১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০২
কখন ওয়াজিব ও কখন আদায় করতে হয়:
ঈদুল ফিতরের রাত নেমে আসার সাথে সাথেই যাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়। কারণ এটাই হচ্ছে রমযানের ইফতার করার সময়।
আর যাকাতুল ফিতর আদায় করার সময়ের ব্যাপারে কথা হচ্ছে: যাকাতুল ফিতর আদায় করার জায়েয সময় রয়েছে আবার ফযিলতপূর্ণ সময় ও আদায় হওয়ার সময় রয়েছে।
তন্মধ্যে জায়েয সময় হচ্ছে: ঈদের একদিন বা দু’দিন পূর্ব থেকে। কারণ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা ও অন্যান্য সাহাবীগণ তা করতেন।
আর আদায় হওয়া ও ফযিলতপূর্ণ সময় হচ্ছে, ঈদের দিন সূর্যোদয়ের পর ও ঈদের সালাতের সামান্য পূর্ব পর্যন্ত। কারণ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِزَكَاةِ الْفِطْرِ، أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ إِلَى الصَّلَاةِ»
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যাকাতুল ফিতর লোকজনের ঈদের সালাত বের হওয়ার পূর্বেই তা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫০৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৮৪।]
নাফে‘ রহ. বলেন, ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ঈদের আগের দিন বা এর দু’দিন আগে আদায় করে দিতেন। নাফে‘ থেকে অন্য বর্ণনার শব্দ হচ্ছে:
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا «يُعْطِيهَا الَّذِينَ يَقْبَلُونَهَا، وَكَانُوا يُعْطُونَ قَبْلَ الفِطْرِ بِيَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ»
“ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদেরকেই দিতেন যারা তা গ্রহণ করত। আর সাহাবীগণ ঈদের এক-দু’দিন পূর্বেই আদায় করে দিতেন।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫১১।]
অনুরূপভাবে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন,
«فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكَاةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ، وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ، فَمَنْ أَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلَاةِ فَهِيَ زَكَاةٌ مَقْبُولَةٌ، وَمَنْ أَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلَاةِ فَهِيَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ»
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওম পালনকারীর অনর্থক কথাবার্তা ও অশালীন আচরণের কাফফারাস্বরূপ এবং গরীব-মিসকীনদের আহারের সংস্থান করার জন্য যাকাতুল ফিতর (ফিতরা) নির্ধারণ করেছেন। যে ব্যক্তি ঈদের সালাতের পূর্বে তা পরিশোধ করে (আল্লাহর নিকট) তা গ্রহণীয় যাকাত হিসেবে ধর্তব্য হবে। আর যে ব্যক্তি ঈদের সালাতের পর তা পরিশোধ করে, তাও দানসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি দান”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৮২৭। আবু দাউদ, হাদীস নং ১৬০৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।]
আর যাকাতুল ফিতর আদায় করার সময়ের ব্যাপারে কথা হচ্ছে: যাকাতুল ফিতর আদায় করার জায়েয সময় রয়েছে আবার ফযিলতপূর্ণ সময় ও আদায় হওয়ার সময় রয়েছে।
তন্মধ্যে জায়েয সময় হচ্ছে: ঈদের একদিন বা দু’দিন পূর্ব থেকে। কারণ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা ও অন্যান্য সাহাবীগণ তা করতেন।
আর আদায় হওয়া ও ফযিলতপূর্ণ সময় হচ্ছে, ঈদের দিন সূর্যোদয়ের পর ও ঈদের সালাতের সামান্য পূর্ব পর্যন্ত। কারণ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِزَكَاةِ الْفِطْرِ، أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ إِلَى الصَّلَاةِ»
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যাকাতুল ফিতর লোকজনের ঈদের সালাত বের হওয়ার পূর্বেই তা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫০৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৮৪।]
নাফে‘ রহ. বলেন, ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ঈদের আগের দিন বা এর দু’দিন আগে আদায় করে দিতেন। নাফে‘ থেকে অন্য বর্ণনার শব্দ হচ্ছে:
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا «يُعْطِيهَا الَّذِينَ يَقْبَلُونَهَا، وَكَانُوا يُعْطُونَ قَبْلَ الفِطْرِ بِيَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ»
“ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদেরকেই দিতেন যারা তা গ্রহণ করত। আর সাহাবীগণ ঈদের এক-দু’দিন পূর্বেই আদায় করে দিতেন।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫১১।]
অনুরূপভাবে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন,
«فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكَاةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ، وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ، فَمَنْ أَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلَاةِ فَهِيَ زَكَاةٌ مَقْبُولَةٌ، وَمَنْ أَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلَاةِ فَهِيَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ»
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওম পালনকারীর অনর্থক কথাবার্তা ও অশালীন আচরণের কাফফারাস্বরূপ এবং গরীব-মিসকীনদের আহারের সংস্থান করার জন্য যাকাতুল ফিতর (ফিতরা) নির্ধারণ করেছেন। যে ব্যক্তি ঈদের সালাতের পূর্বে তা পরিশোধ করে (আল্লাহর নিকট) তা গ্রহণীয় যাকাত হিসেবে ধর্তব্য হবে। আর যে ব্যক্তি ঈদের সালাতের পর তা পরিশোধ করে, তাও দানসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি দান”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৮২৭। আবু দাউদ, হাদীস নং ১৬০৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।]