১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪
তাওয়াফের আদবসমূহ:
১- কায়মনোবাক্যে ও একাগ্রচিত্তে তাওয়াফ করা। তাওয়াফের সময় আল্লাহর বড়ত্ব, মহত্ত্ব স্মরণ করা এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করা।
২- অতিপ্রয়োজন ব্যতীত কথাবার্তা না বলা। একান্ত যদি কথা বলতেই হয় তাহলে ভালো কথা বলবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ إِلَّا أَنَّ اللَّهَ أَحَلَّ لَكُمْ فِيهِ الْكَلَامَ، فَمَنْ يَتَكَلَّمُ فَلَا يَتَكَلَّمُ إِلَّا بِخَيْرٍ»
“বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সালাতের মতোই, তবে আল্লাহ তাতে কথা বলা জায়েয করেছেন। সুতরাং কেউ তাওয়াফ অবস্থায় কথা বললে সে যেন উত্তম কথা বলে”। [মুসতাদরাকে হাকিম, হাদীস নং ৩০৫৮। ইমাম হাকিম ও যাহাবী উভয়ে এ হাদীসের হুকুম বর্ণনায় নীরবতা অবলম্বন করেছেন। সুনান নাসাঈ, হাদীস নং ২৯২২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ، فَأَقِلُّوا مِنَ الْكَلَامِ»
“বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করাও সালাতের ন্যায়। অতএব, কথা কমই বলবে”। [সুনান নাসাঈ, হাদীস নং ২৯২২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। বায়হাকী আল-কুবরা, হাদীস নং ৯২৯৩।]
৪- বেশি বেশি যিকির ও দো‘আ করা।
৫- কথা ও কাজে কোনো মুসলিমকে কষ্ট না দেওয়া।
২- অতিপ্রয়োজন ব্যতীত কথাবার্তা না বলা। একান্ত যদি কথা বলতেই হয় তাহলে ভালো কথা বলবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ إِلَّا أَنَّ اللَّهَ أَحَلَّ لَكُمْ فِيهِ الْكَلَامَ، فَمَنْ يَتَكَلَّمُ فَلَا يَتَكَلَّمُ إِلَّا بِخَيْرٍ»
“বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সালাতের মতোই, তবে আল্লাহ তাতে কথা বলা জায়েয করেছেন। সুতরাং কেউ তাওয়াফ অবস্থায় কথা বললে সে যেন উত্তম কথা বলে”। [মুসতাদরাকে হাকিম, হাদীস নং ৩০৫৮। ইমাম হাকিম ও যাহাবী উভয়ে এ হাদীসের হুকুম বর্ণনায় নীরবতা অবলম্বন করেছেন। সুনান নাসাঈ, হাদীস নং ২৯২২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ، فَأَقِلُّوا مِنَ الْكَلَامِ»
“বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করাও সালাতের ন্যায়। অতএব, কথা কমই বলবে”। [সুনান নাসাঈ, হাদীস নং ২৯২২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। বায়হাকী আল-কুবরা, হাদীস নং ৯২৯৩।]
৪- বেশি বেশি যিকির ও দো‘আ করা।
৫- কথা ও কাজে কোনো মুসলিমকে কষ্ট না দেওয়া।