১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
অযুর ফরযসমূহ:
১-নিয়ত করা। আল্লাহর আদেশ মান্য করতে ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনে অযু করার জন্য অন্তরে দৃঢ় সংকল্প করাকে নিয়ত বলে।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ»
“প্রত্যেক কাজ তো কেবল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯০৭।]
২- কপালের উপরিভাগ থেকে থুঁতনি পর্যন্ত এবং এক কানের লতি থেকে আরেক কানের লতি পর্যন্ত একবার ধৌত করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ ٦﴾ [ المائدة : ٦ ]
“তখন তোমাদের মুখ ধৌত কর”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৩- কনুইসহ দু’হাত ধৌত করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৪- কপালের উপরিভাগের চুল গজানোর স্থান থেকে ঘাড় পর্যন্ত হাত বুলিয়ে মাথা মাসাহ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ ٦﴾ [ المائدة : ٦ ]
“মাথা মাসাহ করো”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৫- টাখনুসহ পা ধৌত করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِۚ ٦﴾ [ المائدة : ٦ ]
“এবং টাখনু পর্যন্ত পা ধৌত করো”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৬- ধৌত অঙ্গের মধ্যে পরস্পর ক্রমবিন্যাস বজায় রাখা। অর্থাৎ প্রথমে সমস্ত মুখমণ্ডল ধৌত করা, অতঃপর দু’হাত ধৌত করা, অতঃপর মাথা মাসাহ করা, অতঃপর দু’পা ধৌত করা। কুরআনে অযুর বর্ণনা এভাবেই ধারাবাহিকভাবে এসেছে। তাই পরস্পর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
৭- অযু করার সময় এক অঙ্গ ধৌত করার সাথে সাথেই অন্য অঙ্গ ধৌত করা এবং ধারাবাহিকভাবে এক অঙ্গ ধৌত করার পর অন্য অঙ্গ ধৌত করতে বিলম্ব না করা। কেননা ইবাদত শুরু করার পরে শেষ না করা নিষিদ্ধ। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَلَا تُبۡطِلُوٓاْ أَعۡمَٰلَكُمۡ ٣٣﴾ [ محمد : ٣٣ ]
“আর তোমরা তোমাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করো না”। [সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ৩৩]
তবে সামান্য বিলম্ব করতে দোষ নেই।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ»
“প্রত্যেক কাজ তো কেবল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯০৭।]
২- কপালের উপরিভাগ থেকে থুঁতনি পর্যন্ত এবং এক কানের লতি থেকে আরেক কানের লতি পর্যন্ত একবার ধৌত করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ ٦﴾ [ المائدة : ٦ ]
“তখন তোমাদের মুখ ধৌত কর”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৩- কনুইসহ দু’হাত ধৌত করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৪- কপালের উপরিভাগের চুল গজানোর স্থান থেকে ঘাড় পর্যন্ত হাত বুলিয়ে মাথা মাসাহ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ ٦﴾ [ المائدة : ٦ ]
“মাথা মাসাহ করো”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৫- টাখনুসহ পা ধৌত করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِۚ ٦﴾ [ المائدة : ٦ ]
“এবং টাখনু পর্যন্ত পা ধৌত করো”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
৬- ধৌত অঙ্গের মধ্যে পরস্পর ক্রমবিন্যাস বজায় রাখা। অর্থাৎ প্রথমে সমস্ত মুখমণ্ডল ধৌত করা, অতঃপর দু’হাত ধৌত করা, অতঃপর মাথা মাসাহ করা, অতঃপর দু’পা ধৌত করা। কুরআনে অযুর বর্ণনা এভাবেই ধারাবাহিকভাবে এসেছে। তাই পরস্পর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
৭- অযু করার সময় এক অঙ্গ ধৌত করার সাথে সাথেই অন্য অঙ্গ ধৌত করা এবং ধারাবাহিকভাবে এক অঙ্গ ধৌত করার পর অন্য অঙ্গ ধৌত করতে বিলম্ব না করা। কেননা ইবাদত শুরু করার পরে শেষ না করা নিষিদ্ধ। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَلَا تُبۡطِلُوٓاْ أَعۡمَٰلَكُمۡ ٣٣﴾ [ محمد : ٣٣ ]
“আর তোমরা তোমাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করো না”। [সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ৩৩]
তবে সামান্য বিলম্ব করতে দোষ নেই।