিরাত ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩. মুমিনদের প্রকৃত অভিভাবক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা; আর তিনিই তাদের সর্বোত্তম সাহায্যকারী।
শাব্দিক অনুবাদ
১৪৯ يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا হে ঈমানদারগণ! اِنْ যদি تُطِيْعُوْا তোমরা অনুসরণ করো اَلَّذِيْنَ যারা كَفَرُوْا অস্বীকার করেছে يَرُدُّوْكُمْ তারা তোমাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে عَلٰۤى اَعْقَابِكُمْ তোমাদের পেছনের দিকে। فَتَنْقَلِبُوْا ফলে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে خَاسِرِيْنَ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে।
১৫০. بَلِ বরং اَللهُ আল্লাহই مَوْلَاكُمْ তোমাদের অভিভাবক وَهُوَ এবং তিনিই خَيْرُ সর্বোত্তম اَلنَّاصِرِيْنَ সাহায্যকারী।
সরল অনুবাদ
১৪৯. হে ঈমানদারগণ! যদি তোমরা কাফিরদের অনুসরণ করো, তাহলে তারা তোমাদেরকে পেছনের দিকে (জাহিলিয়াতের অবস্থায়) ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রত্যাবর্তিত হবে। [এ আয়াতগুলো নাযিল হওয়ার মূল প্রেক্ষাপট হলো যে, যখন মুসলিমগণ উহুদ যুদ্ধে কাফিরদের হাতে পরাজিত হয়, তখন মুনাফিকরা এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে চক্রান্তে লিপ্ত হয় এবং বিভিন্ন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা করতে থাকে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা অত্র আয়াতদ্বয় নাযিল করে তাদের সমালোচনার রহস্য ফাঁস করে দেন এবং মুসলিমদেরকে আগত বিপদের অশনী সংকেত প্রদানপূর্বক তাদেরকে ঈমানী শক্তি বৃদ্ধির জন্য তাগিদ প্রদান করেন।]
১৫০. বরং আল্লাহই তোমাদের অভিভাবক (রক্ষক) এবং তিনিই সর্বোত্তম সাহায্যকারী। [অর্থাৎ তোমরা কেবল আল্লাহকেই অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো এবং কেবল তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করো। কেননা একমাত্র তাঁকে ছাড়া তোমাদেরকে আর কেউ সাহায্য করতে সক্ষম নয়। মুনাফিকরা তোমাদের ব্যাপারে যেসব সমালোচনা করে থাকে এবং তোমাদের যেসব সাহায্যের আশ্বাস দেয়, সেগুলো অসার গল্পমাত্র। তাদের এসব আশ্বাসের কোন বাস্তবতা নেই।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. কাফিরদের অনুসরণ করা যাবে না; কেননা তারা তাদের অনুসারীদেরকে জাহিলী অবস্থার দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
২. কাফিররা মুসলিমদের আখিরাত ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩. মুমিনদের প্রকৃত অভিভাবক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা; আর তিনিই তাদের সর্বোত্তম সাহায্যকারী।