১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৪
খাদ্যশস্য ও ফলের যাকাত:
খাদ্যশস্যে যখন দানা পরিপক্ক হয় এবং খোসাযুক্ত হয় তখন এতে যাকাত ফরয হয়। আর ফলমূল যখন পরিপক্ক হয়ে খাওয়ার উপযোগী হয় তখন এতে যাকাত ফরয হয়। প্রত্যেক ফল খাওয়ার উপযোগী হওয়া সবার কাছেই পরিচিত। যেমন, খেজুর লালচে বা হলুদ বর্ণের হলে, আঙ্গুর মিষ্টি হলে তা খাওয়ার উপযোগী।
খাদ্যশস্য ও ফলের যাকাতের দলীল হলো আল্লাহর বাণী,
﴿وَءَاتُواْ حَقَّهُۥ يَوۡمَ حَصَادِهِ ١٤١﴾ [ الانعام : ١٤١ ]
“এবং ফল কাটার দিনেই তার হক দিয়ে দাও”। [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১৪১]
খাদ্যশস্য ও ফলের যাকাতের পরিমাণ হলো পাঁচ ওসাক। আর এক ওসাক = ৬০ সা‘। আর ১ সা‘ = ৪ মুদ্দ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«َلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ»
“পাঁচ ওসাক (এক ওসাক ৬০ সা‘-এর সমান, ৫ ওসাক x ৬০= ৩০০ সা‘।) এর কম উৎপন্ন দ্রব্যের ওপর যাকাত নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪০৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৭৯।]
সেটা অনুসারে ফল, কিসমিস, গম, চাল ও যবের নিসাবের পরিমাণ হবে, এক ওসাক ৬০ সা‘-এর সমান, ৫ ওসাক x ৬০= ৩০০ সা‘, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা‘ অনুযায়ী। আর এক সা‘ হচ্ছে, কোনো সাধারণ লোকের দু’ হাতের একত্রিত চার মুষ্টির পরিমাণ; যখন তার দু’হাত পূর্ণ থাকবে।
তবে খাদ্যশস্য ও ফলমূলে যাকাতের পরিমাণ ফরয হওয়ার কিছু শর্ত আছে। তা হলো, যদি বিনা খরচে প্রাকৃতিক বৃষ্টির পানিতে বা ঝর্ণার পানিতে খাদ্যশস্য ও ফলমূল উৎপাদিত হয় তবে তাতে ‘উশর বা এক দশমাংশ (১০%) অর্থাৎ প্রতি পাঁচ ওসাকে অর্ধ ওসাক যাকাত ফরয হবে। শ্রম নির্ভর সেচ, যেমন কূপ ইত্যাদি থেকে পানি এনে সেচ দেওয়া সাপেক্ষে যে ফসল উৎপন্ন হয় তাতে যাকাতের পরিমাণ হলো (৫%)। এর বেশি বা কম হলে উপরোক্ত হারে হিসেব করতে হবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالعُيُونُ أَوْ كَانَ عَثَرِيًّا العُشْرُ، وَمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفُ العُشْرِ»
“যা আকাশ হতে বৃষ্টির পানি অথবা ঝর্ণার পানি দ্বারা উৎপন্ন অথবা যা সেচ ব্যতীতই গাছ তার শিরার মাধ্যমে পানি আহরণ করে উৎপন্ন করে, তাতে ‘উশর তথা ১০% এবং যা নিজেদের শ্রম ব্যয় করে সেচ দেওয়া হয়েছে তাতে ‘নিসফ উশর’ তথা ৫% যাকাত দিতে হবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৮৩।]
খাদ্যশস্য ও ফলের যাকাতের দলীল হলো আল্লাহর বাণী,
﴿وَءَاتُواْ حَقَّهُۥ يَوۡمَ حَصَادِهِ ١٤١﴾ [ الانعام : ١٤١ ]
“এবং ফল কাটার দিনেই তার হক দিয়ে দাও”। [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১৪১]
খাদ্যশস্য ও ফলের যাকাতের পরিমাণ হলো পাঁচ ওসাক। আর এক ওসাক = ৬০ সা‘। আর ১ সা‘ = ৪ মুদ্দ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«َلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ»
“পাঁচ ওসাক (এক ওসাক ৬০ সা‘-এর সমান, ৫ ওসাক x ৬০= ৩০০ সা‘।) এর কম উৎপন্ন দ্রব্যের ওপর যাকাত নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪০৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৭৯।]
সেটা অনুসারে ফল, কিসমিস, গম, চাল ও যবের নিসাবের পরিমাণ হবে, এক ওসাক ৬০ সা‘-এর সমান, ৫ ওসাক x ৬০= ৩০০ সা‘, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা‘ অনুযায়ী। আর এক সা‘ হচ্ছে, কোনো সাধারণ লোকের দু’ হাতের একত্রিত চার মুষ্টির পরিমাণ; যখন তার দু’হাত পূর্ণ থাকবে।
তবে খাদ্যশস্য ও ফলমূলে যাকাতের পরিমাণ ফরয হওয়ার কিছু শর্ত আছে। তা হলো, যদি বিনা খরচে প্রাকৃতিক বৃষ্টির পানিতে বা ঝর্ণার পানিতে খাদ্যশস্য ও ফলমূল উৎপাদিত হয় তবে তাতে ‘উশর বা এক দশমাংশ (১০%) অর্থাৎ প্রতি পাঁচ ওসাকে অর্ধ ওসাক যাকাত ফরয হবে। শ্রম নির্ভর সেচ, যেমন কূপ ইত্যাদি থেকে পানি এনে সেচ দেওয়া সাপেক্ষে যে ফসল উৎপন্ন হয় তাতে যাকাতের পরিমাণ হলো (৫%)। এর বেশি বা কম হলে উপরোক্ত হারে হিসেব করতে হবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالعُيُونُ أَوْ كَانَ عَثَرِيًّا العُشْرُ، وَمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفُ العُشْرِ»
“যা আকাশ হতে বৃষ্টির পানি অথবা ঝর্ণার পানি দ্বারা উৎপন্ন অথবা যা সেচ ব্যতীতই গাছ তার শিরার মাধ্যমে পানি আহরণ করে উৎপন্ন করে, তাতে ‘উশর তথা ১০% এবং যা নিজেদের শ্রম ব্যয় করে সেচ দেওয়া হয়েছে তাতে ‘নিসফ উশর’ তথা ৫% যাকাত দিতে হবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৮৩।]