hadith book logo

ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১০৯

কীভাবে রমযান শুরু হয়েছে বলে সাব্যস্ত হবে:

দু’টি পদ্ধতির যে কোনো একটির দ্বারা রমযান মাসে উপণীত হওয়া সাব্যস্ত হবে। তাহলো:

১- শা‘বান মাসের উনত্রিশ তারিখ দিবাগত রাতে (শা‘বানের ত্রিশতম রাতে) চাঁদ দেখা গেলে রমযান সাব্যস্ত হবে এবং পরের দিন থেকে সাওম পালন করা ফরয হবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلَالَ فَصُومُوا، وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا»

“যখন তোমরা চাঁদ দেখবে তখন সাওম আরম্ভ করবে এবং যখন চাঁদ দেখবে তখন ইফতার করবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯০৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৮১। হাদীসের নসটি মুসলিমের।]

রমযানের চাঁদ একজন সৎ ও ন্যায়পরায়ণলোক দেখলেই তা যথেষ্ট হবে। কিন্তু শাওয়াল মাসে ঈদের চাঁদ দেখার জন্য কমপক্ষে দু’জন সৎলোকের সাক্ষ্য লাগবে।

২- কোনো কারণে উনত্রিশ শা‘বান রমযানের চাঁদ দেখা না গেলে শা‘বান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করে, একত্রিশতম দিনকে রমযানের প্রথম দিন ধরে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে সাওম পালন শুরু করবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপরোক্ত হাদীসে বলেছেন,

«......... فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَصُومُوا ثَلَاثِينَ يَوْمًا»

“.......আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তবে ত্রিশ দিন সিয়াম পালন করবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯০৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৮১। হাদীসের নসটি মুসলিমের।]