১
সূরা আলে ইমরান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
আয়াত : ৪৯ ঈসা (আঃ) এর মুজিযাসমূহ
وَرَسُوْلًا اِلٰى بَنِيْۤ اِسْرَآئِيْلَ اَنِّيْ قَدْ جِئْتُكُمْ بِاٰيَةٍ مِّنْ رَّبِّكُمْۚ اَنِّيْۤ اَخْلُقُ لَكُمْ مِّنَ الطِّيْنِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ فَاَنْفُخُ فِيْهِ فَيَكُوْنُ طَيْرًا ۢبِاِذْنِ اللهِۚ وَاُبْرِئُ الْاَكْمَهَ وَالْاَبْرَصَ وَاُحْيِي الْمَوْتٰى بِاِذْنِ اللهِؕ وَاُنَبِّئُكُمْ بِمَا تَأْكُلُوْنَ وَمَا تَدَّخِرُوْنَ فِيْ بُيُوْتِكُمْؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَةً لَّكُمْ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ (৪৯)
শাব্দিক অনুবাদ
৪৯. وَرَسُوْلًا আর একজন রাসূল اِلٰى بَنِيْۤ اِسْرَآئِيْلَ বনী ইসরাঈলের প্রতি। اَنِّيْ নিশ্চয় আমি قَدْ جِئْتُكُمْ তোমাদের কাছে এসেছি بِاٰيَةٍ কিছু নিদর্শনসহ مِنْ رَّبِّكُمْ তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে । اَنِّيْ নিশ্চয় আমি اَخْلُقُ তৈরি করব لَكُمْ তোমাদের জন্য مِنَ الطِّيْنِ কাদামাটি হতে كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ পাখির আকৃতির ন্যায় فَاَنْفُخُ তারপর আমি ফুঁৎকার দেব فِيْهِ তাতে فَيَكُوْنُ ফলে তা পরিণত হবে طَيْرًا পাখিতে بِاِذْنِ اللهِ আল্লাহর নির্দেশে। وَاُبْرِئُ আর আমি ভালো করে দেব اَلْاَكْمَهَ জন্মান্ধ وَالْاَبْرَصَ ও শ্বেত রোগীকে وَاُحْيِي এবং আমি জীবিত করব اَلْمَوْتٰى মৃতকে بِاِذْنِ اللهِ আল্লাহর নির্দেশে। وَاُنَبِّئُكُمْ আর আমি সংবাদ দেব بِمَا تَأْكُلُوْنَ যা তোমরা খাও وَمَا تَدَّخِرُوْنَ যা তোমরা জমা করে রাখ فِيْ بُيُوْتِكُمْ তোমাদের গৃহসমূহে। اِنَّ অবশ্যই فِيْ ذٰلِكَ এসবের মধ্যে রয়েছে لَاٰيَةً নিদর্শন لَكُمْ তোমাদের জন্য اِنْ كُنْتُمْ যদি তোমরা হও مُؤْمِنِيْنَ মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত ।
সরল অনুবাদ
৪৯. আর (সে হবে) বনী ইসরাঈলের একজন রাসূল। (সে তার সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে বলবে) নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে কিছু নিদর্শন নিয়ে এসেছি। (যেমন) আমি তোমাদের জন্য কাদামাটি দিয়ে পাখির আকৃতির ন্যায় (একটি আকৃতি) তৈরি করব, তারপর তাতে ফুঁৎকার দেব, ফলে আল্লাহর নির্দেশে তা (জীবন্ত) পাখিতে পরিণত হবে। আর আমি আল্লাহর নির্দেশে জন্মান্ধ ও শ্বেত রোগীকে ভালো করে দেব এবং মৃতকে জীবিত করব। আর তোমরা তোমাদের গৃহসমূহে যা খাও এবং যা জমা রাখ- এ ব্যাপারেও সংবাদ দেব। এসবের মধ্যে অবশ্যই তোমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে- যদি তোমরা মুমিন হও। [অর্থাৎ যদি তোমরা হককে মেনে নিতে প্রস্তুত থাক এবং তুচ্ছজ্ঞানকারী ব্যক্তিদের মতো না হও, তাহলে এসব মুজিযা প্রত্যক্ষ করে সমগ্র বিশ^জাহানের প্রতিপালক ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। আর তাঁর অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া এবং ঈসা (আঃ)-কে তাঁর রাসূল হিসেবে মেনে নেয়ার জন্য এসব নিদর্শনই যথেষ্ট।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. ঈসা (আঃ) ছিলেন বনী ইসরাঈদের একজন রাসূল।
২. কাদামাটি দিয়ে পাখির আকৃতি তৈরি করে তাতে ফুঁক দিয়ে পাখিতে পরিণত করা, আল্লাহর নির্দেশে জন্মান্ধ ও শে^ত রোগীকে আরোগ্য দান করা, আল্লাহর নির্দেশে মৃতকে জীবিত করা এবং কোন ব্যক্তি যা কিছু ভক্ষণ করত এবং যা কিছু জমা করে রেখে দিত- সে সম্পর্কে বলে দিতে পারা এসব ছিল ঈসা (আঃ) এর মুজিযা।
৩. প্রত্যেক মুজিযাই আল্লাহ তা‘আলার একেকটি নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত।
শাব্দিক অনুবাদ
৪৯. وَرَسُوْلًا আর একজন রাসূল اِلٰى بَنِيْۤ اِسْرَآئِيْلَ বনী ইসরাঈলের প্রতি। اَنِّيْ নিশ্চয় আমি قَدْ جِئْتُكُمْ তোমাদের কাছে এসেছি بِاٰيَةٍ কিছু নিদর্শনসহ مِنْ رَّبِّكُمْ তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে । اَنِّيْ নিশ্চয় আমি اَخْلُقُ তৈরি করব لَكُمْ তোমাদের জন্য مِنَ الطِّيْنِ কাদামাটি হতে كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ পাখির আকৃতির ন্যায় فَاَنْفُخُ তারপর আমি ফুঁৎকার দেব فِيْهِ তাতে فَيَكُوْنُ ফলে তা পরিণত হবে طَيْرًا পাখিতে بِاِذْنِ اللهِ আল্লাহর নির্দেশে। وَاُبْرِئُ আর আমি ভালো করে দেব اَلْاَكْمَهَ জন্মান্ধ وَالْاَبْرَصَ ও শ্বেত রোগীকে وَاُحْيِي এবং আমি জীবিত করব اَلْمَوْتٰى মৃতকে بِاِذْنِ اللهِ আল্লাহর নির্দেশে। وَاُنَبِّئُكُمْ আর আমি সংবাদ দেব بِمَا تَأْكُلُوْنَ যা তোমরা খাও وَمَا تَدَّخِرُوْنَ যা তোমরা জমা করে রাখ فِيْ بُيُوْتِكُمْ তোমাদের গৃহসমূহে। اِنَّ অবশ্যই فِيْ ذٰلِكَ এসবের মধ্যে রয়েছে لَاٰيَةً নিদর্শন لَكُمْ তোমাদের জন্য اِنْ كُنْتُمْ যদি তোমরা হও مُؤْمِنِيْنَ মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত ।
সরল অনুবাদ
৪৯. আর (সে হবে) বনী ইসরাঈলের একজন রাসূল। (সে তার সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে বলবে) নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে কিছু নিদর্শন নিয়ে এসেছি। (যেমন) আমি তোমাদের জন্য কাদামাটি দিয়ে পাখির আকৃতির ন্যায় (একটি আকৃতি) তৈরি করব, তারপর তাতে ফুঁৎকার দেব, ফলে আল্লাহর নির্দেশে তা (জীবন্ত) পাখিতে পরিণত হবে। আর আমি আল্লাহর নির্দেশে জন্মান্ধ ও শ্বেত রোগীকে ভালো করে দেব এবং মৃতকে জীবিত করব। আর তোমরা তোমাদের গৃহসমূহে যা খাও এবং যা জমা রাখ- এ ব্যাপারেও সংবাদ দেব। এসবের মধ্যে অবশ্যই তোমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে- যদি তোমরা মুমিন হও। [অর্থাৎ যদি তোমরা হককে মেনে নিতে প্রস্তুত থাক এবং তুচ্ছজ্ঞানকারী ব্যক্তিদের মতো না হও, তাহলে এসব মুজিযা প্রত্যক্ষ করে সমগ্র বিশ^জাহানের প্রতিপালক ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। আর তাঁর অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া এবং ঈসা (আঃ)-কে তাঁর রাসূল হিসেবে মেনে নেয়ার জন্য এসব নিদর্শনই যথেষ্ট।]
আয়াতগুলো থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
১. ঈসা (আঃ) ছিলেন বনী ইসরাঈদের একজন রাসূল।
২. কাদামাটি দিয়ে পাখির আকৃতি তৈরি করে তাতে ফুঁক দিয়ে পাখিতে পরিণত করা, আল্লাহর নির্দেশে জন্মান্ধ ও শে^ত রোগীকে আরোগ্য দান করা, আল্লাহর নির্দেশে মৃতকে জীবিত করা এবং কোন ব্যক্তি যা কিছু ভক্ষণ করত এবং যা কিছু জমা করে রেখে দিত- সে সম্পর্কে বলে দিতে পারা এসব ছিল ঈসা (আঃ) এর মুজিযা।
৩. প্রত্যেক মুজিযাই আল্লাহ তা‘আলার একেকটি নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত।